০২:২৮ পি.এম
রাস্তায় জ্যামে আটকা পড়ার কারণে আদালতে পৌঁছানোর আগে পরীমনির সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। রবিবার (৯ অগাস্ট) সকালে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯ এর বিচারক শাহাদাৎ হোসেন ভূঁইয়ার আদালতে পরীমনির মামলার জেরা হওয়ার দিন ধার্য ছিল।
আবারও, পরীমনি বাসা থেকে বের হয়ে যথাসময়ে আদালতে পা রাখতে পারার আগেই কোর্টের সময় শেষ হয়ে যায়। নির্দিষ্ট সময়ে আদালতে না পৌঁছানোর কারণে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।
এদিকে, পরবর্তী জেরার তারিখ আগামী ৩০ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে। পরীর আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত (সুরভী) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আরও পড়ুন: নায়লা নাঈম: আমি পরীর রাজ্য চাই, কেন বললেন?
তিনি জানান, এদিন মামলার তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিও আদালতে হাজির হয়ে চলে যান। অন্য আসামি সময়ের আবেদন করেন।
এটির আগে গত ১০ ফেব্রুয়ারি অ্যাপেন্ডিসাইটসের অপারেশনের পর অসুস্থ হওয়ার কারণে আদালতে আসতে পারেননি পরীমনি। তখনও এ মামলার জন্য তার জেরার দিন নির্ধারিত ছিল।
ফলে, তখন তিনি জেরার জন্য ছয় মাসের অতিরিক্ত সময় পান।
এরও আগে, গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি জেরার জন্য ছিল। তবে পরীমনির দুই সন্তানকে টিকা দেওয়ার কারণে তারা কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়ায় আদালতে উপস্থিত হতে পারেননি। তাই ওইদিনও তার জেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
আরও পড়ুন: মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
এর আগের ঘটনাগুলোর মধ্যে গত বছরের ২৬ মে আদালতে উপস্থিত হয়েছিলেন পরীমনি। তবে সে সময় অসুস্থ হয়ে পড়ার কারণে জেরার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন, নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। তারা জামিনে মুক্ত রয়েছেন। ২০২১ সালের ১৪ জুন, নাসির উদ্দিন ও অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাত আসামি করে ঢাকার সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন পরীমনি।
মামলাটি তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা, সাভার থানার ইন্সপেক্টর কামাল হোসেন। ২০২২ সালের ১৮ মে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।
আরও পড়ুন: জামালগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ২
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন