০২:৩২ পি.এম
পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে এক বিদেশি নাগরিককে অপহরণ করে দুই দিন আটকে রেখে নির্যাতন এবং মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে দুই বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির জুডিশিয়ারি পুলিশ। এই ঘটনার জন্য ‘টাকা’ (TAKA) নামক একটি বিশেষ সাংকেতিক অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং এর মাধ্যমে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘জরনাল দে নোতিসিয়াস’–এর প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গ্রেপ্তার দুই বাংলাদেশির বয়স যথাক্রমে ৩৫ ও ৪৩ বছর। তবে তদন্তের স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে রাজি হয়নি।
পুলিশের একটি তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ জুন লিসবনের একটি সড়ক থেকে বিদেশি নাগরিকটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাকে একটি বাসায় দুই দিন আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন ও মারধর করা হয়। অপহরণকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তার স্বজনদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ইবি ইউট্যাবের শ্রদ্ধা নিবেদন
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, দাবিকৃত অর্থ পরিশোধের পর ভুক্তভোগীকে ছেড়ে দেওয়া হলে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। পরবর্তীতে তিনি লিসবনের জুডিশিয়ারি পুলিশের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে জুডিশিয়ারি পুলিশের জাতীয় সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিট। তারা সন্দেহভাজনদের অবস্থান শনাক্ত করার কাজ শুরু করে। উল্লেখ্য, পর্তুগিজ পুলিশের বিশেষ এই অপারেশনের নামকরণ করা হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় মুদ্রা ‘টাকা’র নামে।
লিসবনের পাবলিক প্রসিকিউটর অফিস জানিয়েছে যে, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের প্রাথমিক বিচারিক শুনানির জন্য আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রিমান্ড এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিচারিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
আরও পড়ুন: মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে: শামা ওবায়েদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন