বৃহস্পতিবার, ২৫শে জুন, ২০২৬ ইং
১১:৩৮ পি.এম
দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলায় প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করে তুলতে তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ধারাবাহিক শ্রেণিকক্ষ ও মাঠভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে ‘কমিপ্রহেন্সিভ নেচার লার্নিং টু অ্যাক্টিভেট স্কুল চিলড্রেন’ প্রকল্প। প্রকল্পটি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটির আর্থিক সহায়তায় বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পটির উদ্যোগে ০৬ দিনব্যাপী সিংড়া জাতীয় উদ্যানে পৃথকভাবে ৬টি ফিল্ড ট্রিপ অনুষ্ঠিত হয়। ফিল্ড ট্রিপে অংশ নেয় বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগনগর ইউনিয়নের চাউলিয়া মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নন্দগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং সিংড়া আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম-পঞ্চম শ্রেণির মোট ১৯৬ জন শিক্ষার্থী। শ্রেণিভিত্তিক প্রয়োজন ও বয়স বিবেচনায় প্রথম-দ্বিতীয় এবং তৃতীয়-পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
শিক্ষার্থীরা ফিল্ড ট্রিপে পাখি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী পর্যবেক্ষণ করে এবং তাদের খাদ্যাভাস, পরিবেশে ভূমিকা, জীববৈচিত্র্যের গুরুত্ব ও বিদ্যমান হুমকি সম্পর্কে জ্ঞান লাভ করে। এই ট্রিপগুলোতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং প্রকল্প কর্মকর্তারা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে চাউলিয়া মিশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বীরগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছা. শাহজিদা হক। তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ বিষয়ে শিশুদের সচেতন করে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শ্রেণিকক্ষের পাঠের পাশাপাশি মাঠভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ করে দেয়। এরূপ উদ্যোগ পরিবেশবান্ধব ও দায়িত্বশীল নাগরিক গড়ে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক এক্সপোরার ও প্রকল্পের লিডার রেজভীন আক্তার বলেন, সিংড়া জাতীয় উদ্যান ও শালবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। শিশুদের প্রকৃতির সঙ্গে সরাসরি পরিচিত করার মাধ্যমে তাদের মধ্যে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তৈরি করা সম্ভব। গত কয়েক মাসে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ে আগ্রহ ও সচেতনতার ইতিবাচক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের জন্য আশাব্যঞ্জক।
সিংড়া আদিবাসী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দিজেন্দ্র নাথ দাস বলেন, শিক্ষার্থীরা বইয়ের বাইরে বাস্তব পরিবেশ থেকে শেখার সুযোগ পেয়ে অত্যন্ত উৎসাহিত। বিশেষ করে স্থানীয় বন, উদ্ভিদ ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে তাদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ধরনের কার্যক্রম শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা বিকাশেও সহায়ক। ১৮ মাস মেয়াদি প্রকল্পটির যাত্রা শুরু হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে। তবে বিদ্যালয়ভিত্তিক পরিবেশ শিক্ষা ও সচেতনতামূলক মূল কার্যক্রম শুরু হয় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে। প্রকল্পটির লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রকৃতি, জীববৈচিত্র্য, বন্যপ্রাণী ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে জ্ঞান বৃদ্ধি, প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণীর প্রতি ইতিবাচক মনোভাব গড়ে তোলা এবং সংরক্ষণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে উৎসাহিত করা। প্রকল্পটি স্থানীয় বাঙালি ও আদিবাসী সাঁওতাল সমপ্রদায়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করছে। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৯৬টিরও বেশি শ্রেণিভিত্তিক শিক্ষা সেশন এবং ১২টিরও বেশি ফিল্ড ট্রিপ পরিচালিত হয়েছে। এসব কার্যক্রমে শিক্ষার্থীরা ইন্টারক্টেভি শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করছে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক সেশনগুলোতে বিষয়ভিত্তিক পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনা, অনুশীলনী, কুইজ ও শিক্ষামূলক গেম পরিচালনা করা হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রামাণ্যচিত্র ও শিক্ষামূলক ভিডিও প্রদর্শনের মাধ্যমে পরিবেশ শিক্ষা আরও আকর্ষণীয় করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। পূর্ববর্তী ফিল্ড ট্রিপগুলোতে শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদ সম্পর্কে জেনেছে এবং উদ্ভিদ, প্রাণী ও মানুষের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভ করেছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় শিশুদের সম্পৃক্ত করে তোলার মাধ্যমে একটি সচেতন ও দায়িত্বশীল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলা সম্ভব।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এই আসামি আদালতের দুইটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত ছিলেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় কবাখালী ইউনিয়নের মুসলিমপাড়া এলাকায় পুলিশ অভিযান চালায় এবং তাকে আটক করে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীঘিনালা থানার এএসআই (নিঃ) মো. সোহেল রানা নেতৃত্বে একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় জিআর-৫৮/২৫ ও জিআর-২৮/২৫ মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি মো. ফজর আলী (২০)-কে তার নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়।
ফজর আলী কবাখালী ইউনিয়নের মুসলিমপাড়া এলাকার বাসিন্দা এবং মনু মিয়ার ছেলে। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জারি হওয়া গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করার লক্ষ্যে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আসছিল।
দীঘিনালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার চৌধুরী বলেন, আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নে পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় এই এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে। কোনো পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হাওরের টেকসই উন্নয়ন, সুশাসন নিশ্চিতকরণ এবং পৃথক হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠনের দাবিতে রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে একটি সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মকর্তারা শহরের যখন ২৫ জুন বৃহস্পতিবার সকালে ১১টায় সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিকের সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির উদ্যোগে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে, তখন প্রধান অতিথির বক্তব্যে সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, “হাওরের উন্নয়নের সঙ্গে আমাদের জাতির স্বার্থ অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। হাওরের মূল সমস্যা হচ্ছে সুশাসনের অভাব। দুর্নীতি ও সমন্বয়হীনতা দূর করে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা গেলে হাওরের অধিকাংশ সমস্যার সমাধান সম্ভব।”
তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের একার পক্ষে সবকিছু করা সম্ভব নয়। নাগরিকদেরও সচেতন এবং সোচ্চার হতে হবে। হাওরের উন্নয়নে বরাদ্দকৃত অর্থ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে ব্যয় করা হলে এর সুফল বহুগুণে বৃদ্ধি পাবে। ড. বদিউল আলম মজুমদার আর বলেন, সুনামগঞ্জের ১৯৩টি হাওরে চলতি মৌসুমে প্রায় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১১ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে এবং প্রায় ১৩ লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদিত হয়েছে। দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাওরাঞ্চলের গুরুত্ব অপরিসীম। হাওর বিষয়ক পৃথক মন্ত্রণালয় গঠনের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এতে কিছু প্রশাসনিক খরচ বাড়লেও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি পাবে এবং হাওরের উন্নয়ন জাতীয় অগ্রাধিকারের বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সুজন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি নুরুল হক আফিন্দী। সঞ্চালনা করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সুজন সুনামগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলুল করিম সাঈদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সুজনের সহযোগী সমন্বয়কারী নেসার আমিন এবং জেলা কমিটির সহ-সম্পাদক কাজী নুরুল আজিজ চৌধুরী। নুরুল হক আফিন্দী সভাপতির বক্তব্যে জানান, দেশের অর্থনীতিতে হাওরাঞ্চলের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথাপি, এ অঞ্চলের মানুষ এখনও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। তিনি সরকারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান হাওরের বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানে। ফজলুল করিম সাঈদ মূল প্রবন্ধে বলেন, হাওরের ভূমিকা দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, দেশীয় মাছের প্রজনন, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ সংরক্ষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে প্রতিবছর আগাম বন্যা, পাহাড়ি ঢল, নদী-খাল ভরাট, অপরিকল্পিত অবকাঠামো নির্মাণ, জলমহাল ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে হাওর ক্রমেই ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে হাওর নিয়ে একাধিক মন্ত্রণালয় ও সংস্থা কাজ করায় সমন্বয়ের অভাব, জবাবদিহিতার দুর্বলতা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে। তাই একটি স্বতন্ত্র হাওর বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করে সমন্বিত পরিকল্পনা, গবেষণা, বাজেট ব্যবস্থাপনা ও প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি জানান তিনি। এ সময় বক্তারা হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি, বিজ্ঞানভিত্তিক পানি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলমহাল ব্যবস্থাপনার সংস্কার, প্রকৃত জেলেদের অধিকার নিশ্চিতকরণ, টাঙ্গুয়ার হাওর সংরক্ষণ, জলবায়ু সহনশীল কৃষি এবং হাওরাঞ্চলের স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। বক্তারা বলেন, হাওর শুধু একটি জলাভূমি নয়; এটি উত্তর-পূর্ব বাংলাদেশের মানুষের জীবন, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতির অন্যতম ভিত্তি। সুতরাং, হাওর রক্ষা করা মানে দেশের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করা।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুর পৌরসভায় টাউন লেভেল কো-অর্ডিনেশন কমিটি (টিএলসিসি)-এর উদ্যোগে ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভাটি পৌর প্রশাসক মোঃ মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয় এবং নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলামের সঞ্চালনায় এতে বক্তৃতা দেন থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সোহেল রানা, সহকারি প্রকৌশলী ববি মজুমদার, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি গোলাপ খান, সাধারন সম্পাদক আলাউদ্দিন আল রনি, শিক্ষা কর্মকর্তা এম জাকিরুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ফয়জ আহম্মদ, প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলমগীর কবির, পৌর বিএনপির সিনিয়র সভাপতি মাসুক মিয়া, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক লুৎফুর রহমান, জনি পাঠান, এমদাদুল হক সুজনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সভায় পৌর এলাকার উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
পাশাপাশি আগামী অর্থবছরের বাজেটে জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অনুষ্ঠানে পৌরসভার জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, গণমাধ্যমকর্মী এবং স্থানীয় নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। বক্তারা বলেন, একটি বাস্তবমুখী ও জনবান্ধব বাজেট প্রণয়নের জন্য জনগণের মতামত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই নাগরিকদের প্রত্যাশা ও প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেট প্রণয়ন করা হলে পৌরসভার সামগ্রিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সম্ভাব্য ভারতীয় পুশব্যাক কার্যক্রম মোকাবিলায় টহল ও নজরদারি জোরদার করেছে। সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বিজিবির সদস্যরা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করে চলেছেন এবং পুরো পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করছেন।
জানা গেছে, হবিগঞ্জ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্ণেল তানজিলুর রহমান উল্লেখ করেছেন যে, সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশ ও পুশব্যাকের আশঙ্কা বিবেচনায় নিয়ে ৫৫ ব্যাটালিয়নের অধীনে সকল বিওপির সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় অতিরিক্ত টহল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে, যাতে কোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা কামনা করেছে বিজিবি।
সীমান্তের বাসিন্দাদের সতর্ক অবস্থানে থাকার জন্য বলা হয়েছে। যদি কোনো অপরিচিত ব্যক্তি, সন্দেহজনক চলাচল কিংবা অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়, তবে দ্রুত নিকটস্থ বিজিবি ক্যাম্প অথবা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানাতে হবে। সীমান্তের নিরাপত্তা রক্ষা এবং দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রাখতে বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা থাকলে সীমান্ত এলাকায় যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা আরও সহজ হবে।
মাধবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যে সীমান্ত এলাকায় পুশব্যাক মোকাবেলা করতে সকল জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ জনসাধারণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারাও বিজিবির এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ