ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নভেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালুর সম্ভাবনা: বিদ্যুৎমন্ত্রী


নভেম্বরে রূপপুরের প্রথম ইউনিট চালুর সম্ভাবনা: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে রাজধানীর আফতাবনগরে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, তিনি এ বিষয়টি সম্পর্কে কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আগামী নভেম্বরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট চালু করা সম্ভব হবে। এ বিষয়ে লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য খুব বেশি সময় হাতে নেই, তাই সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে।

আরও পড়ুন: নিকাহ রেজিস্ট্রারদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা সংবাদ সম্মেলনে

তিনি বলেন, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে আগের সরকার বড় ধরনের আর্থিক বোঝা রেখে গেছে। তবে নতুন সরকার চাইলেও তাৎক্ষণিকভাবে সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে না। বিষয়গুলো আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত রয়েছে। আইন মন্ত্রণালয় এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। রাতারাতি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব নয়। বিদ্যমান চুক্তিগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ আরও বলেন, স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে উৎপাদন ও সঞ্চালনের সাথে সঙ্গতি রেখে বিতরণ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা হয়নি। এই কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সঞ্চালন সক্ষমতা সঠিক থাকলেও সরবরাহ ব্যবস্থায় ঘাটতি রয়েই গেছে। ফ্যাসিস্ট সরকার বিদ্যুৎ খাতে ব্যাপক সম্প্রসারণ করেছিল এবং প্রতিটি ঘরের কাছে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ ছিল। কিন্তু কার্যকর সমন্বয়ের বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

অপরিকল্পিতভাবে বিতরণ লাইন স্থাপনের কারণে উৎপাদন ও সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকলেও অনেক এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎহীন থাকতে হচ্ছে। এর মূল কারণ বিতরণ লাইনের সমস্যা। এই সমস্যাগুলোর সমাধানে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা ও জার্মানির গোল কত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:১৭ পি.এম


বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি গোল ব্রাজিলের, আর্জেন্টিনা ও জার্মানির গোল কত

ফুটবল বিশ্বকাপের সবচেয়ে সফল দল কোনটি? উত্তরটি কে না জানেন! সর্বোচ্চ ৫টি শিরোপা জিতে সফল দলের তকমাটি ব্রাজিলের গায়ে। ব্রাজিল একমাত্র দলে হিসেবে বিশ্বকাপের সবগুলো আসরে খেলেছে, বৈশ্বিক আসরের টিকিটের জন্য তাদের কখনওই প্লে অফ পর্বের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়নি।

এই ব্রাজিল বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি গোলও করেছে। ১৯৩০ সাল থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ২২ আসরে ১১৪ ম্যাচে তারা মোট ২৩৭ গোল করেছে। প্রশ্ন হলো, আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন ও ইংল্যান্ড কতটি গোল করেছে?

গোল করার হিসাবে ব্রাজিলের পরেই আছে ৪ বারের চ্যাম্পিয়ন জার্মানি। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২০ আসরে অংশগ্রহণ করে তারা ২৩২ গোল অর্জন করেছে। ক্রম অনুযায়ী এরপর আর্জেন্টিনার নাম আসে, তিনবারের চ্যাম্পিয়নদের গোল অবশ্য দুশোর নিচে—১৫২টি। একশর ওপরে থাকা দলগুলোর মধ্যে ফ্রান্স ১৩৬, ইতালি ১২৮, স্পেন ১০৮ ও ইংল্যান্ড ১০৪ গোল করেছে।

ব্রাজিল যেমন গোল করার ক্ষেত্রে শীর্ষে, তেমনি গোল ব্যবধানেও শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তাদের মতো ১২৯ গোল ব্যবধান আর কারো নেই, এমনকি জার্মানি বাদে একশর বেশি গোল ব্যবধান কেউ করতে পারেনি। ২৩২ গোল দেওয়ার বিপরীতে জার্মানি হজম করেছে ১৩০ গোল। আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স ও ইতালির গোল ব্যবধান ৫১ করে।

ম্যাচ জয়েও ব্রাজিল শীর্ষে রয়েছে। ১১৪ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৭৬টিতে, হার ১৯টি। জার্মানি ১১২ ম্যাচের মধ্যে জিতেছে ৬৮টিতে, হার ২৩টি। ৮৮ ম্যাচের ৪৭টিতে জেতার বিপরীতে আর্জেন্টিনা হেরেছে ২৪টিতে। বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২৮ ম্যাচে হার দিয়েছিল মেক্সিকোর পরেই আর্জেন্টিনার স্থান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাসানী হল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২০ পি.এম


ভাসানী হল রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব আমাদের: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী ভাসানী হলকে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। তিনি জানিয়েছেন, মিলনায়তনটি সংস্কার করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) সকালে টাঙ্গাইল শহরের জরাজীর্ণ ভাসানী হল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মওলানা ভাসানীর অবদানের কথা স্মরণ করে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ‘মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ভাসানী হল টাঙ্গাইলের জন্য অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী ও গুরুত্বপূর্ণ। টাঙ্গাইলের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে যারা বিচরণ করেন, তাদের জন্য বর্তমানে উপযুক্ত কোনো জায়গা নেই। কাজেই তার স্মৃতিবিজড়িত এই ভাসানী হলকে রক্ষণাবেক্ষণ করার দায়িত্ব আমাদের।’

মিলনায়তনটির বেহাল দশার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই হলটি উদ্বোধন করেছিলেন। টাঙ্গাইলকে একসময় সাংস্কৃতিক নগরী বলা হতো। সেই নগরীতে এভাবে একটি মিলনায়তন অযত্নে পড়ে থাকবে, তা হতে পারে না। ইতিমধ্যেই আমরা এটি সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। মডেল টাঙ্গাইল গড়ে তোলার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি; তাই যত দ্রুত সম্ভব এটি সংস্কারের পদক্ষেপ নেয়া হবে।’

পরিদর্শনকালে গণপূর্ত বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী খালেকুজ্জামান চৌধুরী, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠেছে মানবিকতার গল্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২২ পি.এম


খুলনা সিটি হাসপাতালে আগুন, উঠেছে মানবিকতার গল্প

খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। হাসপাতালের বেসমেন্টে থাকা জেনারেটর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে মুহূর্তের মধ্যে তা ছড়িয়ে পড়ে। সম্পূর্ণ হাসপাতালজুড়ে আমরা দেখতে পেয়েছি মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত, যদিও আতঙ্কের পাশাপাশি আগুন ও ঘন কালো ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত সাড়ে ৯টায় এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অল্প সময়ের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা ওপরের কয়েকটি ফ্লোরে ছড়িয়ে পড়ে। ঘন কালো ধোঁয়া আগুনের চেয়ে বেশি আতঙ্ক তৈরি করে।

ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে রোগীদের পাশাপাশি স্বজন ও কর্মরতদেরও সঙ্গিন অবস্থা হয়। জীবন বাঁচাতে তারা নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটতে থাকেন। তবে এই চরম সংকটের রাতে খুলনাবাসী নানা মানবিক ঘটনার সাক্ষী হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে উঠে এসেছে সেই হৃদয়স্পর্শী গল্প।

নাজনীন ঊর্মি নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘গতকাল রাতটি আমাদের জীবনের সবচেয়ে আনন্দের হতে পারত, কিন্তু সে আনন্দ এক নিমিষেই চরম বিষাদে আর আতঙ্কে রূপ নেয়। আমার ছোট বোন তখন ওটিতে, মাত্রই এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছে। ঠিক তখনই খবর এলো সিটি মেডিকেল হাসপাতালে আগুন লেগেছে। চারদিক তখন শুধু কালো ধোঁয়া, মানুষের ছোটাছুটি আর বাঁচার আকুল চিৎকার। বিদ্যুৎ চলে গেল, ওটির ভেতরে তখনও আমার বোনের সিজারিয়ানের সেলাই বাকি। এমন এক মৃত্যুভয়ের মুহূর্তেও ডাক্তাররা দেবদূতের মতো অনড় রইলেন। তারা নিজেদের জীবনের মায়া ত্যাগ করে, মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে অত্যন্ত ঠাণ্ডা মাথায় আমার বোনের সেলাই শেষ করলেন। ডাক্তারদের এই ঋণ কোনোদিন শোধ করার নয়।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘অন্যপাশে তখন আর এক মানবিক ও ভালোবাসার মহাকাব্য লিখছিলেন আমার বোনজামাই। সবাই যখন নিজের জীবন বাঁচাতে ব্যস্ত, তিনি তখন সদ্যজাত ছোট্ট কলিজার টুকরোটাকে বুকে চেপে ওটির বাইরে ঠায় দাঁড়িয়ে রইলেন। আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ছে জেনেও, নিজের জীবনের পরোয়া না করে প্রিয় মানুষটির কাছ থেকে এক বিন্দু সরেননি। স্ত্রীকে ও সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন পরম মমতায়। একেই বোধহয় বলে সত্যিকারের ভালোবাসা, একেই বলে প্রকৃত জীবনসঙ্গী। মৃত্যুর দুয়ার থেকে এক নতুন জীবনের স্পন্দন নিয়ে ফিরে এসেছে ওরা। আমাদের পরিবারের এক অলৌকিক আলো, আমাদের অগ্নি কন্যা।’

সংবাদকর্মী এম এ সাদি নিজের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে লিখেছেন, ‘আগুনের চেয়ে ধোঁয়া বেশি হওয়ায় বাইরের চিত্র ধারণ করে হাসপাতালের মেইন গেট দিয়ে আমি প্রথম তলা থেকে ১৫ তলার ছাদ পর্যন্ত যাই সংবাদ সংগ্রহের জন্য। গুরুত্বপূর্ণ ওয়ার্ডগুলোর সামনে ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও হাসপাতালের কর্মচারীদের দেখতে পাই। এরই মধ্যে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা রোগী উদ্ধারে হাসপাতালের নানা ফ্লোরে ছোটাছুটি করতে থাকে।’

তিনি আরও জানান, কেবিনের এক ওয়ার্ড বয় রোগী ও স্বজনদের মনোবল দিতে বলছিলেন, ‘আমি মরে গেলেও আপনাদের বিপদে ফেলে যাবো না। ধোঁয়া কমলেই আপনাদের নিচে নিয়ে যাবো।’ সেই ওয়ার্ড বয় সত্যিই তাদের ছেড়ে যাননি। এছাড়া খুলনার অধিকাংশ অ্যাম্বুলেন্স চালক বিনামূল্যে অসংখ্য রোগীকে বিভিন্ন হাসপাতালে পৌঁছে দিয়েছেন।

এদিকে বেসরকারি গাজী মেডিকেল কর্তৃপক্ষ রাতেই সিটি মেডিকেল থেকে স্থানান্তরিত রোগীদের চিকিৎসা ফ্রি ঘোষণা করে। তুহিন ও মইন নামের দুজন স্বেচ্ছাসেবী বলেছেন, ‘একশ বা দুইশো টাকার জন্য যে অ্যাম্বুলেন্স চালকরা রোগীদের জিম্মি করে রাখে, তারা যেভাবে মানবসেবার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, তা আসলে সত্যিই আমাদের কাজের অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।’

সুমন রায় নামের এক ব্যক্তি ফেসবুকে লিখেছেন, খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজে যখন আগুন লেগে চারপাশ ধোঁয়ায় অন্ধকার, তখন আইসিইউর দায়িত্বে থাকা এক ডাক্তারের খোঁজ নিতে ফোন করেছিলেন তিনি। ফোনের ওপাশ থেকে ভেসে এলো হাঁসফাঁস করা এক ভীষণ ব্যস্ত কণ্ঠ, ‘চারপাশে প্রচণ্ড ধোঁয়া, নিঃশ্বাস নেয়া কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবুও একটা রোগীও ইভাকুয়েট (নিরাপদে সরানো) করার আগে আমরা এখান থেকে নামছি না। আর মাত্র ৩টা রোগী বাকি আছে, ওদের সরিয়েই আমরা নামার চেষ্টা করব।’

ফায়ার সার্ভিসের ১২টি ইউনিট প্রায় আড়াই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তাদের সঙ্গে যোগ দেন বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্থানীয় জনতা, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অধিকাংশ রোগীকে নিরাপদে বের করে আনা সম্ভব হয়। গুরুতর ও ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের দ্রুত অ্যাম্বুলেন্সে করে নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক হতে পারে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০২:২৫ পি.এম


বাংলা-ইংরেজির পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক হতে পারে

বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি তৃতীয় ভাষা শেখা বাধ্যতামূলক করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা এই তৃতীয় ভাষা হিসেবে জাপানি, কোরিয়ান, ম্যান্ডারিন, আরবি, ফ্রেঞ্চ বা জার্মানের মতো যেকোনো একটি ভাষা বেছে নিতে পারবে।

এই পরিকল্পনার কথা বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট পেশকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য শিক্ষাক্রমকে আধুনিক ও দক্ষতাভিত্তিক করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত এই পরিকল্পনার অধীনে, ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ধাপে ধাপে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য একটি আনন্দময় শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ ধারণাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

নতুন কাঠামোর অংশ হিসেবে, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি চালু করার পাশাপাশি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে ওয়াই-ফাই সুবিধা প্রদান করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সহায়তায় বিভিন্ন আর্থিক ও সামাজিক সুবিধার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। তৃতীয় ভাষা জানা শিক্ষার্থীরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত সহজ শর্তে ঋণ নিতে পারবে। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম, জুতা ও ব্যাগ বিনামূল্যে দেওয়া হবে।

এছাড়া প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষ প্রযুক্তি ও শিক্ষাসামগ্রী নিশ্চিত করা হবে। নারীদের শিক্ষার ক্ষেত্রে স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষার কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানানো হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য সারা দেশে ‘মিড-ডে মিল’ কর্মসূচি সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

সরকার আশা করছে, এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের দক্ষতা অনুযায়ী ভবিষ্যতে কারিগরি, প্রযুক্তি, কৃষি বা গবেষণার ক্ষেত্রে দেশ এবং বিদেশে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%