০১:৩৮ পি.এম
ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে নয়াদিল্লির মানমন্দির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ পালন করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)।
শনিবার (৬ জুন) দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ যুক্তরাষ্ট্র থেকে দিল্লিতে পৌছানোর পর পুলিশ বিক্ষোভের আয়োজনের অনুমতি দেয়।
এর আগে দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর দীপকে ঘিরে ধরেছিল ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকের ১০-১৫ জন পুলিশ কর্মকর্তা। পরে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিলে তিনি বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে পৌঁছান।
আরও পড়ুন: শাহজাদপুরে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নিট-ইউজি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সাম্প্রতিক বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করে এ বিক্ষোভ ডাকা হয়। বিক্ষোভ সমাবেশে অভিজিৎ দীপ বলেন, “কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান চলে যেতে হবে।”
এদিকে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং পরিস্থিতি সামলাতে দিল্লি পুলিশ নয়াদিল্লিতে প্রায় ২ হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর বাসভবন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের বাসভবনের বাইরে নিরাপত্তা কঠোরভাবে বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর আগে সিজেপির ডাকা বিক্ষোভ ঠেকাতে আগাম প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে ‘জনস্বার্থে মামলা’ দায়ের করা হয়েছিল। জরুরি ভিত্তিতে ওই মামলার শুনানি করতে শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্ট অস্বীকার করে।
গত বুধবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে প্রথমবারের মতো সংবাদ সম্মেলন করে ককরোচ জনতা পার্টি। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এনইইটি, সিবিএসই ও অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ফলাফলের ত্রুটির মতো নানা বিতর্কের কারণে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানান।
আরও পড়ুন: সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীণ মানুষের জীবন প্রতিমন্ত্রী টুকু
সাধারণ দাবি আদায়ে তারা শনিবার (৬ জুন) রাজপথে প্রতিবাদ কর্মসূচির ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) অভিযোগ করে যে, এনইইটি, এসএসসি, সিবিএসইসহ বিভিন্ন পরীক্ষায় বড় ধরনের অনিয়ম হয়েছে। এর ফলে লাখ লাখ শিক্ষার্থী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এসব ব্যর্থতার জন্য সরকার ও শিক্ষামন্ত্রীকে জবাবদিহি করতে হবে।
সম্প্রতি ককরোচ জনতা পার্টির কার্যক্রম একটি ব্যঙ্গাত্মক সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারণা থেকে শুরু হয়। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত কিছু যুবকদের ‘ককরোচ’ ও ‘পরজীবী’ বলায় তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। অভিজিৎ দীপ ককরোচ জনতা পার্টি-সিজেপি নামে নতুন দলের গঠন ঘোষণা করেন।
এরপর এটা একটা বৃহৎ যুব আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। যদিও এটি এখনও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল নয়, কিন্তু ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে এর ফলোয়ারের সংখ্যা ইতিমধ্যে ২ কোটি ২০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। যা ক্ষমতাসীন দল বিজেপির প্রায় দ্বিগুণ।
আরও পড়ুন: নাশকতা ও দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র রুখতে একসঙ্গে কাজ করতে হবে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন