০২:৩৯ এম
ময়মনসিংহে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৈকত হাসান আকাশের হত্যা মামলায় আদালত দুই ভাইকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অপর দুই আসামিকে সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড, ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (ভারপ্রাপ্ত) মো. সামছুদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ভূগলী নয়াপাড়া গ্রামের এনামুল হক এবং তাঁর ভাই নাজমুল হক (২৬)। একই গ্রামের জিয়াউল হক (৫৭) ও তাঁর ভাই জুলহাস উদ্দিনকে (৩৭) সাত বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
আরও পড়ুন: যুগে যুগে এমপি-মন্ত্রী আসবেন, একজন নজরুলের জন্ম হবে না: জহির উদ্দিন স্বপন
ময়মনসিংহ আদালতের পরিদর্শক মোস্তাছিনুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, রায় ঘোষণার সময় নাজমুল হক, জিয়াউল হক ও জুলহাস উদ্দিন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এনামুল হক পলাতক রয়েছেন।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৯ মে রাতে একটি মেয়ের মাধ্যমে সৈকত হাসান আকাশকে ডেকে নেয়া হয়। তারপর তাঁর গলা কেটে হত্যা করে মরদেহ মাটিচাপা দেওয়া হয়। দুই দিন পর, ২১ মে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।
তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, আকাশের সঙ্গে স্থানীয় ইউপি সদস্য জিয়াউল হকের মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে মেয়েটির পরিবার ওই সম্পর্ক মেনে নেয়নি। এর পরিণতি হিসেবে পরিকল্পিতভাবে আকাশকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ মাটিতে পুঁতে রাখা হয়।
ঘটনার পরদিন আকাশের বাবা মো. আকরাম হোসেন বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ১৪ জানুয়ারি পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তঃকলেজ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ ময়মনসিংহে শুরু
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) মো. আবু হানিফ খান। আসামিপক্ষে আইনজীবী ছিলেন মো. রফিকুল ইসলাম খান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন