বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
১২:১১ পি.এম
ময়মনসিংহের তারাকান্দা এলাকায় কাভার্ড ভ্যানের চাপায় দুই শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি উপজেলার লালদীঘি এলাকায় ঘটে।
নিহত দুই শিশুর মধ্যে ৮ বছর বয়সী আরবিয়া এবং ৬ বছর বয়সী রাবেয়া রয়েছে। তারা দুইজন সহোদর বোন।
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাশিদ জানান, সকালে গৃহপরিচারিকা ফাতেমা আক্তার কাজের জন্য বাড়ি থেকে বের হন। এই সময় মায়ের পেছনে পেছনে ময়মনসিংহ-শেরপুর সড়কের পাশ দিয়ে চলছিল দুই শিশু।
হঠাৎ একটি শেরপুরগামী কাভার্ড ভ্যান তাদের চাপা দেয়, ফলে ঘটনাস্থলেই দুই বোনের মৃত্যু ঘটে। ওসি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর কাভার্ড ভ্যানটি শনাক্ত করা হয়েছে এবং চালককে আটকের জন্য চেষ্টা চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। এই যোগাযোগের মূল উদ্দেশ্য হলো শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করা। এর ফলে ইসলামিক প্রজাতন্ত্রটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কোনো হামলা ঠেকানোর সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভ্যান্স ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের প্রধান মোহসেন রেজাইকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে এই পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভ্যান্সের পাঠানো চিঠির উদ্দেশ্য হলো তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে নতুন কোনো সমঝোতার সম্ভাবনা যাচাই করা, যা নতুন হামলা ঠেকাতে সহায়ক হতে পারে।
চিঠিতে ভবিষ্যতে আলোচনা শুরুর জন্য একটি সম্ভাব্য কাঠামো তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত সপ্তাহে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে চিঠিটি পাঠানো হয় এবং রোববার তা পৌঁছে দেওয়া হয়।
ভ্যান্স চিঠিতে সরাসরি আলোচনার আহ্বান জানিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেওয়ার প্রস্তাব দেন। আলোচনার শুরু থেকেই ইরানের পরমাণু কর্মসূচিকে আলোচ্যসূচিতে রাখার কথা তিনি উল্লেখ করেন।
এক ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ইরান প্রস্তাবটি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রেজাই বৃহস্পতিবারের মধ্যে আনুষ্ঠানিক জবাব দিতে পারেন। দুই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহেই কাতার অথবা তুরস্কে আলোচনা শুরু হতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা
আরএ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে তুলসীগঙ্গা নদী থেকে ৮৫ কেজি ওজনের একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসম্বলিত কষ্টিপাথরের বিষ্ণুমূর্তির খণ্ডিত অংশ উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৮ অক্টোবর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে জয়পুরহাট ব্যাটালিয়ন (২০ বিজিবি) অধিনায়কের সরাসরি তত্ত্বাবধানে বিজিবি, পাঁচবিবি থানা পুলিশ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। যৌথ দলটি পাঁচবিবি উপজেলার ফিসকাঘাট বাজারসংলগ্ন তুলসীগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় তল্লাশি চালায়। রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে নদীর পানিতে তলিয়ে থাকা অবস্থায় কষ্টিপাথরের মূর্তির বৃহৎ খণ্ডিত অংশটি উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত মূর্তির খণ্ডিত অংশটি ডিজিটাল স্কেলে মেপে ৮৫ কেজি ওজন পাওয়া যায়। বিজিবির প্রাক্কলন অনুযায়ী, উদ্ধারকৃত মূর্তিটির আনুমানিক সিজার মূল্য ৮৫ লাখ টাকা।
এদিকে মূর্তিটির প্রত্নতাত্ত্বিক সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সনদ সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জয়পুরহাটের পাঁচবিবি থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বরিশাল নগরীতে মাদক ব্যবসা, কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অপরাধমূলক তৎপরতা নিয়ন্ত্রণে আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করেছে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। বুধবার (২৮ অক্টোবর) নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডিবির বিশেষ আভিযানিক দল এ অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশের এ অভিযানের মূল লক্ষ্য মাদক ব্যবসায়ী, কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য, সন্ত্রাসী ও সন্দেহভাজন অপরাধীদের তৎপরতা নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা। অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি জোরদার এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে এ ধরনের আকস্মিক অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিএমপি মিডিয়া সেলের পাঠানো তথ্য অনুযায়ী, নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় ডিবির বিশেষ আভিযানিক দল চেকপোস্ট স্থাপন ও সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে। মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।
নগরীতে মাদকদ্রব্যের বিস্তার, কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড এবং সন্ত্রাসী তৎপরতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। এসব অপরাধ প্রতিরোধে অপরাধপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করে নজরদারি বৃদ্ধি, সন্দেহজনক তৎপরতা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
বিএমপি ডিবির আকস্মিক চেকপোস্ট ও সাঁড়াশি অভিযানকে নগরীর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ ধরনের অভিযানের মাধ্যমে সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড শনাক্ত করা এবং অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা জোরদার করা সম্ভব।
বিশেষ করে মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংয়ের অপরাধমূলক তৎপরতা প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত নজরদারির পাশাপাশি সমন্বিত অভিযান অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। নগরবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে বলে বিএমপি মিডিয়া সেলের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
বিএমপি মিডিয়া সেল জানিয়েছে, মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য নিরসনে বরিশাল মহানগর পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান চলমান রয়েছে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও নগরীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।
তবে ২৮ অক্টোবরের অভিযানে কতজনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কোনো মাদকদ্রব্য কিংবা অবৈধ সরঞ্জাম উদ্ধার হয়েছে কি না—সে বিষয়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে সুনির্দিষ্ট তথ্য জানানো হয়নি।
এ অভিযানে অংশ নেওয়া ইউনিটটি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (বিএমপি
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চলাচল সহজ ও নিরাপদ করতে বরিশালে তাঁদের মাঝে সাদাছড়ি বিতরণ করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) বরিশাল সার্কিট হাউসে এ সাদাছড়ি বিতরণ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্, বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. জুলফিকার আলী হায়দার এবং বরিশালের জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার।
এ ছাড়া অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দৈনন্দিন চলাচলে সাদাছড়ি গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক উপকরণ হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীদের চলার পথে বাধা শনাক্ত করতে এবং তুলনামূলক নিরাপদে চলাচল করতে সহায়তা করে। তাঁদের চলাচলের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাদাছড়ি বিতরণের মতো উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ।
বরিশাল সার্কিট হাউসে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ছিল। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়ক উপকরণ ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ