মোঃ শরীফ উদ্দিন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি
০১:৩৭ এম
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় কীটনাশক ট্যাবলেট সেবনের পর মো. লিল মিয়া (৭০) নামে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানসিক হতাশা ও একাকিত্বে ভুগছিলেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) ভোররাতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
নিহত লিল মিয়া নবীনগর উপজেলার পূর্ব ইউনিয়নের বগডহর গ্রামের ইমামবাড়ির বাসিন্দা এবং মৃত কিনু মিয়ার ছেলে। তার পরিবারে চার ছেলে ও তিন মেয়ে রয়েছে।
পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার (১২ জুলাই) রাত ৮টার দিকে তিনি চালের পোকা দমনে ব্যবহৃত একটি কীটনাশক ট্যাবলেট সেবন করেন। পরে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোররাত ৩টার দিকে তিনি মারা যান।
নিহতের ছোট ছেলে মো. মনিরুল ইসলাম জানান, প্রায় ১৬ বছর আগে তার মা শামসুন্নাহার ক্যান্সারে মারা যান। এরপর থেকেই তার বাবা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন এবং একাকিত্বে ভুগছিলেন। কয়েক মাস আগে তিনি স্ট্রোকে আক্রান্তও হয়েছিলেন। পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে নানা দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে কী কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা পরিবারের সদস্যদের জানা নেই।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, কীটনাশক সেবনের ঘটনায় এক বৃদ্ধের মৃত্যুর খবর পেয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইউরোপকে রাশিয়ার হামলা থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে ইউক্রেন সহ মোট ১০টি দেশ নতুন একটি জোট গঠন করেছে। গত সোমবার প্যারিসে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এ বিষয়ে ঘোষণা দেওয়া হয়। এই জোটটি ইউক্রেনের চার বছরের যুদ্ধের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে, বিশেষ করে রাশিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধের জন্য।
প্যারিসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর সঙ্গে আলোচনা করতে এসে ডেনমার্ক, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, স্পেন, সুইডেন ও যুক্তরাজ্যের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হলো পুরো ইউরোপের জন্য একটি যৌথ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করা।’ জানানো হয়েছে যে, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোনের তুলনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থামানো আরও কঠিন। এই ধরনের ক্রমবর্ধমান হুমকি মোকাবিলা করতেই এই জোটের গঠন। তবে কবে নাগাদ এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলা হয়নি। অন্যান্য দেশও চাইলে এই জোটে যোগ দিতে পারবে।
এদিকে, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যদি রাশিয়ায় হামলা করে, তাহলে তার কঠোর প্রতিক্রিয়া দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেছেন, ‘আমাদের পাল্টা হামলা হবে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী।’ শীতকাল আসন্ন, এবং এই সময় রাশিয়া সাধারণত ইউক্রেনের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহে হামলা বাড়িয়ে দেয়। তাই ইউক্রেন শীতের আগেই নিজেদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার চেষ্টা করছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে ‘প্যাট্রিয়ট’ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরির লাইসেন্স দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু এই ব্যবস্থা তৈরিতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।
ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই নতুন জোটকে ‘যুদ্ধবাজদের জোট’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি বলেছেন, তারা রাশিয়াকে পরাজিত করার মিথ্যা স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে দিনদুপরের সময়ে ডিজিটাল ডন নেট (ডিডিএন) নামে পরিচিত একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর এবং ৩৫ লাখ টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরে নগরীর চকবাজার থানাধীন চন্দনপুরা-বাকলিয়া অ্যাকসেস রোডে এই ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনার সঙ্গে অভিযোগের তির বিদেশে পালাতে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারী মোবারক হোসেন ওরফে ডেভিড ইমন সম্পর্কিত। সিএমপির চকবাজার থানার ওসি নুর হোসেন মামুন জানান, এ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক আদিল বিন মামুন বলেন, তিনি দুই দিন আগে ডেভিড ইমন নামের একজন সন্ত্রাসীর ফোন পেয়েছিলেন, যে এককালীন ২ কোটি টাকা এবং মাসিক ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দেওয়ার কারণে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুর হয়েছে। ঘটনাটি শেষ পর্যন্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনের ৩৫ লাখ টাকা লুটের দিকে গড়িয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। হামলার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ বাংলাদেশ প্রতিদিনের কাছে এসেছে। ফুটেজে দেখা যায়, সশস্ত্র ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল ডিডিএনের কার্যালয়ে প্রবেশ করে এবং কম্পিউটার, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোবাইল ফোন এবং বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করতে থাকে। তারা কুড়াল দিয়ে কম্পিউটার ও অন্যান্য সরঞ্জামে হামলা চালায় এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এ সময় ওই এলাকার মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
এর আগে গত ৯ মে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা না দিলে একজন সাংবাদিককে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গুলি করার হুমকি প্রদান করা হয়েছিল। মোবারক হোসেন ওরফে ইমন বিপ্লব দে পার্থ নামের ওই সাংবাদিককে এ হুমকি দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বিপ্লব দে পার্থের পক্ষ থেকে।
সোমবার যে প্রতিষ্ঠানে হামলা হয়েছে, সেই প্রতিষ্ঠানের পাশেই চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি পুলিশের পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের পরিচালক মুজিবুর রহমানের বাসায় গুলি চালানো হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর অনুসারীরা এ হামলা করেছে। এর আগে গত ২ জানুয়ারিও একই বাসায় গুলি করা হয়েছিল, যার ফলে বাসার জানালার কাচ ও দরজায় গুলি লাগে। ওই ঘটনার পর থেকে বাসাটি পুলিশের পাহারায় ছিল, কিন্তু এরপরও আবার গুলির ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে যায়।
মোবারক হোসেন ওরফে ইমন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকার জোড়া খুন এবং একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যা মামলাসহ মোট সাতটি মামলার আসামি।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মোবারক হোসেন অন্তত ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন, এমন তথ্য পুলিশের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তিনি দক্ষ এবং বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী ও মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও তাঁর ছিল বলে পুলিশের দাবি।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, বিদেশে পালাতে থাকা সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদের হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাঁদের একজন মোবারক হোসেন। এর আগে দেশের এই দলের নেতৃত্ব দিতেন সাজ্জাদ হোসেন ওরফে ছোট সাজ্জাদ, বর্তমানে যিনি কারাগারে রয়েছেন। মোবারক হোসেন ও মোহাম্মদ রায়হান দলের নেতৃত্বে রয়েছেন। রায়হানের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, অস্ত্র এবং হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।
পুলিশের দাবি, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার ও সহযোগী সক্রিয় রয়েছেন। মোহাম্মদ রায়হান ও মোবারক হোসেন নিয়মিতভাবে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি করে আসছেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও তাঁদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অধিগ্রহণের টাকা না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ ভূমি মালিকরা তালা দিয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জ গ্যাসফিল্ডের প্রধান ফটকে। সোমবার দুপুরে ভূমি মালিকরা তালা দেন।
জানা গেছে, গ্যাসক্ষেত্রটি আবিষ্কারের প্রায় ১০ বছর পার হতে চললেও এখনো অধিগ্রহণের টাকা পাননি ভূমি মালিকরা। স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সালের দিকে বাপেক্স জকিগঞ্জ পৌর এলাকার আনন্দপুর এলাকায় গ্যাসের সন্ধান পায়। পরে গ্যাসক্ষেত্রের জন্য ওই এলাকার প্রায় সোয়া ৫ একর (১৬ কেদার) ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়।
সেই সময়ে, ভূমির মূল্য পরিশোধ না করে গ্যাসক্ষেত্রের কার্যক্রম শুরু করলে মালিকরা বাধা দেন। পরবর্তীতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অধিগ্রহণকৃত ভূমির মূল্য পরিশোধ ও যোগ্যতা অনুযায়ী স্থানীয়দের চাকরি দেওয়ার আশ্বাসে খননকাজ শুরু হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন পরেও মূল্য পরিশোধ না করায় সোমবার মালিকরা গ্যাসক্ষেত্রের ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন।
এ সম্পর্কে জকিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ফারুক আহমদ বলেন, ২০১৭ সালে অধিগ্রহণের পর গ্যাসক্ষেত্রের কাজ শুরুর সময়ই ভূমির মালিকরা বাধা দেন। পরে জাতীয় স্বার্থের কথা চিন্তা করে এবং গ্যাসক্ষেত্রে স্থানীয়দের কর্মসংস্থানের শর্তে ভূমি মালিকদের বুঝিয়ে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হয়। কিন্তু এরপর থেকে ভূমির মালিকদের পাওনা টাকা পরিশোধ না করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা টালবাহানা শুরু হয়।
ভূমির মালিকপক্ষের প্রতিনিধি ও জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক ইকবাল আহমদ তাপাদার বলেন, অধিগ্রহণের দীর্ঘদিন পর ২০২৪ সালে ভূমির নামমাত্র মূল্য নির্ধারণ করে জেলা প্রশাসন। কিন্তু বাজারদর না পেলে আমরা আমাদের জায়গা ছাড়ব না। এর আগপর্যন্ত গ্যাসক্ষেত্রটি তালাবদ্ধ থাকবে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আমি আজকেই যোগদান করেছি। বিষয়টি খোঁজখবর নিচ্ছি। তবে এখন পর্যন্ত গ্যাসফিল্ড কর্তৃপক্ষ আমাকে এ বিষয়ে কিছু জানায়নি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ড মেনে নেয়া হবে না বলে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে ইরান। পারস্য উপসাগরের একটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পানির পথের নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের কঠোর প্রতিক্রিয়ায় এই কথা জানানো হয়েছে।
ইরানের সর্বোচ্চ সামরিক অপারেশনাল কমান্ড খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছে, কোনো অবস্থাতেই হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ধরনের হস্তক্ষেপকে বরদাস্ত করবে না তেহরান।
সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এই হুঁশিয়ারিটি উচ্চারণ করেছেন সংস্থাটির মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট-কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি। সম্প্রতি ফক্স নিউজের একটি অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করবে এবং এই জলপথের সুরক্ষায় নিজেদের ‘গার্ডিয়ান অ্যাঞ্জেল’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।
ট্রাম্পের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে ইরান কঠোর অবস্থান নিয়েছে। মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি অভিযোগ করেছেন, হরমুজ প্রণালিতে যুক্তরাষ্ট্রের বারংবার দুঃসাহসিক ও উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ড আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক তেল বাণিজ্যের স্বাভাবিক পথকে মারাত্মক ঝ risk এর মুখে ঠেলে দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে জানান, ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অনুমতি ছাড়া এবং নির্ধারিত রুটের বাইরে কোনো জাহাজের চলাচলের চেষ্টা করা হলে তেহরান কঠোরভাবে তার প্রতিক্রিয়া জানাবে।
আঞ্চলিক দেশগুলোর প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে জোলফাকারি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের এই আগ্রাসী কর্মকাণ্ডে যদি কোনো দেশ কারিগরি কিংবা অন্য কোন ধরনের সহযোগিতা প্রদান করে, তবে তা সরাসরি ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসাবে গণ্য হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কোনো কারণে অঞ্চলে যুদ্ধের বিস্তার ঘটলে তার ভয়াবহ আগুন প্রতিবেশী সব দেশকেই গ্রাস করবে এবং এর দায়ভার একান্তই ওয়াশিংটন ও তাদের সহযোগীদের নিতে হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ