১০:২১ এম
জাতীয় মৎস্য পক্ষ উপলক্ষে রবিবার (১৬ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কিশোরগঞ্জের কাটিয়াদীতে যাবেন। সেখানে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-২০২৬ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে কেন্দ্র করে কিশোরগঞ্জের উপজেলাগুলোতেও উৎসবের আমেজ তৈরি হয়েছে।
রবিবারের অনুষ্ঠানের জন্য কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউট স্কুল মাঠে বিশাল মঞ্চ এবং হলরুম প্রস্তুত করা হয়েছে। মাঠজুড়ে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।
আরও পড়ুন: কুমিল্লায় ওয়াকফের জমিতে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
প্রধানমন্ত্রী চারিপাড়া সরকারি হ্যাচারী ও একটি বেসরকারি হ্যাচারি পরিদর্শন করবেন।
কিশোরগঞ্জে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা বেড়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্যাস সংযোগ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পৌর নাগরিকসেবা বৃদ্ধি, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, নদ-নদী খনন, কৃষির উন্নয়নে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন এবং কলকারখানা তৈরি করার বিষয়ে স্থানীয়রা দাবী ও প্রত্যাশা তুলে ধরছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. জালাল উদ্দীন বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে কিশোরগঞ্জের মানুষ প্রস্তুত।
আরও পড়ুন: জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস আজ
এই সফর কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য হবে। আমি জনগণের দাবীগুলো প্রধানমন্ত্রী সামনে তুলে ধরব। জাতীয় পর্যায়ের অনুষ্ঠান উপজেলা পর্যায়ে নিয়ে আসা বর্তমান সরকারের একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধি পাবে। বিএনপি সরকার জনগণের সরকার। প্রধানমন্ত্রীর এই আগমন আমাদের এলাকার জন্য সৌভাগ্যের বিষয়।’
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী শরীফুল আলম বলেন, ‘বর্তমানে সড়কটির অবস্থান অত্যন্ত নাজুক ও ভঙ্গুর। তাই আমরা এটিকে চার লেনে উন্নীত করার দাবি জানাচ্ছি এবং বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। সড়কের পাশাপাশি রেল যোগাযোগ নিয়েও দীর্ঘদিন ধরে মানুষের প্রত্যাশা রয়েছে। কিশোরগঞ্জ-ভৈরব রেলপথকে ডাবল লাইনে উন্নীত করার পাশাপাশি রাজধানীর সঙ্গে আরও দ্রুতগামী ও আধুনিক ট্রেন চালুর দাবি উঠেছে।’
মন্ত্রী আরও জানান, রেলপথের ডাবল লাইনে উন্নীতকরণ এবং নতুন ট্রেন চালুর পরিকল্পনা চলছে। একইসঙ্গে কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নের বিষয়েও জেলার মানুষের প্রত্যাশা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষা খাতে নতুন সুযোগ সৃষ্টি হলে, জেলার শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার জন্য অন্য জেলায় যাওয়ার প্রবণতা কমে যাবে বলেও মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: মাইশার মৃত্যুর পর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ, বিশেষজ্ঞ দল আসছে
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন