ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বৃহস্পতিবার, ০৫ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২০ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

চেয়ার বাঁচাতে ট্রাম্পের সহায়তা চাইছেন ইনফান্তিনো, ফোন ধরছেন না ট্রাম্প


চেয়ার বাঁচাতে ট্রাম্পের সহায়তা চাইছেন ইনফান্তিনো, ফোন ধরছেন না ট্রাম্প

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো চতুর্থ মেয়াদে দায়িত্ব ধরে রাখতে ক্রমাগত চাপে পড়ছেন। এই পরিস্থিতিতে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তা চাওয়ার চেষ্টা করছেন, এমনটাই দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম দৈনিক নিউইয়র্ক পোস্ট।

প্রতিবেদন অনুসারে, তিনি ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও এ পর্যন্ত সাফল্য অর্জন করতে পারেননি। এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফিফা সভাপতির ফোনও ধরছেন না, এ তথ্য সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে।

তবে বিকল্প উদ্যোগ হিসেবে ইনফান্তিনো যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে আলোচনার চেষ্টা করছেন। নিউইয়র্ক পোস্ট জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বাঞ্চলীয় সময় মঙ্গলবার সকালে ৯টার পরে রুবিওর সঙ্গে টেলিফোনে যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল।

আরও পড়ুন: ‘ইউ ক্যান ডু ইট’ বলেছেন প্রধানমন্ত্রী, ১৬ লাখ শিশু-কিশোরের নিবন্ধন

তবে এই বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডিলান জনসন তথ্য অস্বীকার করেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে তিনি একটি পোস্টে বলেন, ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলার কোনো পরিকল্পনা নেই রুবিওর। সূত্রের তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত ছিল, অথবা তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতেন।

সম্প্রতি ইনফান্তিনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির একটি উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ পরিকল্পনার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর ইউরোপের ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা উয়েফা, এএফসি এবং কনক্যাকাফ এর বিরুদ্ধে তীব্র বিরোধিতা করে।

বিশেষ করে উয়েফা হুঁশিয়ারি দেয় যে, বিশ্বকাপের স্বত্ব বিক্রির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হলে তারা প্রতিযোগিতা বয়কটের পথও বেছে নিতে পারে। চারদিকের সমালোচনার মুখে শেষ পর্যন্ত ফিফা সেই পরিকল্পনা থেকে সরে আসে।

কিন্তু সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করলেও ইনফান্তিনোর প্রতি সদস্য দেশগুলোর আস্থা ফিরে পাচ্ছেন না তিনি। বিভিন্ন ফুটবল ফেডারেশন তার প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইতোমধ্যে ওয়েলস আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে যে, তারা আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা কংগ্রেসে ইনফান্তিনোকে সমর্থন করবে না। ইংল্যান্ডও একই ধরনের অবস্থানের ইঙ্গিত দিয়েছে।

আরও পড়ুন: সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের সংস্কার ও আধুনিকায়নের ঘোষণা বিসিবি পরিচালকের

এই অবস্থায়, ইনফান্তিনোর চতুর্থ মেয়াদে পুনর্নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা কমে এসেছে বলে মনে করা হচ্ছে। সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে আলেক্সান্ডার সেফেরিন এবং ফরাসি ক্লাব পিএসজির সভাপতি নাসের-আল খেলাইফির নাম আলোচনায় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌদি-ইউএই-কাতারের ফোনে ইরানে হামলা স্থগিত: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৬ এম


সৌদি-ইউএই-কাতারের ফোনে ইরানে হামলা স্থগিত: ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে চুক্তিতে পৌছানোর জন্য ইরানকে একটি 'শেষ সুযোগ' দেওয়া হয়েছে। সোমবার (স্থানীয় সময়) তিনি আরও দাবি করেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), কাতার এবং ইরানের অনুরোধ পাওয়ার পর ওয়াশিংটন পরিকল্পিত সামরিক হামলা স্থগিত করেছে।

কারণ তারা কূটনৈতিক পথে এগোতে চেয়েছিল, সামরিক পদক্ষেপের বদলে।

হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে 'প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন' গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করার পর, ট্রাম্প সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, কূটনৈতিক যোগাযোগ শুরু হওয়ার আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরণের সামরিক অভিযান চালানোর জন্য প্রস্তুত ছিল। আলোচনা ইরানের অনুরোধে হচ্ছে বলে দাবি করেন ট্রাম্প।

তিনি উল্লেখ করেন, 'আমরা এখন কথা বলছি। আমরা কথা বলছি। এবং এই আলোচনা হচ্ছে ইরানের অনুরোধে। সৌদি আরব এর পক্ষে আছে। ইউএই এর পক্ষে আছে। বিশেষ করে কাতার এর পক্ষে আছে। আরো অনেক দেশও সমর্থন দিচ্ছে। বহু দেশ ফোন করেছে। তারা সবাই চেয়েছে, শেষ একটি সুযোগ দেওয়া হোক।'

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আরো দাবি করেন যে, 'আলোচনা চলছে' — এমন কথা ইরান আগে অস্বীকার করেছিল। তবে, মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের দীর্ঘ বৈঠক হয়েছে।

তিনি বলেন, 'এটি অবিশ্বাস্য। আমাদের অনেক আলোচনা হয়েছে। তারা কখনও কখনও তা অস্বীকার করে। অথচ তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একসঙ্গে বসে কথা বলেছে। তবে আলোচনা এগিয়ে যাচ্ছে।' ট্রাম্প আরো দাবি করেন, কূটনৈতিক উদ্যোগের আগে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে বড় পরিসরের হামলা চালানোর প্রস্তুতি নিয়েছিল। তিনি বলেন, 'গতকাল আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর হামলা চালাতে যাচ্ছিলাম। খুবই কঠোর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেকোনো হামলার চেয়ে কঠোর। আমরা পুরোপুরি প্রস্তুত ছিলাম। তখন তারা ফোন করল। সৌদি আরব ফোন করল। ইউএই ফোন করল। কাতার ফোন করল। আরো অনেকের কাছ থেকে আমি ফোন পেয়েছি।' তিনি আরো বলেন, 'আমি 'অনুরোধ' শব্দটি ব্যবহার করতে চাই না। কিন্তু কেউ কেউ বিশেষভাবে তা করেছে। ইরান হামলার শিকার হতে চায়নি। তারা বলেছে, আমরা কথা বলতে চাই। আমার দৃষ্টিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমরা ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাই। কারণ পুরো বিষয়টি সেটিকেই ঘিরে।'

ট্রাম্প জানান যে, ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র না পায়, সেটিই ওয়াশিংটনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, আগের মার্কিন প্রশাসন ও অন্য দেশগুলো কয়েক দশকেও এই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। তিনি বলেন, 'এটি অনেক আগেই করা উচিত ছিল। ৫০ বছর ধরে কেউ এটি করতে পারেনি। আর এখন সময় হয়ে গেছে।' ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে আগের মার্কিন সামরিক অভিযানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, সেসব অভিযানে তেহরানের পারমাণবিক সক্ষমতা বড়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, 'এক বছরেরও বেশি আগে আমরা বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছিলাম। এতে তাদের সক্ষমতা ধ্বংস হয়ে গেছে। আমরা খুব ভালো কাজ করেছি।'

এর আগে সোমবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের সমালোচনা আরো জোরালো করেন ট্রাম্প। তিনি অভিযোগ করেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা চাইতে চাইতে প্রকাশ্যে আবার সেই আলোচনা অস্বীকার করে ইরানের নেতৃবৃন্দ 'অবিশ্বাস্যভাবে দ্বিমুখী আচরণ' করছে। তিনি আবারও বলেন, 'ইরান কখনও পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না।' একই সঙ্গে দাবি করেন, কোনো চুক্তি বা 'সম্পূর্ণ আত্মসমর্পণ' না হওয়া পর্যন্ত হরমুজ প্রণালিতে যাতায়াতের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের পুরো নিয়ন্ত্রণ থাকবে। ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাইয়ের বক্তব্যের পর। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি বা পরোক্ষ আলোচনার খবর নাকচ করেন। তিনি বলেন, তেহরান ও ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় নেই। বাঘাই আরো জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নতুন সমুদ্রপথে জাহাজ চলাচল নিয়ে ইরান ও ওমানের যে সমঝোতা হয়েছে, সেটি শুধুমাত্র জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি কারিগরি ব্যবস্থা। এর অর্থ এই নয় যে কৌশলগত এই জলপথ আবার খুলে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, প্রথমবারের মতো প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করার সময় ট্রাম্প বলেন, এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো সামরিক সদস্যদের পরিবারকে আরো শক্তিশালীভাবে সহায়তা করা। তিনি বলেন, 'আমাদের অসাধারণ সামরিক পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে আমরা আজ একটি বড় নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছি। এখানে উপস্থিত থাকার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ। আজ আমি প্রথমবারের মতো প্রেসিডেনশিয়াল মিলিটারি স্পাউস কমিশন গঠনের নির্বাহী আদেশে সই করছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শূর্পনখার চরিত্র বেছে নেওয়ার কারণ জানালেন রাকুল প্রীত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:২৯ এম


শূর্পনখার চরিত্র বেছে নেওয়ার কারণ জানালেন রাকুল প্রীত

মহাকাব্যিক সিনেমা ‘রামায়ণ’-এর প্রথম ট্রেলার প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং। ট্রেলারে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য দেখা গেলেও রাবণের বোন ‘শূর্পনখা’র ভূমিকায় তার ক্ষুরধার উপস্থিতি দর্শকদের মনে বেশ সাড়া ফেলেছে।

এবার ভক্তদের আগ্রহ মেটাতে তিনি কেন পৌরাণিক এই বিতর্কিত ও জটিল চরিত্রে অভিনয়ের ঝুঁকি নিলেন, তা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী রাকুল প্রীত সিং।

সম্প্রতি এক অনুরাগী চিঠি লিখে রাকুলের কাছে শূর্পনখার চরিত্রে অভিনয়ের সিদ্ধান্ত এবং পর্দার চ্যালেঞ্জ নিয়ে জানতে চান। জবাবে অনুরাগীকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাকুল জানান, চরিত্রটির জটিলতা ও বহুমাত্রিকতাই তাকে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ করেছিল।

রাকুল লিখেন, ‘ইতিহাসে সাধারণত শূর্পনখাকে কেবল একটি একক ঘটে যাওয়া ঘটনার দৃষ্টিভঙ্গি দিয়েই বিচার করা হয়েছে।

কিন্তু তার গল্পের পেছনে আরো অনেক স্তর ও রহস্য রয়েছে। একজন শিল্পী হিসেবে মানুষের প্রচলিত ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানায়, এমন চরিত্রই তো সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত করে।’ ছবির মুক্তির পর দর্শকেরা যেন পূর্বধারণা সরিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে শূর্পনখাকে আবিষ্কার করেন—সেই প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।

বিপুল বাজেটে তৈরি দুই পর্বের এই ‘রামায়ণ’ ফ্র্যাঞ্চাইজিতে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নির্মাতাদের সূচি অনুযায়ী, চলতি বছরের দীপাবলিতে প্রথম পর্ব এবং আগামী বছরের কোনো এক উৎসবের মৌসুমে দ্বিতীয় পর্বটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চীনের নতুন আইনের প্রতিবাদে ভারতে তিব্বতি শরণার্থী আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩১ এম


চীনের নতুন আইনের প্রতিবাদে ভারতে তিব্বতি শরণার্থী আটক

চীনের নতুন ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’-এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে সোমবার ভারতের মুম্বাইয়ে বেশ কয়েকজন তিব্বতি শরণার্থীকে আটক করেছেন মুম্বাই পুলিশ।

দক্ষিণ মুম্বাইয়ের নারিম্যান পয়েন্টে কোথায় বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন।

তারা বিক্ষোভ চলাকালে বিভিন্ন স্লোগান দেন। সেইসাথে, নতুন আইনের বিরুদ্ধে লেখা প্ল্যাকার্ডও বহন করেন। তাঁদের দাবি, এই আইন তিব্বতি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত ও ধর্মীয় পরিচয়ের জন্য একটি হুমকি হতে পারে। ঘটনার সময় উপস্থিত পুলিশ সদস্যরা বিক্ষোভে হস্তক্ষেপ করেন।

পরে, চীনের কনস্যুলেটের কাছে বিক্ষোভ চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে বিক্ষোভকারীদের আটক করা হয়।

এই বিক্ষোভ প্রায় নতুন আইনের বিরুদ্ধে তিব্বতি বিভিন্ন সংগঠনের বৃহত্তর আন্দোলনের একটি অংশ ছিল। চীন বলেছে, এই আইনের লক্ষ্য বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ঐক্য বাড়ানো। কিন্তু সমালোচকদের দাবি, এই আইন সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীকে মূলধারায় একীভূত করার নীতিকে আরো জোরালো করতে পারে।

মহারাষ্ট্র এবং ভারতের অন্যান্য অঞ্চলের তিব্বতি শরণার্থী বসতি থেকে আসা অনেক শরণার্থীও মুম্বাইয়ের এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেছেন। তারা বলেন, এই আইন তিব্বতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও প্রাচীন রীতিনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিষয়টি সম্পর্কে খবরে বলা হয়েছে, ভারতের আরো কয়েকটি শহরে একই ধরনের বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেসব স্থানে তিব্বতি আন্দোলনকারীরা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি এই আইন কার্যকর করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশের আহ্বান জানিয়েছেন।

চীনের ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি উন্নয়ন আইন’ ২০২৬ সালের ১২ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়েছে।

এটি ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে। এই বিস্তৃত জাতীয় আইনে সবার জন্য একটি অভিন্ন চীনা জাতীয় পরিচয় অনুসরণের কথা বলা হয়েছে। এছাড়াও শিক্ষা ও জনজীবনে প্রচলিত মান্দারিন ভাষাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এবং ধর্ম ও সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির ওপর রাষ্ট্রের নজরদারি আরো বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গেরুয়া হচ্ছে রোহিত-কোহলিদের ভারত দলের জার্সি?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ এম


গেরুয়া হচ্ছে রোহিত-কোহলিদের ভারত দলের জার্সি?

ভারতীয় ক্রিকেট দলের নাম শুনলেই চোখের সামনে সেই পরিচিত নীল রঙের জার্সির চিত্র ভেসে ওঠে। ‘মেন ইন ব্লু’ নামেই তারা বিশ্বজুড়ে পরিচিত টিম ইন্ডিয়া।

তারকাখচিত স্কোয়াড এবং সোনালী ইতিহাসের পাশাপাশি এই নীল জার্সি দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের আবেগ ও অনুভূতির প্রতীক। তবে সম্প্রতি নেটদুনিয়ায় একটি নতুন খবর সাড়া ফেলেছে, যা অনুযায়ী ঐতিহাসিক নীল পোশাকটি তুলে রেখে রোহিত এবং বিরাটদের গায়ে নাকি নতুন ‘গেরুয়া’ জার্সি উঠবে!

কিন্তু ক্রিকেটপ্রেমীদের এখনই চিন্তিত হওয়ার কিছু প্রয়োজন নেই। কারণ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) এখনও এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি। আপাতত পুরো বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর নির্ভর করেছে, যেখানে জল্পনা-কল্পনার ধারা চলছে।

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসের সঙ্গে এই নীল রঙের সম্পর্ক আদ্যোপান্ত যেন আত্মিক। ১৯৮৩ সালের ঐতিহাসিক শুরু থেকে ২০১১ সালে দেশের মাটিতে মহেন্দ্র সিং ধোনির নেতৃত্বে দলের বিশ্বজয়ের মুহূর্ত, সব স্মৃতি এই নীল ক্যানভাসে বন্দি। বিশ্বমানের যেকোনো ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বা আইসিসি টুর্নামেন্টে নীল জার্সি দেখলেই ক্রিকেটবিশ্ব এক বাক্যে ভারতকে চিনে নেয়। তাই সমর্থকদের পক্ষে রঙ পরিবর্তন মেনে নেওয়া সহজ হবে না।

জার্সিতে গেরুয়া ছোঁয়া অবশ্য ভারতের জন্য একদম নতুন কিছু নয়। ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত ওয়ানডে বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ‘অ্যাওয়ে কিট’ হিসেবে কমলা-গেরুয়া রঙের জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন কোহলিরা। সেসময় এটি নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কেউ কেউ এটিকে আধুনিক ক্রিকেটের অংশ হিসেবে সাধুবাদ জানালেও, অনেকেই এই রঙ বদলের পিছনে রাজনৈতিক গন্ধ খুঁজে পেয়েছিলেন এবং কঠোর সমালোচনা করেছিলেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অবশ্য জার্সিতে বৈচিত্র্য আনার বিষয়টি অস্বাভাবিক নয়।

অনেক সময় একই রঙের পোশাকের দুটি দল মুখোমুখি হলে স্বাগতিক এবং অতিথি দলের সুবিধার জন্য আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী ‘অ্যাওয়ে কিট’ ব্যবহার করতে হয়। আরও বিভিন্ন কারণে যেমন নতুন স্পনসরশিপের শর্ত, বাজারজাতকরণ, ব্র্যান্ডিং কিংবা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে নতুন ডিজাইনের জার্সি বিক্রি করে মুনাফা তোলার কৌশলও এই পরিবর্তনের পেছনে কাজ করে।

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া এই গুঞ্জন নিয়ে ভারতীয় ভক্তরা এখন দুই ভাগে বিভক্ত হয়েছেন। একদল গোঁড়া সমর্থক স্পষ্ট বলেছেন, ‘নীলই ভারতীয় ক্রিকেটের প্রাণ, এখানে কোনো আপস নয়।’ অন্যদিকে তরুণ প্রজন্মের একটি অংশের মতে, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ব্র্যান্ডিং এবং ডিজাইনে নতুনত্ব আসা বাধ্যতামূলক, সুতরাং আধুনিক লুকের নতুন রঙকে স্বাগত জানাতে কোনো আপত্তি নেই।

সব বিতর্ক এবং আলোচনার সমাপ্তি ঘটাতে পারে কেবল বিসিসিআইয়ের অফিসিয়াল বক্তব্য। এখন পর্যন্ত ভারতের সব ফরম্যাটের প্রধান জার্সি নীলই রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%