ঢাকা শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা


বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত, ক্ষতির আশঙ্কা

চলতি বোরো মৌসুমে হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। কারণ, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাওর রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়নি। এ অবস্থায় আকস্মিক বন্যা বা ঢলের ফলে হাওরের বোরো ধান তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দেশের মোট উৎপাদিত ফসলের প্রায় ৩০ শতাংশ হাওর এলাকা থেকে আসে। হাওরের বিস্তৃত জলরাশি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে শুকিয়ে গেলে কৃষকরা ভূমির বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করেন। কিন্তু এ বছরও হাওর অধ্যুষিত অনেক স্থানে ফসল রক্ষা বাঁধ অরক্ষিত রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সিলেটের হাওরাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টি ও ভারত থেকে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে প্রায়ই অকালবন্যা দেখা দেয়। মার্চ মাসে শুরু হওয়া ওই বন্যার পানি হাওরের কৃষকদের বোরো ধান ভাসিয়ে নিয়ে যায়। প্রতি বছর সুনামগঞ্জ জেলায় সরকারিভাবে হাওরে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হয়। সুনামগঞ্জে হাওরের বাঁধ নির্মাণে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। সিলেট বিভাগের চারটি জেলার মধ্যে মৌলভীবাজার ছাড়া অন্য জেলায় বোরো ফসল রক্ষার জন্য ৭২৫টি প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি (পিআইসি) গঠনের মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে ৬৮৭টি, সিলেটে ২২টি এবং হবিগঞ্জে ১৬টি পিআইসি রয়েছে।

সূত্র জানায়, সুনামগঞ্জে ৮০ ভাগ, সিলেটে ৬০ ভাগ এবং হবিগঞ্জে ৬৯ ভাগ বাঁধ নির্মাণকাজ সরকারি হিসাবে সম্পন্ন হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ করা সম্ভব। কিন্তু হাওর বাঁচাও আন্দোলনের নেতাদের মতে, এখনও অর্ধেক কাজ বাকি রয়েছে। মাটি কাটার কাজ শেষ হলেও দুরমুজ, বস্তা বাঁধা, ঘাস লাগানোসহ অনেক কাজ এখনও সম্পন্ন হয়নি। চলতি মৌসুমে সুনামগঞ্জের ১২টি উপজেলার ৫৩টি হাওরে বোরো ফসল সুরক্ষার জন্য ৬৮৭টি পিআইসি গঠন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে পুরো জেলায় ৫৮৮ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। বাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের জন্য ১২৭ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তবে নির্ধারিত সময়ে শতভাগ কাজ শেষ হওয়ার বিষয়ে শঙ্কা রয়েছে। তাছাড়া বাঁধে মাটি ফেলার ক্ষেত্রে সঠিক নিয়ম অনুসরণ করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন: বাঘাইছড়িতে শুরু হলো ১৭তম কঠিন চীবর দানোৎসব

সূত্র আরও জানায়, সুনামগঞ্জে এখন পর্যন্ত ফসল রক্ষা বাঁধের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সঠিক সময়ে ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ না হলে পাহাড়ি ঢলে বোরো ধানের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। হাওরের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বাঁধের কাজে গাফিলতি করা হচ্ছে। কেবল কাগজপত্রে ৭০-৮০ ভাগ কাজ শেষ হওয়ার কথা বলা হলেও বাস্তব চিত্র ভিন্ন। বাঁধের কাজ ধীরগতিতে চলছে, ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা শেষ করা সম্ভব নয়। এর ফলে হাওরের বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এদিকে, হাওর বাঁচাও আন্দোলন সংশ্লিষ্টদের মতে, কৃষকের ধান রক্ষায় বাঁধের কাজ সময়মতো শুরু করা অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু কর্তৃপক্ষ অনেক বাঁধের কাজ নির্ধারিত সময়ের বেশ কিছুদিন পর শুরু করেছে। সরকারি হিসাবে ৭০-৮০ ভাগ কাজ হলেও প্রকৃতপক্ষে এখনও অনেক বাঁধের কাজ বাকি রয়েছে। শুধু মাটি ফেলেই কাজ শেষ নয়, বাঁধের কম্পেকশন, দুরমুজ ও ঘাস লাগানোও বাকি রয়েছে। হাতে মাত্র কয়েকদিন সময় রয়েছে। এর মধ্যে কাজ শেষ করতে হবে।

অন্যদিকে, পাউবো সংশ্লিষ্টদের মতে, ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ শেষ হবে। ইতিমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কোথাও কোথাও কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। তবে কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ হবে। সিলেটের তিন উপজেলার পাঁচটি হাওরে ২২টি পিআইসির মাধ্যমে বাঁধ নির্মাণের কাজ চলছে। এ পর্যন্ত ৬০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। হবিগঞ্জ জেলায় ১৬টি হাওর রয়েছে। সেখানে ১৬টি পিআইসির মাধ্যমে কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারির মধ্যেই সব কাজ শেষ হবে।

সার্বিক বিষয়ে পাউবো সিলেটের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মাণে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। এটি আগেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কঠোর তদারকির মধ্যে কাজ চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাঁধ নির্মাণকাজ শেষ হবে।

আরও পড়ুন: ১১ হাজারের বেশি যাত্রী পারাপারের পরও এস.টি. নিঝুম দ্বীপ সরানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দৌলতখানে বিএনপি'র মত বিনিময় সভা, কঠোর নির্বাচনের প্রস্তুতির আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:২৯ এম


দৌলতখানে বিএনপি

ভোলার দৌলতখান হাজীপুরে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিএনপি'র মত বিনিময় সভা। এই সভার আয়োজন করে হাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপি, যা শনিবার ১৪ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক খবর পত্রের প্রধান সম্পাদক এবং বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মাফরুজা সুলতানা।

সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি ও হাজীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক হোসেন তালুকদার। বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল মান্নান মিয়া, বোরহানউদ্দিন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক সরোয়ার আলম খান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি প্রভাষক নিজাম উদ্দিন ভূইয়া, এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফখরুল আলম টপি, সহসাংগঠনিক সম্পাদক জুয়েল তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক মশিউর রহমান লিটন, উপজেলা কৃষক দলের সভাপতি আলমগীর হোসেন মাস্টার, এবং সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মহসিন রাশেদ।

সভায় প্রধান অতিথি তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে অত্যন্ত কঠোর। তিনি বলেন, "আপনারা সাংগঠনিকভাবে শক্তি সঞ্চয় করে দলকে শক্তিশালী করতে হবে। মানুষের সাথে ভালো ব্যবহার করতে হবে। অতীত সরকার পালিয়ে যাওয়ার একটাই কারণ হচ্ছে তারা মানুষের সাথে খারাপ আচরণ করেছে। মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি করেছে। গুম খুন এমনকি আয়না ঘর তৈরি করে মানুষ মেরেছে।" তিনি আগামী নির্বাচনে হাফিজ ইব্রাহিম এর পক্ষে ধানের শীষের জন্য মাঠে কাজ করতে সকলকে আহবান জানান।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুলাদীতে বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন: পুত্রবধু ও সাবেক জামাতার অত্যাচারের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩০ এম


মুলাদীতে বৃদ্ধার সংবাদ সম্মেলন: পুত্রবধু ও সাবেক জামাতার অত্যাচারের অভিযোগ

মুলাদীতে এক বৃদ্ধা সংবাদ সম্মেলন করেছেন, যাতে তিনি তার মেয়ে, পুত্রবধু ও মেয়ের সাবেক স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচার জন্য অভিযোগ করেছেন। গতকাল শনিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মুলাদী রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার পৌর সদরের চরডিক্রী গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৬৫) অভিযোগ করেন যে, তার মেয়ে সুফিয়া, পুত্রবধু নাসিমা বেগম এবং সাবেক জামাতা সিদ্দিক সরদার তাকে মারধর করেছেন। তিনি জানান, জমি লিখে না দেওয়ার কারণে তারা তার উপর অত্যাচার চালাচ্ছেন। এসময় তার অন্য দুই মেয়ে আয়শা আক্তার সুমী ও ফারজানা ইয়াসমিন হাসি উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে ফাতেমা বেগম বলেন, তার মেজো মেয়ে সুফিয়া বেগমের সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার পর তিনি সুফিয়াকে তার বাড়িতে আশ্রয় দেন। জমি নিয়ে সুফিয়ার সঙ্গে বিবাদ শুরু হলে স্থানীয়ভাবে সালিস মিমাংশায় মৃত জয়নাল আবেদীনের জায়গা-জমি তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ৪ মেয়ের মাঝে বণ্টন করা হয়। চলতি বছরের জুন মাসে মেয়ে সুফিয়া ও পুত্রবধু নাসিমা বৃদ্ধা ফাতেমা বেগমকে তার জমি দলিল করে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ফাতেমা এতে রাজি না হওয়ায় গত ২৯ জুলাই তাকে মারধর করেন তারা। ওই ঘটনায় ফাতেমা বেগম বরিশাল জ্যেষ্ঠ বিচারিক আদালতে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি মুলাদী থানায় প্রেরণ করলেও পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।

অপরদিকে, মামলা করায় মেয়ে, পুত্রবধু ও জামাতা ক্ষিপ্ত হয়ে আবারো মারধর করেন এবং মামলা প্রত্যাহারের জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেন। ফাতেমা বেগম আরও বলেন, ‘সুফিয়া তার বর্তমান স্বামী আলী মোল্লা ও পূর্বের স্বামী সিদ্দিক সরদারের সঙ্গে মিলে লোকজন নিয়ে আমাকে এবং আমার অন্য দুই মেয়েকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। তারা যেকোনো উপায়ে আমার থেকে জমির দলিল নেওয়ার চেষ্টা করছে। আমি দুই মেয়েকে নিয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছি।’

এব্যাপারে জানতে চাইলে সিদ্দিক সরদার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘সুফিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাদের পারিবারিক বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিনি।’ মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম জানান, জমি লিখে নিতে বৃদ্ধাকে মারধরের ঘটনায় আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো হবে। এছাড়া বৃদ্ধাকে কেউ হুমকি দিলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুলাদীতে কলেজের গেট প্রধান সড়কের সঙ্গে করার দাবি শিক্ষার্থীদের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩১ এম


মুলাদীতে কলেজের গেট প্রধান সড়কের সঙ্গে করার দাবি শিক্ষার্থীদের

মুলাদী সরকারি কলেজের গেট প্রধান সড়কের সঙ্গে করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। মুলাদী পৌর ও সরকারি কলেজ ছাত্রদল নেতাকর্মীরা হিজলা-বরিশাল মহাসড়কের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) কার্যালয়ের সামনে একটি গেট করার দাবি উত্থাপন করেন।

গতকাল শনিবার বিকেলে, শিক্ষার্থীরা মুলাদী সরকারি কলেজ গেট নামে একটি ব্যানার টানিয়ে দেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মুলাদী পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহানুর রহমান সোহান হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ইসমাইল সরদার, মুলাদী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব সাইফুদ্দিন রেজা, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. রিফাত মল্লিক, পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি মাহবুব হোসেন, তুরা, রহমান, আফি, মুলাদী জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক খোকন রাড়ি, যুবদল নেতা বাকির হাওলাদার, সাবিক মল্লিক, তুহিন সিকদার, এবং মুলাদী পৌরসভা ও কলেজ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

মুলাদী পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. সোহানুর রহমান সোহান বলেন, "হিজলা-মুলাদী-বরিশাল মহাসড়কের মুলাদী সরকারি কলেজের গেট করা হলে জরুরী প্রয়োজনে ফায়ার সার্ভিস, এম্বুলেন্স এবং কলেজের মালামাল পরিবহন করা সহজ হবে।" তিনি আরও জানান, "এছাড়া বাটামারা, নাজিরপুর, সফিপুর, মুলাদী সদর ও কাজিরচর ইউনিয়নের ছাত্র-ছাত্রীদের পথ ঘুরে কলেজে প্রবেশ করতে হবে না এবং কলেজের পরিচিতিও বৃদ্ধি পাবে।"

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কলাপাড়ায় কৃষকদের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০১:৩১ এম


কলাপাড়ায় কৃষকদের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করতে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের চাষাবাদে উদ্বুদ্ধ করার উদ্দেশ্যে “রাস্তার পাশে সবজি ক্ষেত” প্রদর্শনী এবং মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়েছে। রবিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় কলাপাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কলাপাড়ার পশ্চিম টিয়াখালী গ্রামের সিক্সলেন সড়কের পাশে এ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আরাফাত হোসেন।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. নজরুল ইসলাম শিকদার। খরিপ-২ মৌসুমে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠি, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পটুয়াখালী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম মল্লিক, প্রকল্পের মনিটরিং এন্ড ইভুলুয়েশন কর্মকর্তা মো. তৌহিদ, কলাপাড়া কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মশিউর রহমান এবং কলাপাড়া প্রেসক্লাব সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রমুখ।

এ মৌসুমে কলাপাড়ায় এ প্রকল্পের আওতায় ৬০ টি রাস্তার পাশে সবজি চাষ প্রদর্শনী করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের সহায়তায় প্রতিটি কৃষি প্রদর্শনীতে কৃষকরা মাত্র দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ করে প্রতি কৃষক ৪০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকার লাউ, কুমড়া, শিম, বরবটি বিক্রি করে আর্থিক লাভবান হচ্ছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৪
মাগরিব ০৫:২১
ইশা ০৬:৩৩
সূর্যোদয় : ০৬:০৩ সূর্যাস্ত : ০৫:২১
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%