০৬:৪০ পি.এম
ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে নতুন করে পাল্টাপাল্টি বিমান হামলার পর আবারও তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।
সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
এর আগে গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ তীব্র আকার ধারণের সময় ১২০ ডলার পৌঁছায় তেলের দাম।
আরও পড়ুন: মহেশখালীতে তিনটি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর শান্তি আলোচনার আশা তৈরি হওয়ায় সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তেলের দাম কিছুটা কমে এসেছিল।
তবে লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ইসরায়েলের হামলা চালানো ও এপ্রিলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর প্রথমবারের মতো ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। এ হামলার পর সংঘাত সমাধানের সেই আশা ভেস্তে গেছে।
এদিকে, সোমবার ভোরে ইরানের রাজধানী তেহরান, তাবরিজ ও ইসফাহানে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এতে চলমান যুদ্ধ দ্রুত শেষ হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল পরিবহনের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশাও ক্ষীণ হয়েছে।
এর আগে, রবিবার ইসরাইলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইরান ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, সংঘাতের অবসানে একটি চুক্তি এখনও সম্ভব।
আরও পড়ুন: ২০২৯ সালের নির্বাচনে মোদির পতন হবে : অভিজিৎ দীপকে
অন্যদিকে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করাকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তির অন্যতম শর্ত হিসেবে দেখছে ইরান। মার্চে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর হামলার পর ইসরায়েল লেবাননে সামরিক অভিযান শুরু করে। পরে ওয়াশিংটনে আলোচনার মাধ্যমে গত ৩ জুন উভয় দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
এদিকে, সরবরাহ সংকট মোকাবিলায় রবিবার ওপেক প্লাস টানা চতুর্থবারের মতো তেল উৎপাদন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা এবং বিভিন্ন উৎপাদনকারী দেশের সক্ষমতা সংকটের কারণে এই সিদ্ধান্তের বাস্তব প্রভাব খুবই সীমিত হবে।
সূত্র : আল-জাজিরা।
আরও পড়ুন: মিরপুরে চলন্ত প্রাইভেট কারে ককটেল বিস্ফোরণ, হতাহত নেই
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন