০৬:৪৩ পি.এম
রক্ষক যদি ভক্ষক হয়ে যায়, তখন আলোচনা টেবিলের সীমাবদ্ধ থেকে যায়, বাস্তবে তার কোনো সুফল দেখা যায় না, এবং ভবিষ্যতে আশা করা কঠিন বলেও মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
সোমবার (৮ জুন) সকালে, রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের আগামী অর্থবছরের বাজেট ও জনগণের প্রত্যাশা’ বিষয়ক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এই মন্তব্যটি করেন।
চরমোনাই পীর বলেন, দেশের জনগণের জন্য যেই বাজেট তৈরি করা হয়ে থাকে, সেটি যদি জনগণের দোরগড়ায় পৌঁছানো না হয়, তবে প্রকৃত সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। স্বাধীনতা উত্তর যে সরকারকে দেখা হয়েছে এবং বর্তমান সরকারকে যে দেখছে, তা হচ্ছে ব্যতিক্রম, কারণ বর্তমান সরকার এসেছে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে। ইতিহাস বলছে, বৈষম্য দূরীকরণ ও হকদারের পাওনা নিশ্চিত করতে যেই অভ্যুত্থান, সেটি কখনো ভুলবেন না। যারা দেশ নিয়ে ভাবেন, যে নীতি আদর্শ ও আকাঙ্ক্ষা আপনারা ধারণ করেছিলেন, সেটিকে বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হননি।
আরও পড়ুন: বিপিসির ৯০ দিনের জ্বালানি মজুদের পরিকল্পনা, ২০২৭ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন
তিনি আরো বলেন, শরিয়াহ নীতি আদর্শের প্রচলন না হলে আলোচনা করবো কিন্তু এর ফল পাওয়ার আশা করবো না। যারা দেশের পরিচালনায় আছেন, তারা আমানতদার, কিন্তু আপনারা রক্ষক ভক্ষক সেজে দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ান করেছেন।
সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, যে বাজেট উপস্থাপন করা হচ্ছে, ২৬-২৭ অর্থবছরে বাজেট ঘোষণা করার ফলে প্রতিটি জনগণের মাথায় প্রায় ১৪০০০০ টাকার মতো ঋণের বোঝা বিদেশের কাছে থাকবে, এটি হতে পারে না। এটি পরিবর্তিত হতে হবে। তাই সবার একসাথে হয়ে জনগণের চাওয়া-পাওয়ার লক্ষ্যে অগ্রসর হতে হবে।
গাজী আতাউর রহমানের পরিচালনায় গোলটেবিল বৈঠকে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, চর্চার সম্পাদক সোহরাব হাসান, বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হোসাইন অলিউল্লাহ, ইসলামী আন্দোলনের আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা গোলাম মসীহ, জ্যেষ্ঠ প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মুসাদ্দিক বিল্লাহ আল মাদানী, প্রেসিডিয়াম সদস্য আশরাফ আলী আকন প্রমুখ বক্তব্য দেন।
আরও পড়ুন: মহেশখালীতে তিনটি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন