ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

নরসিংদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ১৩৬ ককটেল উদ্ধার, আটক ৩


নরসিংদীতে অস্ত্র-গোলাবারুদসহ ১৩৬ ককটেল উদ্ধার, আটক ৩

নরসিংদীর রায়পুরার চরাঞ্চলে দিনভর যৌথ অভিযান চালিয়ে পুলিশ ও র‍্যাব তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।

এই অভিযানের সময় উদ্ধার করা হয়েছে একটি একনলা বন্দুক, ৯ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, একটি স্টিলের ঢাল ও ১৩৬টি ককটেলসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকাল ৬টা থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার চরাঞ্চলের চাঁনপুর ইউনিয়নের সওদাগরকান্দি গ্রামের লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

পরে রায়পুরা থানায় এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে নরসিংদীর পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল ফারুক এসব তথ্য জানান।

অভিযানে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন—সওদাগরকান্দি গ্রামের হাসেন আলীর ছেলে মনির হোসেন (৩৫), মৃত তালেব আলীর ছেলে আলকাছ (৬০) এবং ফারুক মিয়ার ছেলে সাইম ইসলাম (১৪)।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুসারে, সওদাগরকান্দি এলাকায় স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদ গ্রুপ ও মোমেন চেয়ারম্যান গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের কারণে বিভিন্ন সময় সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।

এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের গ্রেফতার এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে মঙ্গলবার এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সওদাগরকান্দি লঞ্চঘাট সংলগ্ন মেঘনা নদীতে অস্ত্রধারী কয়েকজন অবস্থান করছে জানতে পেরে অভিযান শুরু হয়। এই সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উদ্ধার করা হয়েছিল একটি একনলা বন্দুক, শর্টগানের ৯ রাউন্ড লাল রঙের কার্তুজ, একটি হলুদ রঙের হেলমেট, চারটি বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, দুটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন, একটি স্টিলের ঢাল, আটটি দেশীয় তৈরি বল্লম, ১৪টি লাল বালতিতে ১৩৬টি ককটেল, এক বালতি পাথর ও একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা। পুলিশ এসব উদ্ধার সামগ্রীর কথা জানিয়েছে।

পুলিশ জানায়, বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। পাশাপাশি এলাকায় পুলিশের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ, রায়পুরা সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমানসহ জেলা পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম

উল্লেখ্য, গত ২ আগস্ট দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্যের জেরে এক পক্ষের হামলায় গুলিতে চাঁনপুর ইউনিয়নের সদাগরকান্দি গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে কৃষক মোমেন মিয়া (৬০) নিহত হন। এরপর থেকে এলাকায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরানে জটিল হিসাব-নিকাশের মুখে ট্রাম্পের যুদ্ধ কৌশল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:০৯ পি.এম


ইরানে জটিল হিসাব-নিকাশের মুখে ট্রাম্পের যুদ্ধ কৌশল

ইরানে আকস্মিক এবং গভীর কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ কৌশল।

২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যে যুদ্ধ শুরু হয়, ট্রাম্প প্রশাসন মাত্র কয়েক সপ্তাহের ভেতরে এটি শেষ করার দাবি করলেও, ছয় মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর এটি এখন একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং অনিশ্চিত সংঘাতে রূপ নিয়েছে। কাতারভিত্তিক জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ-এর মতামত হলো, সামরিক পরাশক্তি হিসেবে থাকা সত্ত্বেও ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে পারেনি।

বর্তমান পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত ‘কে চোখ মেলে বা কে আগে পিছু হটে’ (হু ব্লিন্কস ফার্স্ট)। তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন বা তেহরান-অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ক্ষতির সহ্য করার এই সময়সীমা প্রমাণ করে যে, আপনার পক্ষে আরও ভালো কোন সমঝোতা চুক্তি সই করতে কতটা যন্ত্রণা সইতে প্রস্তুত।’

মাসগ্রেভ আরও উল্লেখ করেন, ইরানের ‘কট্টরপন্থীরা’ পিছু হটতে কিংবা নিজেদের দুর্বল হিসেবে তুলে ধরতে একেবারে নারাজ। তাদের মূল লক্ষ্য, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কারণে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চরম অপমানিত করা।’ তিনি যোগ করেন, ট্রাম্প যে সহজে জয়ী হবেন ভেবেছিলেন, এ যুদ্ধে জয় পাওয়া তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরও জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের মতে সবচেয়ে বড় সংকট হলো-যুক্তরাষ্ট্রের বিমান শক্তি, তাদের সামরিক গোলাবারুদ এবং তাদের প্রয়োগ করা সব চাপও শেষ পর্যন্ত তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’

সূত্র: আল-জাজিরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১০ পি.এম


হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর

ঢাকা, ১২ আগস্ট, ২০২৬ : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেছেন, হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন। আজ বুধবার রাজধানীর আগারগাঁও এ বন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব হাতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী আরও বলেন, হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে শুধু সরকারের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; স্থানীয় জনগোষ্ঠী, বন বিভাগের মাঠকর্মী, বেসরকারি সংস্থা, শিক্ষার্থী, তরুণ প্রজন্ম, গবেষক, গণমাধ্যমকর্মীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে এ কাজে সম্পৃক্ত হওয়া প্রয়োজন। হাতির আবাসস্থল রক্ষা করা মানে শুধু হাতিকে রক্ষা করা নয়; এর অধীনে বন, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের ভবিষ্যৎও সুরক্ষিত হয়।

এসময় এবছরের বিশ্ব হাতি দিবসের আন্তর্জাতিক প্রতিপাদ্য ‘বার্নিং দ্যা ওয়ার্ল্ড টুগেদার টু হেল্প এলিফ্যান্টস্’ এবং এর বাংলা প্রতিপাদ্য ‘বিশ্বজুড়ে ঐক্য গড়ি, হাতির জীবন রক্ষা করি।’ দিবসটির মূল উদ্দেশ্য হলো হাতি ও এর আবাসস্থল সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং হাতির নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করা।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, একসময় দেশে প্রচুর হাতে ছিল, তবে বর্তমানে এ প্রাণীর সংখ্যা ক্রমেই কমছে। আবাসস্থল দখল ও ধ্বংস, বন উজাড়, অবৈধ শিকার এবং বন্যপ্রাণী অপরাধ হাতির অস্তিত্বের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ২০১৫ সালের জরিপ অনুযায়ী দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী বন্য হাতির সংখ্যা ২৬৮, পরিযায়ী বন্য হাতির সংখ্যা ৯৩ এবং পোষা হাতির সংখ্যা ৯৬। আগামী বছরের মধ্যে পুনরায় হাতি জরিপের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

হাতি সংরক্ষণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ‘বাংলাদেশ এলিফ্যান্ট কনজারভেশন অ্যাকশন প্ল্যা (২০১৮-২০২৭) প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে ৪০টি অগ্রাধিকার কার্যক্রম চিহ্নিত রয়েছে। এসব কার্যক্রম বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

মানুষ-হাতি সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে সরকার ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, ‘বন্যপ্রাণী দ্বারা আক্রান্ত জানমালের ক্ষতিপূরণ বিধিমালা, ২০২১’ অনুযায়ী নিহত ব্যক্তির পরিবারকে ৩ লাখ টাকা, আহত ব্যক্তিকে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা এবং জান-মালের ক্ষতির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। ২০১২ সাল থেকে জুন ২০২৬ পর্যন্ত নিহত ৩২২ ব্যক্তির পরিবার, আহত ১৬৯ জন এবং ঘরবাড়ি ও ফসলের ক্ষতির শিকার ৩,২১৫টি পরিবারকে মোট প্রায় ১৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হয়েছে। মন্ত্রী হাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে দ্রুততম সময়ে ক্ষতিপূরণ প্রদানের জন্য বন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দেন।

আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, মানুষ-হাতি সংঘাত মোকাবিলায় স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। হাতি অধ্যুষিত এলাকায় এ পর্যন্ত ১৫৯টি এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম (ইআরটি) গঠন করা হয়েছে। এসব দল হাতির আগমন সম্পর্কে দ্রুত সতর্কবার্তা প্রদান করে, হাতির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং নিরাপদ উপায়ে মানুষ ও হাতির মধ্যে সংঘাত কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। হাতি সংরক্ষণে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি। স্থানীয় জনগণকে বাদ দিয়ে হাতি সংরক্ষণ কখনোই টেকসই হবে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল তার সংসদীয় আসনের এলাকায় হাতির আক্রমণের বিষয় এবং ক্ষতিপূরণ নিয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে অপর বিশেষ অতিথি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক) ড. মো. সাইমুম পারভেজ বলেন, প্রাণ ও প্রকৃতিকে রক্ষার জন্য হাতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য হাতি রক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানম বলেন, হাতি শুধু আমাদের দেশেই নয় বরং সারা বিশ্বেও বিপন্ন। হাতি রক্ষা হলে কতটা লাভ হবে, তা সাধারণভাবে অনুধাবন করা যায় না। ফলে নতুন প্রকল্প অনুমোদন পাওয়া কঠিন হয়ে যায়। তিনি সরকারি অর্থায়নের পাশাপাশি দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সরকারের সঙ্গে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানান।

প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরণ্যক ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক ড. মো. আব্দুল মোতালেব হাতি নিয়ে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে হাতি নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় ও বন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাসহ অনান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৩ পি.এম


অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে থানায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আবেদন

নীলফামারীতে বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং পুলিশ টহলের ব্যবস্থা বাড়ানোর জন্য থানায় লিখিত আবেদন করেছেন পল্লী বিদ্যুতের সমিতির ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ কে এম আলাউদ্দিন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) তিনি ডোমার থানায় এই আবেদনটি করেন।

আবেদনপত্রে উল্লিখিত হয়েছে যে, জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ঘাটতির কারণে বিভিন্ন এলাকায় বরাদ্দ অনুযায়ী লোডশেডিং করে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হচ্ছে। ফলে গরমের সময়ে গ্রাহকদের মধ্যে দুর্ভোগ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এর ফলে জনমনে অসন্তোষের সূচনা হচ্ছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা থেকে রক্ষা পেতে নিরাপত্তা জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় ডোমার জোনাল অফিসের আওতাধীন ডোমার জোনাল অফিস, উপকেন্দ্র-১ (আন্ধারুর মোড়) এবং চিলাহাটি অভিযোগ কেন্দ্রে রাত্রীকালীন সার্বক্ষণিক পুলিশ টহল ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে।

ডোমার থানার ওসি মো. হাবিবুল্লাহ এই বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডোমার জোনাল অফিসের উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এ কে এম আলাউদ্দিন লিখিত আবেদনটি করেছেন। তিনি আরও জানান, সাদা পোশাকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের স্থাপনাগুলোতে পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। এর সাথে সাথে আমাদের টহল অভিযানও অব্যাহত রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সহপাঠীকে অপহরণের দায়ে মাদরাসাছাত্রের ৫ বছরের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১২ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৫:১৫ পি.এম


সহপাঠীকে অপহরণের দায়ে মাদরাসাছাত্রের ৫ বছরের কারাদণ্ড

ফরিদপুরের নগরকান্দায় অপহরণ মামলায় রুবেল খন্দকার (২০) নামের এক মাদরাসাছাত্রকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আদালতের পাশাপাশি তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে, অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

এ মামলার অপর আসামি, সোহেল মোল্লাকে আদালত খালাস দিয়েছেন।

বুধবার (১২ আগস্ট) ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ রায় ঘোষণা করেছেন। এ সময় আসামি পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার এজাহার এবং অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, নগরকান্দা থানাধীন একটি মাদরাসায় প্রায় ছয় মাস ধরে আবাসিকভাবে পড়াশোনা করছিল ১০ বছর বয়সী হেদায়েত উল্লাহ। ২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে মাদরাসার সামনের পশ্চিম পাশে জুরদী বাসস্ট্যান্ডে যাওয়ার কথা বলে সহপাঠীদের সঙ্গে বের হয় হেদায়েত। এরপর সে মাদরাসায় ফিরে আসেনি।

পরে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে না পেয়ে মাদরাসার শিক্ষক ক্বারী মো. ইউনুস আলী তার পরিবারের কাছে বিষয়টি জানান। এরপর শিশুটির বাবা মো. কামাল খন্দকার নগরকান্দা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পরদিন ১৫ জানুয়ারি দুপুরে একটি মোবাইল নম্বর থেকে ফোন করে তার বাবার কাছে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। টাকা না দিলে শিশুটিকে হত্যা করে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয়। একই দিন রাতে আবারও ফোন করে মুক্তিপণের দাবি করা হয় এবং শিশুটির সঙ্গে কথা বলিয়ে দেওয়া হয়।

নগরকান্দা থানায় শিশুটির বাবার করা মামলার পর তদন্ত শেষে পুলিশ একই মাদরাসার ছাত্র রুবেল খন্দকার ও সোহেল মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার নথিতে দেখা যায় রুবেলকে পলাতক আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে বুধবার (১২ আগস্ট) আদালত রুবেল খন্দকারকে দোষী সাব্যস্ত করে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেছেন। অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাকে আরো তিন মাস কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর আসামি সোহেল মোল্লাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অ্যাডভোকেট গোলাম রব্বানী জানিয়েছেন, শিশু অপহরণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত রুবেল খন্দকারকে পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%