০৫:০৯ পি.এম
ইরানে আকস্মিক এবং গভীর কৌশলগত চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ কৌশল।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যে যুদ্ধ শুরু হয়, ট্রাম্প প্রশাসন মাত্র কয়েক সপ্তাহের ভেতরে এটি শেষ করার দাবি করলেও, ছয় মাস পেরিয়ে যাওয়ার পর এটি এখন একটি দীর্ঘমেয়াদি এবং অনিশ্চিত সংঘাতে রূপ নিয়েছে। কাতারভিত্তিক জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার বিষয়ক সহযোগী অধ্যাপক পল মাসগ্রেভ-এর মতামত হলো, সামরিক পরাশক্তি হিসেবে থাকা সত্ত্বেও ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র এখন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে পারেনি।
বর্তমান পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, শেষ পর্যন্ত ‘কে চোখ মেলে বা কে আগে পিছু হটে’ (হু ব্লিন্কস ফার্স্ট)। তিনি বলেন, ‘ওয়াশিংটন বা তেহরান-অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক ক্ষতির সহ্য করার এই সময়সীমা প্রমাণ করে যে, আপনার পক্ষে আরও ভালো কোন সমঝোতা চুক্তি সই করতে কতটা যন্ত্রণা সইতে প্রস্তুত।’
আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার
মাসগ্রেভ আরও উল্লেখ করেন, ইরানের ‘কট্টরপন্থীরা’ পিছু হটতে কিংবা নিজেদের দুর্বল হিসেবে তুলে ধরতে একেবারে নারাজ। তাদের মূল লক্ষ্য, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের কারণে, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে চরম অপমানিত করা।’ তিনি যোগ করেন, ট্রাম্প যে সহজে জয়ী হবেন ভেবেছিলেন, এ যুদ্ধে জয় পাওয়া তার চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি আরও জানান, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দৃষ্টিকোণ থেকে আমাদের মতে সবচেয়ে বড় সংকট হলো-যুক্তরাষ্ট্রের বিমান শক্তি, তাদের সামরিক গোলাবারুদ এবং তাদের প্রয়োগ করা সব চাপও শেষ পর্যন্ত তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’
সূত্র: আল-জাজিরা।
আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন