০৫:১৯ পি.এম
মালির ৫০ জন সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায়। উত্তর মালির আনেফিস শহর থেকে সরে যাওয়ার সময় তুয়ারেগ বিচ্ছিন্নতাবাদী ও জিহাদি যোদ্ধাদের হামলার ফলে অন্তত ৫০ জন সেনা নিহত হয়।
গতকাল রবিবার (১৯ জুন) কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
কয়েক সপ্তাহ ধরে শহরটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘর্ষ চলার পর শনিবার আনেফিস ত্যাগ করা সেনাবাহিনীর একটি বহরে এই হামলাটি ঘটেছে। জুলাইয়ের শুরুতে তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী এফএলএ এবং আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্ট জেএনআইএম অল্প সময়ের জন্য শহরটি দখল করে নিয়েছিল।
আরও পড়ুন: জানাজা থেকে ফেরার পথে গ্রেপ্তার ইউপি চেয়ারম্যান, অসন্তোষ জানালেন প্রতিমন্ত্রী
তারা মালির সেনাবাহিনী ও রুশ-সমর্থিত আফ্রিকা কোর বাহিনীর ব্যবহৃত একটি সামরিক ঘাঁটিও ঘিরে ফেলেছিল। পরে জেএনআইএম ও এফএলএ উভয়ই এই হামলার দায় স্বীকার করে।
সামরিক সরকারের ঘনিষ্ঠ এক স্থানীয় কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, হামলায় ৫০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন এবং অন্তত ২৪ জনকে বন্দি করা হয়েছে। তার মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালির সেনাবাহিনীর ওপর এটি সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলাগুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছেন।
মালির সেনাবাহিনীর একটি সূত্র জানান, হামলায় তাদের সদস্যদের সরাসরি লক্ষ্য করে হত্যা করা হয়েছে। কী কারণে সেনারা এতটা অরক্ষিত হয়ে পড়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চলছে।
সূত্রগুলোর মতে, সেনাবাহিনীকে সহায়তাকারী রুশ আধাসামরিক বাহিনীর সদস্যরা হামলার আগেই গাও শহরে পৌঁছে গিয়েছিলেন, ফলে তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। গাও অঞ্চলের এক কমিউনিটি নেতা বলেন, নিহতদের মধ্যে কেউ রুশ নাগরিক নন। সবাই মালির সেনাবাহিনী ও রাষ্ট্র-সমর্থিত মিলিশিয়া বাহিনীর সদস্য।
আরও পড়ুন: মধ্যপ্রাচ্যের উদ্দেশে রওনা হলো যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরি ‘থিওডোর রুজভেল্ট’
শনিবার মালির সেনাবাহিনী স্বীকার করে, তাদের বহর একটি অতর্কিত হামলার মুখে পড়েছিল। তবে তারা হতাহতের সংখ্যা প্রকাশ করেনি। ২০২০ ও ২০২১ সালে পরপর দুটি সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকে মালি সামরিক সরকারের অধীনে অবস্থিত। দীর্ঘদিনের জিহাদি ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সহিংসতা দমনে এবং দেশের নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে সামরিক জান্তা এখনও বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন