০১:৪৪ এম
সরকারি আবাসন পরিদপ্তর অবৈধভাবে সরকারি আবাসনে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে বসবাসকারী ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করার জন্য অভিযান পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য ৩১ অক্টোবরের মধ্যে নির্দেশনা দেওয়া হলেও, যারা এখনও তা মানেননি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবাসন পরিদপ্তরের সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কোন কোন সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত বাসায় ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা রয়েছেন, তা শনাক্ত করার কাজ চলছে। তবে, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপ্তদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ভিন্ন মত, ভিন্ন পথ: আমরা একসঙ্গে চলব, এটিই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য
ভাড়াটেরা কেন এখনো বাসা ছাড়েননি, সে বিষয়ে তাদের যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিতে হবে। সন্তোষজনক কারণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বাসার বরাদ্দ বাতিল করা হতে পারে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সরকারি বাসা থেকে ভাড়াটেরা চলে গেছেন কি না, তা যাচাইয়ের জন্য আবাসন পরিদপ্তর মাঠপর্যায়ে তদন্ত শুরু করেছে। ঢাকার বিভিন্ন সরকারি আবাসিক এলাকায় পাঁচটি তদন্ত দল এই কাজের জন্য নিয়োজিত রয়েছে।
দলগুলো সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করে কারা বাসা ছেড়েছেন এবং কারা এখনো অবস্থান করছেন, তার একটি তালিকা প্রস্তুত করছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি এলাকার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, তবে পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির কাজ এখনও শেষ হয়নি।
পরিদপ্তর সূত্র জানায়, তদন্ত শেষে পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়ার পর উচ্ছেদ অভিযান শুরু হবে। যেসব সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দকৃত বাসায় এখনও ভাড়াটে কিংবা সাবলেট বাসিন্দা রয়েছেন, মূলত তাদের বাসাগুলোতেই অভিযান পরিচালনা করা হবে।
আরও পড়ুন: জাতীয় নারীশক্তির ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণে আংশিক কমিটি গঠন
দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি আবাসনে বরাদ্দ পাওয়া ফ্ল্যাটে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীদের পরিবর্তে অন্যদের ভাড়া বা সাবলেট দিয়ে রাখার অভিযোগ রয়েছে। এ অনিয়ম বন্ধে গত ২৯ অক্টোবর গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সব ভাড়াটে ও সাবলেট বাসিন্দাকে সরকারি বাসা থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে, যার নামে বাসা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, তাকেই সেখানে বসবাস করতে হবে বলে নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো সরকারি ফ্ল্যাটে ভাড়াটে বা সাবলেট বাসিন্দা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট চাকরিজীবীর বরাদ্দ বাতিলের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রেণির মোট ১৯ হাজার ৯১টি সরকারি বাসা রয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ের পর বিষপানে মা-ছেলের মৃত্যু
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন