১০:১৬ এম
কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের পূর্বাঞ্চলে ইবোলার প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে একটি নবজাতকের মৃত্যু নতুন উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। জন্মের মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই শিশুটির মৃত্যু ঘটেছে এবং পরবর্তী পরীক্ষায় ইবোলা সংক্রমণ নিশ্চিত হওয়ায় স্থানীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থায় সতর্কতা জোরদার করা হয়েছে।
দেশটির স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, 'বাসওয়াজা' নামের ওই নবজাতকের মা মে মাসের শেষ দিকে মারা যান। এরপর শিশুটিকে পূর্বাঞ্চলের ইতুরি প্রদেশের বুনিয়া শহরের একটি গির্জা পরিচালিত এতিমখানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পৌঁছানোর পর শিশুটির জ্বর দেখা দেয় এবং কয়েক দিনের মধ্যেই অবস্থার অবনতি হয়ে মৃত্যু ঘটে। পরে পরীক্ষায় নিশ্চিত হয়, সে ইবোলায় আক্রান্ত ছিল।
এই ঘটনার পর এতিমখানাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বাসওয়াজার সংস্পর্শে থাকা আরও কয়েকজন শিশুর মধ্যে উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত তাদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়। সেখানে ৬৯ জন শিশুর মধ্যে আক্রান্ত ও ঝুঁকিতে থাকা শিশুদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরীক্ষার পর পাঁচ শিশুর রিপোর্ট নেগেটিভ আসার পর তাদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: কাতারএনার্জি আগামী বছর ৪০ কার্গোর ২৬টি সরবরাহ করবে
তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি। এক বছরের কম বয়সী আরেক শিশুর শরীরে ইবোলা শনাক্ত হয়। এই শিশুটি 'শেরি' নামে পরিচিত এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
বুনিয়ার ইভানজেলিক্যাল মেডিকেল সেন্টারের প্রধান ডা. ফ্রেডি কিবওয়ানা জানান, চিকিৎসকদের সর্বাত্মক চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইবোলার মতো সংক্রামক রোগে শিশুদের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে ঘনবসতিপূর্ণ বা সীমিত স্বাস্থ্যসেবার পরিবেশে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বর্তমানে আক্রান্তদের আইসোলেশনে রেখে চিকিৎসা প্রদান করা হচ্ছে এবং সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোও কাজ করছে।
আরও পড়ুন: ইইউ-চীন বাণিজ্য সম্পর্কের অবনতির নেপথ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক
সূত্র : রয়টার্স।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন