ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

‘যবিপ্রবিকে আদর্শ গ্রিন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা হবে’


‘যবিপ্রবিকে আদর্শ গ্রিন ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তোলা হবে’

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে (যবিপ্রবি) একটি আদর্শ 'গ্রিন ক্যাম্পাস' হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর ব্যক্ত করেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় সরকারের “৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি” বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ম্বরে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

সোমবার (২০ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির উদ্যোগে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে শুরু হয়। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়ক ধরে স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়ারুল কবীর উল্লেখ করেন যে, আমরা জীবনদশায় যে পরিমাণ অক্সিজেন গ্রহণ করি, তা গড়ে প্রায় ৭০টি গাছ যে অক্সিজেন দেয়, তার সমান। তাই তিনি পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে ও প্রকৃতির কাছ থেকে নেওয়া অক্সিজেনের ঋণ শোধ করতে আমাদের প্রত্যেকের জীবনে অন্তত একশটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন। তিনি আরও বলেন, যবিপ্রবি কেবল চারা রোপন করছে না, বরং এর যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করে ক্যাম্পাসকে একটি আদর্শ ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে গড়ে তুলতেও কাজ করে যাচ্ছে। মূল ক্যাম্পাসের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝিনাইদহ ক্যাম্পাসকেও আগামীতে ব্যাপকভাবে সবুজায়নের আওতায় আনা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি আসলে কোনো একদিনের বিষয় নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তিনি বলেন, সারা বছর জুড়ে আমাদের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালু থাকবে। তিনি আরও জানান, যদি আমরা পরিকল্পিত উপায়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারি, তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন, তা আমরা অবশ্যই অর্জন করতে পারব।

আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নামফলিত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তরের পাশে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ‘জিয়া ট্রি’র কর্মসূচির আদলে নিম গাছের চারা রোপনের মাধ্যমে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬’ এর উদ্বোধন করা হয় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দ্বারা। এরপর অতিথিবৃন্দ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্যরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ফলজ, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধনকারী গাছের চারা রোপণ করেন।

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন যবিপ্রবির কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. মরিয়াম জামিলা, ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল আমিন, ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আমিনুর রহমান, ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. ফারজান নাসরিন, প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান, প্রভোস্ট ড. ফারহানা ইয়াসমিন, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. মো. মঞ্জুরুল হক, এফএমবি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মো. মীর মোশাররফ হোসেন, পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ড. মোহাম্মদ নওশীন আমিন শেখ এবং সদস্য-সচিব সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ রিয়াজুল হকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ কমিটির সদস্য ড. মো. সাব্বির হোসেন।

আরও পড়ুন: চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮২টি খেলার মাঠ গড়ার উদ্যোগ : প্রশাসক

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০২ পি.এম


পশ্চিমবঙ্গে সব সরকারি কাজে বাধ্যতামূলক হলো বাংলা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সব প্রশাসনিক কার্যক্রমে আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে বাংলা ভাষা বাধ্যতামূলক হতে যাচ্ছে।

সোমবার (২০ জুলাই) রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় এই ঐতিহাসিক ঘোষণা দেন। এখন থেকে রাজ্য সরকারের সব স্তরের প্রশাসনিক কাজ বাংলায় পরিচালিত হবে। এমনকি রাজ্য পুলিশ ও কলকাতা পুলিশের থানাতেও এখন থেকে বাংলা ভাষায় এফআইআর (এফআইআর) করা যাবে।

সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ কলকাতায় দেশের প্রথম ভারতীয় ভাষা বিষয়ক শব্দ জাদুঘর ‘মিউজিয়াম অব ওয়ার্ডস’-এর উদ্বোধন করেন। সেখানে তিনি সর্বস্তরে মাতৃভাষার ব্যাপক প্রয়োগ ও প্রসারের আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেন। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে একটি চিঠিও দেন। যেখানে কেন্দ্র ও রাজ্যের যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইংরেজি পরিহার করে বাংলা ও হিন্দি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সেই বক্তব্যের পরদিনই রাজ্য বিধানসভায় এই বড় ঘোষণা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভায় বক্তব্য দেওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী প্রথমে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পাঠানো চিঠিটি পড়ে শোনান। এরপর তিনি বলেন, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে পশ্চিমবঙ্গের সব স্তরে বাংলা ভাষাকে বাধ্যতামূলকভাবে কার্যকর করা হচ্ছে। মাঝের এই সময়টুকুতে সরকারি দপ্তরে অনুবাদক নিয়োগসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি শেষ করা হবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, ভারত সরকার বা অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রেও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলা ভাষাতেই চিঠিপত্র আদান-প্রদান করবে। তবে ভারত সরকারের সঙ্গে বিশেষ যোগাযোগের সুবিধার্থে বাংলার পাশাপাশি হিন্দি ভাষাও ব্যবহার করা হবে।

বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, মাতৃভাষাকে সর্বোচ্চ স্তরে কার্যকর করার এই সিদ্ধান্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেশকে স্বাগত জানিয়েই গ্রহন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নির্বাচনের আগে বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা ভাষা তুলে দেবে বলে বিরোধীদের তোলা সব অভিযোগ ও জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিল বর্তমান রাজ্য সরকার।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফাইনালের পর এএফএর সংবর্ধনা এড়িয়ে মিয়ামিতে ফিরলেন মেসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৩ পি.এম


ফাইনালের পর এএফএর সংবর্ধনা এড়িয়ে মিয়ামিতে ফিরলেন মেসি

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনার শিরোপা ধরে রাখার স্বপ্ন ভেঙে গেল। ম্যাচ শেষ হওয়ার পর আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান না করে সতীর্থ রদ্রিগো দে পলকে সঙ্গে নিয়ে অধিনায়ক লিওনেল মেসি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে ফিরে গেছেন।

মেসি এবং দে পল দুজনেই মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মিয়ামির ফুটবলার। জাতীয় দলের দায়িত্ব শেষ করে তারা ক্লাবে যোগ দেওয়ার জন্য মিয়ামিতে ফিরে এসেছেন। ফলস্বরূপ, বুয়েনস আইরেসে এএফএর নির্ধারিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটিতে তারা উপস্থিত হতে পারেননি।

মেসি এবং দে পলের মতো, আরও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলারও দেশে ফেরার বহরে ছিলেন না। এদের মধ্যে এনসো ফার্নান্দেস, লাউতারো মার্তিনেস, হুলিয়ান আলভারেস, হেরোনিমো রুলি, নিকো পাজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নাহুয়েল মোলিনা এবং হুয়ান মুসো উল্লেখযোগ্য।

ফাইনাল ম্যাচের পর দলের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আসেন কেবল প্রধান কোচ লিওনেল স্কালোনি। আবেগাপ্লুত হয়ে স্কালোনি নিজের ভবিষ্যৎ বিষয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান। তিনি বলেন, "এখন একটু থেমে ভাবার সময় এসেছে।" ডিসেম্বরে তার বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে এবং তিনি এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে চান।

এদিকে, ম্যাচ শেষ হওয়ার কিছু ঘণ্টা পর এক বিবৃতিতে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপ জুড়ে পাওয়া ভালোবাসা, পতাকা, বার্তা, মিছিল এবং নিঃশর্ত সমর্থন আবারও প্রমাণ করেছে যে জাতীয় দলটি প্রতিটি আর্জেন্টাইনের হৃদয়ের অংশ।

এএফএ আরও জানায়, মাঠে থাকা প্রতিটি ফুটবলার সমর্থকদের সেই ভালোবাসা অনুভব করেছেন। যদিও শিরোপা ধরে রাখা সম্ভব হয়নি, তবে দল এবং সমর্থকদের এই সম্পর্ক জয় বা পরাজয়ের ঊর্ধ্বে বলা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হরমুজ পাড়ি দেওয়া বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক ফিরবেন মঙ্গলবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


হরমুজ পাড়ি দেওয়া বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক ফিরবেন মঙ্গলবার

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ এমভি বাংলার জয়যাত্রার ১৭ জন বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরছেন, যাদের আসার স্থান দক্ষিণ আফ্রিকা। মঙ্গলবার, অর্থাৎ ২১ জুলাই, তাদের দেশে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

বিএসসির প্রধান প্রকৌশলী রাশিদুল হাসান সোমবার, ২০ জুলাই, বলেন, আজ সন্ধ্যায় কিং শাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নাবিকরা দুবাই হয়ে এমিরেটসের একটি ফ্লাইটে ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করবেন। অগ্রবর্তী সময় অনুসারে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ২৫ মিনিটে তাদের হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর আশা করা হচ্ছে।

পারস্য উপসাগরে কয়েক মাসের অনিশ্চয়তা ও দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে নাবিকরা নৌযানের সমুদ্রযাত্রা শেষ করে দেশে ফিরছেন।

গত ২৩ জুলাই, এমভি বাংলার জয়যাত্রা জাহাজটি ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিয়ে সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে, যার মাধ্যমে আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে ১১৫ দিনের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুতে, ভারত থেকে হরমুজ প্রণালি পার হয়ে জাহাজটি পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে, কাতারের একটি বন্দরে স্টিল কয়েল বোঝাই করে ২৭ ফেব্রুয়ারি সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পৌঁছে।

কিন্তু ওই অঞ্চলে সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে, হরমুজ প্রণালি হতাশাজনকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ নৌপথে পরিণত হয়ে যায়। কয়েক দফা প্রচেষ্টা করেও, জাহাজটি উপসাগর ছাড়তে না পারায় সেখানে আটক পড়ে।

বিএসসির কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘ অপেক্ষার সময়কালের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও রাষ্ট্রায়ত্ত শিপিং করপোরেশন নাবিকদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে এবং নাবিকদের দেশে ফেরানোর জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মোহনপুরে পানের ঐতিহ্য পেল স্থায়ী প্রতীক, উন্মোচিত হলো পানের প্রতীকযুক্ত সীমানা পিলার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৪ পি.এম


মোহনপুরে পানের ঐতিহ্য পেল স্থায়ী প্রতীক,  উন্মোচিত হলো পানের প্রতীকযুক্ত সীমানা পিলার

জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত মোহনপুরের পানের ঐতিহ্য এবার পেল দৃশ্যমান পরিচয়। দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অবসান ঘটিয়ে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার প্রবেশমুখে নির্মিত হয়েছে পানের প্রতীক সম্বলিত সীমানা পিলার। স্থানীয়দের বিশ্বাস, এই প্রতীকী স্থাপনা শুধু উপজেলার সীমানা নির্দেশ করবে না, বরং কৃষিনির্ভর ঐতিহ্য, অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও ব্র্যান্ড পরিচিতিকে আরও সুদৃঢ় করবে।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলার মৌগাছি ইউনিয়নের বসন্তকেদার এলাকায় রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়কের পাশে নির্মিত সীমানা পিলারের ফলক উন্মোচন করেন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উপজেলার প্রবেশমুখে একটি পরিচয়বাহী সীমানা পিলার থাকা প্রয়োজন। দীর্ঘদিনের জটিলতা কাটিয়ে আজ মোহনপুরের এই সীমানা পিলারের উদ্বোধন করা হলো। জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃত মোহনপুরের পান এ উপজেলার ঐতিহ্য, অর্থনীতি ও স্বাতন্ত্র্যের অন্যতম প্রতীক।

তাহলে সীমানা পিলারে পানের প্রতীক সংযোজনের মাধ্যমে উপজেলার নিজস্ব পরিচয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সীমানা পিলারের পাশে ‘এক নজরে মোহনপুর’ শীর্ষক একটি তথ্যসমৃদ্ধ ব্যানার স্থাপনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে, যাতে দর্শনার্থীরা সহজেই উপজেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, কৃষি ও সম্ভাবনা সম্পর্কে জানতে পারেন।

জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে মোহনপুর উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মোহনপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিমা বিনতে আখতার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) জোবায়দা সুলতানা, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম, মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাস, বীর মুক্তিযোদ্ধা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

মohonpur এর পান বহু বছর ধরেই দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে আসছে। উপজেলার হাজারো কৃষকের জীবিকা ও স্থানীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি এই পান। জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর সেই ঐতিহ্যকে স্থায়ীভাবে তুলে ধরতেই নতুন সীমানা পিলারের শীর্ষে পানের প্রতীক সংযোজন করা হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী তারিকুল ইসলাম বলেন, মোহনপুরের প্রধান কৃষিপণ্য হলো পান। এখানকার পান দেশের বিভিন্ন জেলায় যায় এবং এর আলাদা সুনাম রয়েছে। তাই উপজেলার পরিচয়কে ফুটিয়ে তুলতেই সীমানা পিলারের ওপর পানের প্রতীক ব্যবহার করা হয়েছে। এটি শুধু একটি অবকাঠামো নয়, বরং মোহনপুরের কৃষি ঐতিহ্যের প্রতীক। ভবিষ্যতেও এমন জনবান্ধব উন্নয়নমূলক উদ্যোগ বাস্তবায়নের চেষ্টা থাকবে।

মৌগাছি ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মেজর আলী বিশ্বাস বলেছেন, এই সীমানা পিলার নির্মাণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা করা হয়েছে। নানা সীমাবদ্ধতার কারণে এতদিন তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে এলাকাবাসীর সেই প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে। পানের প্রতীক সংযোজনের মাধ্যমে মোহনপুরের পরিচয় আরও শক্তিশালী হলো।

বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোর্তজা বলেছেন, আমাদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল মোহনপুরের ঐতিহ্যকে ধারণ করে এমন একটি সীমানা পিলার নির্মাণ। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিয়েছে। এটি আমাদের গর্বের বিষয়। নতুন প্রজন্ম এই প্রতীক দেখে নিজেদের এলাকার ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।

স্থানীয়দের মতে, আধুনিক সময়ে একটি এলাকার পরিচিতি ও ব্র্যান্ডিং গড়ে তুলতে প্রতীকী স্থাপনার গুরুত্ব অপরিসীম। জিআই স্বীকৃত পানের প্রতীক বহনকারী এই সীমানা পিলার মোহনপুরকে দেশের মানচিত্রে নতুনভাবে পরিচিত করবে। একই সঙ্গে কৃষিভিত্তিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন সম্ভাবনা বৃদ্ধি এবং স্থানীয় পরিচয়কে জাতীয় পর্যায়ে আরও দৃশ্যমান করে তুলতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%