ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩ হুথি সদস্য


ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত ৩ হুথি সদস্য

ইয়েমেনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় তাইজ প্রদেশে ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর পরিচালিত ড্রোন হামলায় অন্তত তিন হুথি নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায়, মাঠপর্যায়ের কয়েকজন কমান্ডারসহ আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে দেশটির সামরিক বাহিনী।

শনিবার (১৫ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সাবা টিভির বরাতে সামরিক বাহিনী জানায়, পশ্চিম তাইজের মাকবানাহ ফ্রন্টে হুথিদের অবস্থান, সমাবেশ ও যানবাহনকে লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা চালানো হয়।

সামরিক সূত্রের দাবি অনুযায়ী, হামলায় তিন হুথি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন। এ হামলায় আহতদের মধ্যে কয়েকজন মাঠপর্যায়ের কমান্ডারও আছেন। তবে এই হামলার বিষয়ে হুথিদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারীদের গুলিতে আহত সেনাসদস্য মো. তিতাস শেখের মৃত্যু

ইয়েমেনে চলমান যুদ্ধের মধ্যে ১২ বছর ধরে সংঘাত চললেও, ২০২২ সালের এপ্রিল থেকে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত ছিল। হুথিরা ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে রাজধানী সানা এবং দেশের বেশ কয়েকটি শহর ও প্রদেশের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।

তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মারিব, আল-জাওফ, আল-দালিয়া ও তাইজসহ কয়েকটি প্রদেশে সংঘর্ষের পরিমাণ আবারও বেড়েছে। পাশাপাশি, ইয়েমেন বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি।

আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ইয়েমেনি সরকারকে সৌদি নেতৃত্বাধীন একটি জোট সমর্থন করছে। অন্যদিকে, ইরান হুথিদের সমর্থন দিচ্ছে এমন অভিযোগও রয়েছে। গত জুলাই মাসে হুথিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমুদ্র অবরোধের ঘোষণা দিয়েছিল। তথ্যসূত্র: আনাদোলু এজেন্সি।

আরও পড়ুন: টেকনাফে মানবপাচারকারী চক্রের সঙ্গে যৌথ বাহিনীর গুলি বিনিময়ে সেনাসদস্য আহত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫২ এম


অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক জয়ে টাইগারদের অভিনন্দন জানালেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে খেলতে গিয়ে বাংলাদেশ দল ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে।

এই জয়ের মাধ্যমে অজিদের মাটিতে টেস্ট জয়ের খরা কাটিয়েছে টাইগাররা।

দলের এই সাফল্যের জন্য যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, ও ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) ডারউইনে ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ের পর একটি অভিনন্দন বার্তায় প্রতিমন্ত্রী বলেন, "অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তাদের শক্তিশালী ক্রিকেট দলের বিরুদ্ধে মাত্র ৪ দিনে ৯ উইকেটের এই অবিস্মরণীয় জয় কেবল ঐতিহাসিক নয়, বরং বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন এক স্বর্ণযুগের সূচনা।"

তিনি বলেন, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বে পুরো দল ব্যাটে-বলে যে আত্মবিশ্বাস ও দাপট দেখিয়েছে, তা ১৭ কোটি বাঙালিকে চরম গর্বিত ও আনন্দিত করেছে।

৫ দিনের লড়াকু মানসিকতার যে লক্ষ্য অধিনায়ক শান্ত রেখেছিলেন, দল তার চেয়েও নিখুঁত পারফরম্যান্সে ১১তম সেশনেই এই জয় ছিনিয়ে এনেছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের এই ঐতিহাসিক জয় দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে।"

ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল বিশ্বমঞ্চে জয়ের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের নাম আরও উঁচুতে তুলে ধরবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

প্রসঙ্গত, ডারউইনে আগে ব্যাট করতে নেমে অজিরা ১৯৮ রান করেছিল।

এরপর নিজেদের প্রথম ইনিংসে নেমে বাংলাদেশ ৪২৬ রান করে লিড পায়।

দ্বিতীয় ইনিংসে স্বাগতিকরা ২৮৪ রানে অলআউট হলে টাইগারদের ৫৬ রানের মামুলি লক্ষ্য পায়।

জবাব দিতে নেমে সফরকারী ৯ উইকেট ও পুরো একদিন বাকি থাকতেই জয় তুলে নেয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যায় চা শিল্পে স্থবিরতা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সিলেট প্রতিনিধি

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৪ এম


সিলেটে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যায় চা শিল্পে স্থবিরতা

সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে চা শিল্পে চরম স্থবিরতা নেমে এসেছে।  দেশের প্রধান চা উৎপাদনকারী এ অঞ্চলের বিভিন্ন বাগানের কারখানায় সময়মতো কাঁচা চা পাতা প্রক্রিয়াজাত করা যাচ্ছে না। বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে কাটিং, রোলিং, উইদারিং, সর্টিংসহ অধিকাংশ যন্ত্রপাতির কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে গ্যাসের চাপ কম থাকায় ড্রায়িং বা চা পাতা শুকানোর প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি জুলাই-আগস্ট চা উৎপাদনের পিক-সিজন। এ সময়ে উৎপাদন ব্যাহত হলে শুধু তাৎক্ষণিক আর্থিক ক্ষতিই নয়, চায়ের গুণগত মান ও বার্ষিক উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাতেও বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে।
শনিবার রাতে সিলেট বিসিকের একটি সূত্র জানায়, শিল্পকারখানায় গ্যাস সরবরাহ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখার কথা জানিয়েছিল জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ। তবে পরে জালালাবাদ গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানায়, সাগর উত্তাল থাকায় এলএনজি খালাসে সাময়িক সমস্যা হয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় গ্যাস সরবরাহও স্বাভাবিক হয়েছে।
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গ্যাস সরবরাহ হলেও চাপ কম। আর বিসিক গোটাটিকর এলাকায় (শনিবার) লোডলেডিং হয়েছে ৭  থেকে ৮ বার।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, সিলেট বিভাগে রয়েছে বিপুলসংখ্যক চা বাগান। এর মধ্যে সিলেট জেলায় ১৯টি,  মৌলভীবাজারে ৯১টি ও হবিগঞ্জে ২৫টি বাগান রয়েছে। প্রতিটি বাগানে আলাদা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা না থাকলেও বড় ও কেন্দ্রীয় কারখানায় আশপাশের একাধিক বাগানের কাঁচা পাতা প্রক্রিয়াজাত করা হয়। পুরো সিলেট অঞ্চলে চা উৎপাদনের জন্য নিবন্ধিত ও সক্রিয় কারখানার সংখ্যা আনুমানিক ৭০ থেকে ৮০টি। এ অঞ্চলে এক লাখের বেশি স্থায়ী ও অস্থায়ী চা শ্রমিক কর্মরত। চা জনগোষ্ঠীসহ সংশ্লিষ্ট মানুষের সংখ্যা প্রায় পাঁচ লাখ।
চা কারখানা সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে দিনে গড়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে কারখানার মেশিনারি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে একবার বিদ্যুৎ চলে গেলে কাটিং, রোলিং ও অন্যান্য মেশিন বন্ধ হয়ে যায়। বিদ্যুৎ ফিরে এলেও সব মেশিন তাৎক্ষণিক ভাবে চালু করা সম্ভব হয় না।
সিলেটের চা শ্রমিকদের ভ্যালী সভাপতি রাজু গোয়ালা বলেন, প্রতিদিন গড়ে সাত-আটবার লোডশেডিং হচ্ছে। ফ্যাক্টরিতে একবার মেশিন বন্ধ হলে তা আবার চালু হতে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগে। এর মধ্যে গ্যাসের চাপও কম। ফলে ড্রায়িং প্রসেসে চা পাতা ঠিকমতো শুকাচ্ছে না। এতে চায়ের গুণগত মানও খারাপ হচ্ছে।
চা উৎপাদনের দিক থেকে জুলাই ও আগস্ট সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে উৎপাদন ব্যাহত হলে পুরো বছরের উৎপাদনে তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড সারা দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি বা ১০৪ মিলিয়ন কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। কিন্তু চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে এ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।


তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৫ এম


ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর ইন্দোনেশিয়ায় ত্রাণের অপেক্ষায় হাজারো মানুষ

ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস দ্বীপে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর, রোববারেও হাজার হাজার মানুষ জরুরি সহায়তার জন্য অপেক্ষা করছেন। শনিবার ভোরে আঘাত হানা ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পের ফলে এখন পর্যন্ত ৪৮ জন নিহত এবং অন্তত ১০১ জন আহত হয়েছেন। এই ভূমিকম্পে শত শত বাড়িঘর ও বিভিন্ন স্থাপনা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

খবরটি বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার বিএনপিবির মুখপাত্র বার্তন সুয়ার পেলিতা পানজাইতান জানান, ভূমিকম্পের পর প্রায় ৫ হাজার মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ভূমিকম্পের কিছু ঘণ্টার মধ্যে ৩৪১টি আফটারশক অনুভূত হয়েছে।

কয়েকটি এলাকায় বিদ্যুৎ ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। জরুরি ত্রাণ পৌঁছানোর জন্য একটি সড়কও এখনো ব্যবহারযোগ্য হয়নি।

ফ্লোরেসের উত্তর উপকূলের নাঙ্গাহালে গ্রামের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী উমরি এএফপিতে বলেন, ‘আমাদের খাবার, পানি, ওষুধ এবং শিশুদের জন্য ডায়াপার দরকার।’ ভূমিকম্পের পর তিনি বাড়িতে ফিরতে ভয় পেয়ে গত ২৪ ঘণ্টা ধরে অন্যদের সঙ্গে একটি পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থান করছেন।

একই পাহাড়ে রাত কাটানো ৫৫ বছর বয়সী নুরহিদায়াতি বলেন, ‘আমি এখনো খুব আতঙ্কিত। গতকালের ভূমিকম্পের কথা মনে পড়লে বুক ধড়ফড় করছে। আমরা গতকাল শুধু দৌড়ে এখানে উঠে এসেছিলাম। আমি এখনো খুব ভয় পাচ্ছি। ১৯৯২ সালের ভূমিকম্পের স্মৃতি এখনো আমাকে তাড়া করে। তাই বাড়িতে ফিরতে সাহস করছি না।’

১৯৯২ সালে ফ্লোরেসে ৭ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল। ওই ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

নুরহিদায়াতি এ বিষয়ে আরও জানান, ‘সরকার দ্রুত আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেবে- এটাই আশা করছি।’

বিএনপিবির মুখপাত্র বার্তন জানান, আহত ১০১ জনের খবর পাওয়া গেছে। তিনি এক বিবৃতিতে বলেন, ‘প্রাণহানির পাশাপাশি সমুদ্রের কাছে সংঘটিত এই ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, যার ফলে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়েছে।’

তিনি জানান, দুর্গতদের জন্য জরুরি ত্রাণ সামগ্রী যেমন তাঁবু, খাবার, ওষুধ, কম্বল, খাট, মাদুর, বিশুদ্ধ পানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য জেনারেটর প্রয়োজন।

শনিবার রাতে রোববার সকাল পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আরেকজন বেড়ে গেছে।

স্থানীয় অনুসন্ধান ও উদ্ধার কর্মকর্তা ফাথুর রহমান রোববার এএফপিকে জানান, এখনও পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছেন বা নিখোঁজ রয়েছেনÑএমন খবর পাওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা শুধু উদ্ধার ও অনুসন্ধানের কাজে মনোযোগ দিচ্ছি এবং পুরো এলাকা তল্লাশি করছি।’

ভূতাত্ত্বিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ফ্লোরেসের উত্তর উপকূলের অদূরে সমুদ্রের নিচে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উঁচু ভবন খুব কম থাকায় বড় ধরনের ভবনধসের ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম।

বিএনপিবির তথ্য অনুযায়ী, অন্তত ৯১৪টি বাড়ি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া আরও শত শত বাড়ি কমবেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ভূমিকম্পে বহু সরকারি ও জনসেবা প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ৩৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং ৩৮টি সরকারি কার্যালয় রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেনে বন্যায় দুই নারীর মৃত্যু, আহত দুই শিশু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১৬ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

১১:৫৭ এম


স্পেনে বন্যায় দুই নারীর মৃত্যু, আহত দুই শিশু

প্রবল বৃষ্টির ফলে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে শনিবার উত্তর-পশ্চিম স্পেনের গ্রামীণ এলাকায় দুই বয়স্ক নারীর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুই শিশু আহত হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

কাস্তিল ও লেওন অঞ্চলের জরুরি সেবা বিভাগ জানাতে সক্ষম হয়েছে যে, দুর্ঘটনার স্থানটি ছোট্ট গ্রাম মানজানেদো দে ভালদুয়েজা। সেখানে ‘প্রায় ৬০ ও ৮০ বছর বয়সী দুই নারীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।’

মাদ্রিদ থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ করেছে।

তারা জানায়, আহত দুই শিশুকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে শরীরে আঘাতের কারণে। অন্যদিকে, ৮০-এর কোঠায় বয়সী এক ব্যক্তি নিখোঁজ ছিলেন, কিন্তু পরে তাকে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাস্থলে দমকলকর্মী, পুলিশ, অ্যাম্বুলেন্স ও সিভিল গার্ডের সদস্যরা পাঠানো হয়। উদ্ধারকারী একটি হেলিকপ্টার থেকে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, ঘটনাস্থলটি চারপাশে পাহাড় ও বনভূমি ঘেরা এলাকায় অবস্থিত।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, পাথর ও কাদার ধূসর স্রোত গ্রামের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে একটি গাড়ি পুরোপুরি চাপা পড়ে গিয়েছে।

কাছের শহর পনফেরাদার মেয়র মার্কো মোরালা সাংবাদিকদের বলেন, ‘পাহাড়ে তীব্র ঝড়ের কারণে পাথর, কাদা ও পলির বড় স্রোত নেমে আসে।’

এতে দুই নারীর মৃত্যু ঘটে। মোরালা আরও জানান, পাশাপাশি বুজাস গ্রামে এই দুর্যোগে সম্পদের ক্ষতি হয়েছে।

সরকারি ছুটির দিনে এই বন্যাটি আঘাত হানে। স্পেন গত কয়েক সপ্তাহ ধরে বিপরীত ধরণের চরম আবহাওয়ার সঙ্গে লড়াই করছে। দেশটির বিভিন্ন জায়গায় তাপপ্রবাহ ও দাবানল দেখা দিয়েছে।

মানজানেদো দে ভালদুয়েজা লেওন প্রদেশে অবস্থিত, যেখানে ২০২৫ সালে স্পেনের ভয়াবহতম দাবানলগুলোর কয়েকটি সংগঠিত হয়েছিল। ইউরোপীয় ফরেস্ট ফায়ার ইনফরমেশন সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছরে রেকর্ড পরিমাণ বনভূমি পুড়ে যায়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%