১১:০০ এম
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ থাকা সত্ত্বেও ইরান চারটি দেশকে ছাড় দিয়েছে। ভারত, চীন, ইরাক এবং কাতারকে এই সুবিধা দেওয়ার পেছনে ইরান উল্লেখযোগ্য লাভ দেখছে। তবে, এই সুবিধার সঙ্গে কিছু শর্তও রয়েছে।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দাম জানিয়েছেন, এই সুবিধার বিনিময়ে ভারত থেকে ওষুধ এবং চীনের কাছ থেকে রাজনৈতিক সমর্থন পাবে তেহরান।
এছাড়া, ভারত ও চীনের জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি আদায় করবে ইরান। কাতারের জাহাজ বিনা শুল্কে চলাচল করবে। তবে, অন্যান্য দেশগুলো কবে এবং কখন হরমুজে চলাচলের সুযোগ পাবে, সে বিষয়ে তেহরান কোনো তথ্য জানায়নি।
আরও পড়ুন: হরমুজে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তিন জাহাজে আগুন
নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং লিবিয়ায় অস্ট্রিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুস্তাই ইরানের এই সিদ্ধান্তকে কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করছেন।
তিনি কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরাকে বলেছেন, "বিভিন্ন কারণে এটি তেহরানের একটি কৌশলী পদক্ষেপ।" তিনি আরও জানান, উদ্যোগটি সফল হলে ইরানের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আয় হবে, কারণ চীন ইরানের অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা।
পুস্তাই বলেন, কাতার ও ভারতকে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলের প্রতি সমর্থন দুর্বল করার চেষ্টা করছে ইরান। বিশেষ করে কাতারের জাহাজকে ট্রানজিট ফি দিতে হচ্ছে না।
তিনি উল্লেখ করেন, কাতারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বহু ক্রেতা রয়েছে, তাই দেশটির জাহাজ চলাচলে ছাড় দেওয়াও ইরানের কৌশলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আরও পড়ুন: গুগল ওয়াইওমিংয়ে ১৭ বিলিয়ন ডলারে ডেটা সেন্টার নির্মাণ করছে
তবে, এই ছাড় যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধের সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের বন্দর থেকে আসা-যাওয়া করা সব দেশের জাহাজই অবরোধের আওতায় থাকবে। তবে, ইরানের বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, এমন জাহাজের চলাচলে বাধা নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন