০৪:২৬ পি.এম
পাবনার ঈশ্বরদীতে এক গৃহবধূর বিরুদ্ধে তার ভাতিজার দ্বারা ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যেখানে অভিযোগ করা হয়েছে যে, চার বছর বয়সী শিশুসন্তানকে হত্যার ভয় দেখানো হয়েছে। এই ঘটনা মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) দুপুরে উপজেলার সলিমপুর ইউনিয়নের বক্তারপুর গ্রামের একটি হলুদ ক্ষেতে সংঘটিত হয়।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ অভিযোগে উল্লেখ করেছেন যে, তার স্বামীর বড় ভাইয়ের ছেলে শিবলু মৃধা একমাত্র অভিযুক্ত। অভিযুক্ত শিবলু মৃধা বক্তারপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. ইনছান মৃধার সন্তান।
লিখিত অভিযোগ ও ভুক্তভোগীর পরিবারের সূত্রে জানা যায়, ঘটনার দিন মঙ্গলবার ভোরে আনুমানিক ৪টার দিকে গৃহবধূর স্বামী কাজের সন্ধানে মেহেরপুরের গাংনীতে চলে যান। দুপুরের দিকে, গৃহবধূ প্রতিবেশী এক স্বজনের সঙ্গে বক্তারপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মাঠে ছাগল চরাতে যান।
আরও পড়ুন: বাংলাদেশের পোশাকশিল্প: সংকট ও উত্তরণের জন্য জাতীয় কর্মপরিকল্পনার প্রয়োজন
দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে শিবলু সেখানে এসে গৃহবধূকে জানায় যে, তার ছোট ছেলের কোমরের নিচের অংশ কেটে রক্ত বের হচ্ছে। সন্তানের দুর্ঘটনার খবর শুনে গৃহবধূ দ্রুত বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, বাড়ি ফেরার পথে বক্তারপুর মধ্যপাড়া গ্রামের হায়দার নামের এক ব্যক্তির হলুদ ক্ষেতের কাছে পৌঁছালে শিবলু ধারালো হাসুয়া উঁচিয়ে শিশুটিকে হত্যার ভয় দেখায়। এরপর জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ।
ভুক্তভোগী নারী জানান, ঘটনার পরপরই তিনি অভিযুক্তের মা ও বোনকে বিষয়টি জানান। পরে মোবাইল ফোনে স্বামীকেও ঘটনাটি জানান। খবর পেয়ে তার স্বামী মেহেরপুর থেকে বাড়িতে ফিরে স্বজনদের সঙ্গে আলোচনা করে ঈশ্বরদী থানায় লিখিত অভিযোগ করেন।
ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশাদুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে এক নারী ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেন। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্তকে গ্রেফতারে পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করেছে।
আরও পড়ুন: তেল-সার-গার্মেন্টসকে কেন্দ্র করে ষড়যন্ত্র চলছে: ত্রাণমন্ত্রী
ওসি আরও জানান, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে পুলিশি হেফাজতে রাখা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষার জন্য তাকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন