০৬:৩৪ পি.এম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছরের শেষের দিকে ইসরায়েলকে প্রদত্ত মার্কিন সামরিক সহায়তা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন। তবে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই পদক্ষেপকে দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন না। নেতানিয়াহুর দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সামরিক সহায়তা বন্ধের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্কের ‘শক্তি ও পরিপক্কতার’ প্রতিফলন।
এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহুর কার্যালয় উল্লেখ করেছে, “ইসরায়েলকে প্রদত্ত মার্কিন সামরিক সহায়তা সবসময় দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার ভিত্তিতে এসেছে। ইসরায়েল এই সহায়তা ব্যবহার করেছে নিজেদের আত্মরক্ষা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের জন্য হুমকি হয়ে ওঠা শত্রুদের মোকাবেলা করতে।”
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, “প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই উদ্যোগ সহায়তানির্ভর সম্পর্ক থেকে পারস্পরিক অংশীদারত্বের দিকে রূপান্তরকে নির্দেশ করে। এটি আমাদের সম্পর্কের শক্তি, পরিপক্কতা এবং সময়ের সাথে টিকে থাকার সক্ষমতা প্রমাণ করে।”
আরও পড়ুন: ইন্দোনেশিয়ায় প্রেসিডেন্টের ফোনে আড়িপাতার অভিযোগে চিফ অব স্টাফ গ্রেপ্তার
তবে, ট্রাম্পের এই আকস্মিক ঘোষণায় ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিস্ময় সৃষ্টি হয়েছে। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজোগ বৃহস্পতিবার এই সিদ্ধান্তকে ‘মেঘ ছাড়া বজ্রপাত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
অন্যদিকে, নেতানিয়াহুর মুখপাত্র ডোরন স্পিলম্যান ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “কয়েক দশক ধরে ডেমোক্র্যাট এবং রিপাবলিকান—উভয় মার্কিন প্রশাসনই বুঝেছে যে ইসরায়েলকে দেওয়া সামরিক সহায়তা প্রকৃতপক্ষে পশ্চিমা বিশ্বের জন্য বিপজ্জনক শত্রুদের মোকাবিলাতেই সাহায্য করে।”
তিনি আরও বলেন, “এই সহায়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে কাজ করছেন যাতে সহায়তা নির্ভরতা থেকে বের হয়ে সঠিক উপায়ে পারস্পরিক বিনিয়োগ ও অংশীদারত্বের সম্পর্কে রূপান্তর ঘটানো যায়।” সূত্র: ফক্স নিউজ।
আরও পড়ুন: পুতিনের দূতের সাথে বৈঠক করে ট্রাম্পের বড় ইউরোপীয় নিরাপত্তা চুক্তির ইঙ্গিত
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন