০৫:২৪ পি.এম
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে।
এটি সোমবার (২২ জুন) জনস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় রিট আবেদনটি দায়ের করেন আপিল বিভাগের আইনজীবী ও ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস. এম. জুলফিকুর আলী (জুনু)।
এই রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) মহাপরিচালক, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার, সিআইডির প্রধান এবং সিআইডি সাইবার পুলিশ সেন্টারের প্রধানকে বিবাদী করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান, দেশে আলাদা অ্যান্ডোক্রাইন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করতে হবে
রিট আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে বেশ কিছু অনলাইন পোর্টাল, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। এই কর্মকাণ্ড জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি জনগণের আস্থার ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।
আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ইতিপূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য লিখিত আবেদন জানানো হলেও, দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়নি। তাই জনস্বার্থে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্টের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনে বিতর্কিত অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোর কার্যক্রম তদন্ত করা, প্রকৃত মালিকানা ও নিবন্ধন যাচাই করা, আইনবিরোধী কনটেন্টের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট লিংক বা প্ল্যাটফর্ম বন্ধ (ব্লক) করা এবং অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী আইনজীবী এস. এম. জুলফিকুর আলী (জুনু) বলেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা গণতন্ত্রের অন্যতম ভিত্তি। তবে তিনি জানান, মিথ্যা তথ্য, গুজব, সাইবার হয়রানি ও মানহানিকর প্রচারণা কোনোভাবেই মতপ্রকাশের স্বাধীনতার আওতাভুক্ত নয়। রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি, আইনের শাসন এবং জনস্বার্থ রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। রিট আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনলাইন কনটেন্ট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট এবং পূর্বে দাখিলকৃত প্রতিনিধিত্বপত্র সংযুক্ত করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: পরিবারের সবাইকে বাঁচিয়ে নিজেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ওপারে পাড়ি জমালেন অর্জুন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন