ঢাকা সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০২ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ১৭ই কার্তিক, ১৪৩২বাং

ঢাকাসহ ৮ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস


ঢাকাসহ ৮ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস

দেশের আটটি বিভাগের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রোববার (১ নভেম্বর) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার (৩১ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে, দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার দুপুরে একই এলাকায় নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া, তাপমাত্রা বাড়তে পারে

এদিকে, রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী সময়েও দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় সারা দেশে রাত ও দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এর আগে শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়া পূর্বাভাসে জানানো হয়েছিল, দেশের আট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় রাজধানী ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৭৪ শতাংশ। এ সময় পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৮ থেকে ১২ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছিল। রোববার ঢাকায় সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৫ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ১৯ মিনিটে।

আরও পড়ুন: লঘুচাপ নিম্নচাপে পরিণত, সমুদ্র বন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইরান নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে, লেবাননের প্রক্সি বাহিনী তিন মাস ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


ইরান নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে, লেবাননের প্রক্সি বাহিনী তিন মাস ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ফ্রন্ট খুলতে পারে যদি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সংঘাত নতুন করে শুরু হয়। লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা কম। তবে ইরানের শাসকগোষ্ঠীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়লে গোষ্ঠীটি যুদ্ধে অংশ নিতে পারে।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম জেরুজালেম পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই তথ্য এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ন্যাশনালের একটি প্রতিবেদনের ভিত্তিতে।

লেবাননের একটি জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, সামরিক সক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়লেও যদি ইরানের শাসনব্যবস্থার টিকে থাকা হুমকির সম্মুখীন হয়, তাহলে হিজবুল্লাহ যুদ্ধে জড়াতে পারে।

তিনি আরও বলেন, গোষ্ঠীটি মনে করে যে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হলে এই ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করা হবে।

ওই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, খামেনি নিহত হলে হিজবুল্লাহ কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আগেই অবহিত করেছে গোষ্ঠীটির প্রতিনিধিরা।

গত মাসে ইসরাইলি সম্প্রচারমাধ্যম কান জানিয়েছিল, দক্ষিণ লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় এখনও হিজবুল্লাহর যোদ্ধাদের উপস্থিতি রয়েছে। তারা সেখানে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি নিজেদের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনের কাজ করছেন।

এদিকে, রয়টার্স লেবাননের নিরাপত্তা সূত্রের বরাতে জানিয়েছে, ইসরাইলের সঙ্গে নতুন করে সংঘাত শুরু হতে পারে—এমন আশঙ্কায় অন্তত তিন মাস ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে হিজবুল্লাহ। গোষ্ঠীটি এ জন্য ইরানের কাছ থেকে অর্থও পেয়েছে।

সূত্রগুলো দাবি করেছে, সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে হিজবুল্লাহ ইরান থেকে কয়েক কোটি ডলার পেয়েছে। এর বাইরে, আগে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা প্রায় ২০ কোটি ডলারের অর্থও রয়েছে।

রয়টার্সের সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, হিজবুল্লাহ বিস্ফোরক সংগ্রহ, ড্রোন তৈরি এবং নিজেদের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা পুনরুদ্ধারের কাজ করছে।

তবে হিজবুল্লাহর গণমাধ্যম দপ্তর এসব ব্যবস্থা অকার্যকর হয়ে পড়ার দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে হিজবুল্লাহর অর্থায়ন বন্ধে ওয়াশিংটনের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে মমতা-অভিজিৎ দীপকের বৈঠক, তরুণদের আন্দোলনের প্রশংসা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


দিল্লিতে মমতা-অভিজিৎ দীপকের বৈঠক, তরুণদের আন্দোলনের প্রশংসা

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার (৩১ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত এ সৌজন্য সাক্ষাতে তরুণদের আন্দোলনকে প্রশংসা করেছেন এবং তাদের সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী। অন্যদিকে, মমতাকে আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিজিৎ।

রোববার দিল্লির রামলীলা ময়দানে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের সমাবেশ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। এর আগের দিনই দিল্লিতে পৌঁছান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে অভিজিৎ দীপকের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়।

বৈঠক শেষে মমতা জানান, আগামী দিনের কর্মসূচিতে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিনিধিরা তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। তরুণদের আন্দোলন ও উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আগামীকালের কর্মসূচিতে ওরা সমর্থন জানিয়েছেন। আমি ওদের নিয়ে অত্যন্ত গর্বিত। শুধু আমিই নই, এই আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং প্রতিষ্ঠাতা ওরাই। ওদের সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছি আমরাও। এসআইআর আন্দোলন আমরাই শুরু করেছিলাম।’

এ সময় ককরোচ জনতা পার্টির নেতাদের পশ্চিমবঙ্গে আসার আমন্ত্রণ জানান মমতা। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের জন্য তরুণেরা ভালো কাজ করছেন। তবে কলকাতায় দলটি কোনো সভা করবে কি না, সে সিদ্ধান্ত তাদেরই নিতে হবে বলে জানান তৃণমূল নেত্রী।

অন্যদিকে, অভিজিৎ দীপক বলেন, যন্তর মন্তরে তাদের আন্দোলনের সময় থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাশে দাঁড়িয়েছেন। তরুণদের আন্দোলনকে তিনি ধারাবাহিকভাবে সমর্থন করে আসছেন। সৌরভ ও আশুতোষকে গ্রেফতারের সময়ও মমতা দৃঢ় অবস্থান নিয়েছিলেন। এসব কারণে তাকে ধন্যবাদ জানাতেই এই সাক্ষাৎ করেছেন তিনি।

অভিজিতের বক্তব্যের পর তার পিঠে হাত রেখে মমতা বলেন, তরুণদের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব।

উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর অভিজিৎ দীপককে আটক করে দিল্লি পুলিশ। জাতীয় পতাকা হাতে নেওয়ার কারণে তাকে আটক করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তখন দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, স্বাধীন ভারতে গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে কেন তরুণ প্রজন্মকে আটক হতে হবে। ভিন্নমত প্রকাশকারীদের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

অভিজিৎ, আশুতোষ ও সৌরভকে ভারতের যুবসমাজের সাহস, বিবেক ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে মমতা বলেছিলেন, তাদের কণ্ঠরোধ করে গণতন্ত্রের চেতনাকে দমিয়ে রাখা যাবে না।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ এম


দিল্লিতে ইন্ডিয়া জোট ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে উত্তেজনা

ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আজ ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বিক্ষোভে অংশ নিতে যাচ্ছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ‘ইন্ডিয়া জোট’। ‘চলো দিল্লি’ পদযাত্রাটি দুপুর ১২টায় মধ্য দিল্লির মিন্টো রোড-রাজীব চৌক এলাকা থেকে শুরু হয়ে রামলীলা ময়দানে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ১৯৮৪ সালের শিখবিরোধী দাঙ্গার স্মরণে পাল্টা সমাবেশের আয়োজন করেছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। দু’পক্ষের পাল্টাপাল্টি সমাবেশের কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে।

বিক্ষোভ কর্মসূচির প্রেক্ষিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। রামলীলা ময়দানে ১০ হাজার পুলিশ এবং আধা সামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। প্রতিবাদস্থলের আশপাশে ব্যারিকেড স্থাপন করা হয়েছে।

রাহুল গান্ধীসহ কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের পাশাপাশি রোববার দিল্লিতে একাধিক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও সাবেক মুখ্যমন্ত্রীদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

বিরোধী জোটের এই কর্মসূচিকে সমর্থন জানিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আইসা নেত্রী নেহা বোরাও রামলীলা ময়দানে সমর্থকদের জমায়েতের আহ্বান জানিয়েছেন। আয়োজকদের দাবি, রাজধানীতে ১০ লাখ মানুষের সমাবেশ হতে পারে।

এদিকে, কর্মসূচি উপলক্ষে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। যন্তর মন্তর এবং নির্বাচন কমিশনের কার্যালয়ের সামনে জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১ই নভেম্বর, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে

সম্প্রতি ‘রিকনসিলিয়েশন’ নিয়ে কিছু আলোচনা শোনা যাচ্ছে। রিকনসিলিয়েশন শব্দের অর্থ হলো পুনর্মিলন, সমঝোতা অথবা বিরোধ মিটিয়ে সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। ব্যক্তিগত এবং সামাজিক জীবনে এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন নেই। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সংঘাত কমানো এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান প্রতিষ্ঠার জন্য আলোচনা হতে পারে। তবে আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশনের প্রসঙ্গ উঠলে বাংলাদেশের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু মৌলিক প্রশ্নের উত্তর প্রয়োজন।

কাদের সঙ্গে এই সমঝোতা হবে? কী শর্তে? কার উদ্যোগে? জনগণের কোন প্রয়োজন পূরণের জন্য? সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—এই উদ্যোগ কি ন্যায়বিচার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে, নাকি অতীতের অন্যায়-অপরাধের দায় মিটমাট করে একটি রাজনৈতিক নেতৃত্বকে পুনর্বাসনের পথ তৈরি করবে?

লেখকের অবস্থান স্পষ্ট—দেশের সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে দায়মুক্তিমূলক রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজন নেই। প্রয়োজন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের কার্যকর সমাধান এবং রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।

দেশের মানুষকে নিরাপত্তা ও স্বস্তি দিতে পারলে, তাদের অধিকার নিশ্চিত করতে পারলে এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকর করতে পারলেই স্থিতিশীলতার ভিত্তি শক্ত হবে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতাকে সেই কাজগুলোর পূর্বশর্ত হিসেবে দেখার যুক্তি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

এই রিকনসিলিয়েশনের আলোচনার পেছনে কার কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। তবে কিছু মানুষ হয়তো ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সম্ভাব্য উত্থান কিংবা ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক ভারসাম্য নিয়ে উদ্বেগ থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতার প্রয়োজন অনুভব করছেন। যদি এমন উদ্বেগ থাকে, তবে তা নিয়ে প্রকাশ্য আলোচনা হতে পারে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলার জন্য আরেকটি শক্তির অতীতের দায়কে গৌণ করে দেখা হবে গুরুতর রাজনৈতিক ভুল।

রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মোকাবিলা করতে হবে জনসমর্থন, গ্রহণযোগ্য কর্মসূচি, কার্যকর নেতৃত্ব এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করার মাধ্যমে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সমঝোতা ছাড়া দেশ পরিচালনা কঠিন হয়ে পড়বে—এমন ধারণা জনগণের সামর্থ্য ও রাষ্ট্রের সম্ভাবনাকেই খাটো করে।

বিএনপিকে এ বিষয়ে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন, ত্যাগ ও নির্যাতনের অভিজ্ঞতা বহনকারী একটি দলের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম এবং আওয়ামী লীগের অপরাধী নেতৃত্বের রাজনৈতিক পুনর্বাসন এক বিষয় নয়। রাজনৈতিক কৌশলের হিসাব করতে গিয়ে সেই পার্থক্য ভুলে গেলে দলের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আস্থায় আঘাত লাগবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আওয়ামী লীগের দীর্ঘ দুঃশাসন ভোলার নয়। আজ যে অবক্ষয়ের মধ্যে আমরা আছি, তা রাতারাতি তৈরি হয়নি; এর প্রতিকারও কোনো রাজনৈতিক সমঝোতার ঘোষণায় হয়ে যাবে না।

আজ তরুণদের আচরণ, অসহিষ্ণুতা কিংবা সমাজে প্রতিহিংসার বিস্তার দেখে উদ্বিগ্ন হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি তাদের কী শিক্ষা দিয়েছে, সে প্রশ্নও করতে হবে। যুক্তির পরিবর্তে শক্তি, যোগ্যতার পরিবর্তে পরিচয় এবং অধিকারের পরিবর্তে আনুগত্যকে গুরুত্ব দিলে সমাজে তার প্রভাব পড়বেই। বিগত আওয়ামী শাসনের ভূমিকা নিয়ে তাই প্রশ্ন তোলা সংগত। তবে সেই সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসার দায়িত্ব বর্তমানের রাজনৈতিক নেতৃত্বকেও নিতে হবে।

জঙ্গিবাদবিরোধী অভিযানের নামে পরিচালিত কিছু কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন অবশ্যই রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তবে সে দায়িত্ব পালন করতে হবে প্রমাণ, আইন ও যথাযথ প্রক্রিয়ার ভিত্তিতে। নিরাপত্তার প্রশ্নকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ দমন কিংবা সমাজে নির্বিচার সন্দেহ তৈরির হাতিয়ার করা হলে মানুষের স্বাভাবিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কে কার সঙ্গে মিশছেন, কার রাজনৈতিক বিশ্বাস কী, কিংবা কে ধর্মীয় অনুশীলন করছেন—এসবের ভিত্তিতে কাউকে সন্দেহের চোখে দেখার পরিবেশ কাম্য নয়। মানুষ যেন প্রতিবেশীকে ভয় না পায়, আত্মীয়কে রাজনৈতিক পরিচয়ে বিচার না করে এবং মত প্রকাশের কারণে সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন না হয়—এমন পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

গণমাধ্যম ও শিক্ষিত সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। উচ্চশিক্ষা বা ভাষার দক্ষতা থাকলেই বিশ্লেষণ নিরপেক্ষ হয়ে যায় না। ব্যক্তিস্বার্থ কিংবা দলীয় আনুগত্য থেকে অন্যায়কে আড়াল করা হলে জনপরিসর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একইভাবে ইসলাম বা ধর্মীয় অনুশীলন সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়া বিদ্বেষপূর্ণ ব্যাখ্যা দেওয়া এবং সব ধর্মীয় প্রবণতাকে একই ছাঁচে ফেলা বিভ্রান্তি বাড়ায়। সমালোচনা হোক তথ্য, যুক্তি ও দায়িত্ববোধের ভিত্তিতে।

পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে অস্থিরতা, অপরাধ কিংবা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা থাকতে পারে। আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলে তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। কিন্তু অপরাধী যে পক্ষেরই হোক, তার বিচার একই মানদণ্ডে হতে হবে। রাজনৈতিক পরিচয় দেখে কাউকে ছাড় দেওয়া কিংবা প্রমাণ ছাড়া কাউকে অভিযুক্ত করা—কোনোটিই গ্রহণযোগ্য নয়।

বিশেষ করে গণপিটুনি ও পিটিয়ে মানুষ হত্যার মতো ঘটনাকে কোনো রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দিয়ে সহনীয় করা যায় না। বিগত সময়ের সহিংসতার সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি বর্তমানের প্রতিটি অপরাধ বন্ধ করার দায়িত্বও রাষ্ট্রকে নিতে হবে। অতীতের অন্যায় বর্তমানের অন্যায়ের অনুমোদন নয়।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে রিকনসিলিয়েশনের প্রয়োজন কোথায়? অপরাধ দমন, নাগরিক নিরাপত্তা এবং সামাজিক আস্থা ফেরানোর জন্য প্রয়োজন কার্যকর রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।

সরকারের প্রতি আহ্বান—আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে দৃশ্যমান ও পরিমাপযোগ্য পদক্ষেপ নিন। পুলিশ বাহিনীতে জনবলের ঘাটতি রয়েছে, সেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী নিয়োগ দিন। জনসংখ্যা, এলাকার বিস্তৃতি, অপরাধের ধরন এবং কাজের চাপ বিবেচনা করে থানাগুলোর জনবল ও সক্ষমতা নির্ধারণ করুন।

অপরাধ তদন্ত, সাইবার অপরাধ দমন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং জরুরি সেবায় বিশেষায়িত জনবল গড়ে তুলুন। আধুনিক প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তি, প্রয়োজনীয় যানবাহন ও সরঞ্জাম নিশ্চিত করুন। আমাদের করের অর্থ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে ব্যয় করা হোক।

তবে জনবল বৃদ্ধির সঙ্গে নিয়োগের স্বচ্ছতা, পেশাগত দক্ষতা, রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা ও জবাবদিহিতাও নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষমতা বাড়বে, কিন্তু জবাবদিহিতা বাড়বে না—এমন ব্যবস্থায় মানুষের আস্থা ফিরবে না। পুলিশকে এমন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে হবে, যেখানে অভিযোগ জানাতে রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালী কারো সুপারিশ প্রয়োজন হবে না।

বিচার বিভাগের সক্ষমতাও বাড়াতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত বিচারক এবং সহায়ক কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হোক। আদালতের অবকাঠামো, নথি ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত সুবিধা উন্নত করা হোক। তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়ার সমন্বয় বাড়িয়ে অযৌক্তিক বিলম্ব কমাতে হবে। দ্রুততার পাশাপাশি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং ন্যায়সংগত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।

প্রশাসনের যেসব দপ্তরে জনবলের ঘাটতিতে সেবা ব্যাহত হয়, সেখানেও পর্যাপ্ত যোগ্য জনবল নিয়োগ প্রয়োজন। একই সঙ্গে সেবার অপ্রয়োজনীয় ধাপ কমানো, নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ এবং অভিযোগের কার্যকর নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। দায়িত্বে অবহেলা, ঘুষ, হয়রানি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য কার্যকর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

মানুষ সরকারি দপ্তরে গিয়ে সেবা চায়, বারবার ঘুরতে চায় না। মানুষ রাস্তায় স্বস্তি চায়, ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থাকতে চায় না। মানুষ উপার্জনের নিরাপত্তা চায় এবং ব্যবসার অনুকূল পরিবেশ চায়। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থা ছাড়া এসব প্রত্যাশা পূরণ সম্ভব নয়।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। একজন প্রকৌশলী হিসেবে লেখক মনে করেন, এ খাতের সংকটকে কেবল তাৎক্ষণিক সরবরাহের সমস্যা হিসেবে দেখলে চলবে না; পরিকল্পনা, ক্রয়, উৎপাদন, সঞ্চালন, বিতরণ এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনার সমন্বিত মূল্যায়ন প্রয়োজন।

স্বল্প মেয়াদে সরবরাহের ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধান, বিদ্যমান স্থাপনার দক্ষতা বৃদ্ধি, সঞ্চালন ও বিতরণব্যবস্থার উন্নয়ন, জ্বালানি সাশ্রয় এবং নবায়নযোগ্য শক্তির বাস্তবসম্মত ব্যবহার বাড়াতে হবে। সিদ্ধান্ত নিতে হবে প্রকৃত চাহিদা, কারিগরি যৌক্তিকতা, অর্থনৈতিক সক্ষমতা ও দীর্ঘমেয়াদি জনস্বার্থ বিবেচনায়।

এ খাতের সব গুরুত্বপূর্ণ ক্রয়প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার চেষ্টা থাকতে হবে। কী কেনা হচ্ছে, কেন কেনা হচ্ছে, কত দামে এবং কোন প্রক্রিয়ায় সরবরাহকারী নির্বাচন করা হচ্ছে—এসব তথ্য যথাসম্ভব প্রকাশ করা হোক। দরপত্র, মূল্যায়নের মানদণ্ড, চুক্তিমূল্য, গুরুত্বপূর্ণ শর্ত এবং বাস্তবায়ন অগ্রগতি সম্পর্কে মানুষকে জানানো হোক।

গোপনীয়তার প্রয়োজন থাকলে তার সুনির্দিষ্ট কারণ ব্যাখ্যা করা উচিত। জরুরি প্রয়োজনের অজুহাতে জবাবদিহিতা এড়িয়ে যাওয়া যাবে না। বরং জরুরি ক্রয় ও বড় ব্যয়ের ক্ষেত্রে কার্যকর নিরীক্ষা ও স্বাধীন তদারকি আরো গুরুত্বপূর্ণ। এতে অনিয়মের সুযোগ কমবে এবং সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় সমস্যা থাকবে, চ্যালেঞ্জও আসবে; কিন্তু সেগুলোর সমাধান করতে হবে নীতি, দক্ষতা, জনবল, বিনিয়োগ এবং জবাবদিহিতার মাধ্যমে। একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সমঝোতা দক্ষ প্রশাসনের বিকল্প নয়; রাজনৈতিক পুনর্বাসন নাগরিক নিরাপত্তার বিকল্প নয়।

আওয়ামী লীগের শাসনামলের অভিযোগগুলোর বিচারও একই সঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। অপরাধের দায় ব্যক্তির ভূমিকা ও প্রমাণ অনুযায়ী নির্ধারিত হবে। কেউ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অপরাধের দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন না; আবার কেবল রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে কাউকে অপরাধীও বলা যাবে না। এই নীতিই ন্যায়বিচারের দাবিকে শক্তিশালী করে।

কোনো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হলে তার লক্ষ্য, শর্ত এবং সীমারেখা জনগণের কাছে স্পষ্ট থাকতে হবে। নির্যাতিত মানুষ ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর বক্তব্য শুনতে হবে। তাদের অগোচরে তাদের ন্যায়বিচারের দাবি নিয়ে দর-কষাকষির নৈতিক অধিকার কারো নেই।

লেখক শান্তিপূর্ণ, গণতান্ত্রিক ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ চান। সেই লক্ষ্য অর্জনে জনগণের আস্থা, আইনের শাসন এবং কার্যকর রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানই সবচেয়ে বড় শক্তি। কোনো বিদেশি পছন্দ, গোপন সমঝোতা কিংবা সুবিধাবাদী রাজনৈতিক হিসাব জনগণের ইচ্ছার বিকল্প হতে পারে না।

দেশের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার নামে আওয়ামী লীগের সঙ্গে দায়মুক্তিমূলক রিকনসিলিয়েশন নয়। অগ্রাধিকার দিন আইনশৃঙ্খলার উন্নয়ন, বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের সমাধান এবং প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়ে স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায়।

দেশের মানুষকে নিরাপত্তা দিন, ন্যায়বিচার দিন, হয়রানিমুক্ত সেবা দিন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনের নিশ্চয়তা দিন। এসব কাজের মধ্য দিয়েই স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে এবং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা তৈরি হবে। সেই আস্থার কোনো বিকল্প রাজনৈতিক সমঝোতা হতে পারে না।

লেখক: প্রকৌশলী; সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সভাপতি, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বুয়েট

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২১শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৮
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৩
মাগরিব ০৫:১৯
ইশা ০৬:৩১
সূর্যোদয় : ০৬:০৫ সূর্যাস্ত : ০৫:১৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%