১০:২৬ পি.এম
পিরোজপুর উলামা পরিষদের নেতৃবৃন্দ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে চলমান ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপর হামলার প্রেক্ষাপটে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা উল্লেখ করেছেন, শ্রমিকদের নায্য মজুরি নিশ্চিত করা সরকারের এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের দায়িত্ব। নবীজী (সা.) বলেছেন, "ঘাম শুকানোর পূর্বেই শ্রমিকের নায্য পারিশ্রমিক পরিশোধ করতে হবে।" নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ও শিক্ষাব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে শ্রমিকদের জীবনযাপন বর্তমানে অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে।
শ্রমিকেরা আয় ও ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য না থাকার কারণে পরিবার-পরিজন নিয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। এই অবস্থায় পিরোজপুর উলামা পরিষদ মনে করে, ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ একটি যৌক্তিক দাবি। নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "দাবি আদায়ের নামে সহিংসতা, অরাজকতা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ ইসলাম সমর্থন করে না।" তারা সতর্ক করেছেন যে, শীত মৌসুমের সামনে পোশাকশিল্প এবং দেশের অর্থনীতির উজ্জ্বল সম্ভাবনা ধ্বংসের জন্য গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। মালিক ও শ্রমিকসহ সব পক্ষকে আন্তরিক ও সতর্ক থাকতে হবে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের পেছনে কোনো নিষিদ্ধ স্বৈরাচারী সংগঠন বা স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে বের করতে হবে। শ্রমিক অসন্তোষকে পুঁজি করে দেশের প্রধান রফতানি খাতকে ধ্বংসের অপচেষ্টা প্রতিহত করতে হবে। সহিংসতা ও নাশকতায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। পিরোজপুর উলামা পরিষদ সরকারিভাবে পিরোজপুর উলামা সোসাইটি নামে নিবন্ধনভুক্ত হওয়ায় আয়োজিত দোয়া ও শুকরিয়া মাহফিলে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুরে ডেপুটি স্পিকারের উদ্যোগে পুলিশ তদন্তকেন্দ্র স্থাপিত হচ্ছে
আজ বুধবার উত্তরার জামিয়া ইমাম বুখারী সংলগ্ন ঢাকাস্থ কার্যালয়ে আয়োজিত শুকরিয়া মাহফিলে সভাপতিত্ব করেন চেয়ারম্যান মুফতি ওয়াহিদুল আলম। সেক্রেটারি জেনারেল মুফতি আব্দুর রহীম কাসেমীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা রিয়াদুল ইসলাম মুনীর, মুফতি জামাল উদ্দিন, মুফতি ইলিয়াস হোসাইন, মুফতি মিরাজুল ইসলাম, মুফতি কামরুল ইসলাম আরেফী, মাওলানা আতিকুর রহমান, মুফতি আবদুল্লাহ ফিরোজী, মুফতি ইলিয়াস আহমাদ, মুফতি যাকারিয়া।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন