১১:৩৭ পি.এম
জনমতকে উপেক্ষা করে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে এই চুক্তি ইতিহাসে একটি কালো চুক্তি হিসেবে চিহ্নিত হবে, এমন মন্তব্য করেছেন বন্দর রক্ষা কমিটি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির পক্ষ থেকে এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়।
বিবৃতিতে জানানো হয়, বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের নামে প্রচারিত আমন্ত্রণপত্রে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের আওতায় নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আয়োজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত এই চুক্তির শর্ত, পরিচালনার অধিকার, আর্থিক দায় এবং শ্রমিকদের অধিকার সম্পর্কে জনগণকে স্পষ্টভাবে অবহিত না করে স্বাক্ষরের আয়োজন করা গভীর উদ্বেগের বিষয়। জনমত উপেক্ষা করে উন্নয়ন ও বিনিয়োগের কথা বলে এই প্রক্রিয়াকে গ্রহণযোগ্য করা যাবে না।
আরও পড়ুন: যাত্রাবাড়ীতে ছিনতাই সন্দেহে গণপিটুনিতে আহত যুবক নিশাত মিয়ার মৃত্যু
গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার হলেও, জনগণের মতামত উপেক্ষা করে জাতীয় সম্পদ নিয়ে একতরফা চুক্তি করার অধিকার এই সরকারের নেই, এমন দাবি করেছেন তারা। চট্টগ্রাম বন্দর দেশের জনগণের সম্পদ এবং জনগণের কাছে জবাবদিহি এড়িয়ে এই বন্দরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের প্রচেষ্টা গণতান্ত্রিক নীতির পরিপন্থী। জনগণের আপত্তিকে অগ্রাহ্য করে চুক্তি চাপিয়ে দেওয়া হলে, দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। ইতিহাসে এই চুক্তি ‘কালো চুক্তি’ হিসেবেই চিহ্নিত হবে।
বিবৃতিতে নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল প্রকল্প নিয়ে ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে ৮ অক্টোবর চুক্তি স্বাক্ষরের আয়োজনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় সম্পদ নিয়ে জনগণের মতামত উপেক্ষা করে একতরফা সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার এই উদ্যোগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়।
এছাড়া, জনমত উপেক্ষা করে চুক্তি স্বাক্ষরের পথে এগোলে তার বিরুদ্ধে বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন: গণভোটের রায় না মানলে তারেক রহমানের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই: জুনায়েদ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন