ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে


আর্জেন্টিনা-স্পেন শেষ ৩২-এ মুখোমুখি হতে পারে

বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা দুই ম্যাচে টানা দুই জয় তুলে নিয়ে ছয় পয়েন্ট সংগ্রহ করেছে। আর্জেন্টিনা এখন গ্রুপ ‘জে’-র শীর্ষস্থানে রয়েছে এবং এটি বেশ কয়েকটি বিষয় নিশ্চিত করেছে।

এখন আলবিসেলেস্তেরা শেষ ৩২-এ কার বিপক্ষে মাঠে নামবে, তা নিয়েই আলোচনা জোরদার হয়েছে।

বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘জে’-র চ্যাম্পিয়ন দল রাউন্ড অব ৩২-এ খেলবে গ্রুপ ‘এইচ’র রানার্সআপের বিপক্ষে। এই পরিস্থিতিতে সামনে চলে এসেছে আর্জেন্টিনা-স্পেন সম্ভাব্য লড়াই।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার

গ্রুপ ‘এইচ’-এ স্পেন দুই ম্যাচ শেষে সংগ্রহ করেছে ৪ পয়েন্ট। উরুগুয়ের পয়েন্ট রয়েছে ২। তাই এই দুই দলের মধ্যে শেষ ম্যাচটি গ্রুপের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

যদি উরুগুয়ে স্পেনকে হারাতে সক্ষম হয়, তাহলে তারা ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে। এ ক্ষেত্রে স্পেন দ্বিতীয় স্থানে নেমে যাবে এবং তাদের প্রতিপক্ষ হবে গ্রুপ ‘জে’-র শীর্ষ দল আর্জেন্টিনা।

অর্থাৎ, নকআউটের প্রথমেই হতে পারে দুটি পরাশক্তির লড়াই, যা ফুটবলপ্রেমীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত।

অন্যদিকে স্পেনের সামনে রয়েছে একটি বিকল্প পথও। যদি কেপ ভার্ডে সৌদি আরবকে হারাতে পারে তবে স্পেন পয়েন্ট ব্যবধানে দ্বিতীয় নয়, তৃতীয় স্থানে নেমে যেতে পারে। আসলে সে পরিস্থিতিতে তারা আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হবে না এবং সম্ভাব্য সেই মহারণ আপাতত এড়িয়ে যাবে।

আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না

অথবা যদি স্পেন উরুগুয়ের বিপক্ষে অন্তত ড্র করতে পারে, তাহলে তাদের গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখার সম্ভাবনাই বেশি থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ হবে উরুগুয়ে, কেপ ভার্ডে অথবা সৌদি আরবের মধ্যে কোনো একটি দল, যা গ্রুপের চূড়ান্ত অবস্থানের ওপর নির্ভর করবে।

এবারের বিশ্বকাপে গ্রুপের অবস্থান নির্ধারণে গোল ব্যবধানের পরিবর্তে আগে হেড-টু-হেড ফলকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পয়েন্ট সমান হলে প্রথমে দেখা হবে সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যকার ম্যাচের ফল। এরপর হেড-টু-হেড গোল ব্যবধান, হেড-টু-হেডে করা গোল, সামগ্রিক গোল ব্যবধান, মোট গোল, শৃঙ্খলা রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা র‍্যাঙ্কিং।

এজন্য গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো শুধুই পরবর্তী রাউন্ডের লড়াই নয়, নকআউটে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষও নির্ধারণ করবে। এই সমীকরণে আর্জেন্টিনা ও স্পেনের সম্ভাব্য মুখোমুখি হওয়ার দিকে ফুটবলপ্রেমীদের নজর রয়েছে।

আরও পড়ুন: জিয়া সেদিন তাহেরের সাথে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে গেলে ফিরে আসতেন না: ব্রি. সাখাওয়াত

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই বিজয়ের ঘোষণা, সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া নবজাতক পাবে সোনার আংটি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২০ পি.এম


মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই বিজয়ের ঘোষণা, সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেওয়া নবজাতক পাবে সোনার আংটি

দেশে বেসরকারি হাসপাতালের দৌরাত্ম্য ঠেকাতে ‘থাই মামান গোল্ড রিং স্কিম’ নামে নতুন একটি প্রকল্প চালু করে আলোচনার কেন্দ্রে ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও দক্ষিণী অভিনেতা থালাপতি বিজয়।

নায়কের এ প্রকল্পকে রাজ্যের অন্যতম ব্যতিক্রমী জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা যাচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয়ের সরকার তামিলনাড়ু রাজ্যে স্বল্প খরচে সুরক্ষিত মাতৃত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে ভোগান্তি ও বড় বাঁধার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে বেসরকারি হাসপাতালগুলো।

ভারতের সরকারি নথি থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, তামিলনাড়ুতে বছরে প্রায় ৭.৮ লাখ শিশু জন্ম নেয়, যার মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ (৪.২ লাখ) শিশুর জন্ম সরকারি হাসপাতালগুলোতে হয়। অন্যদিকে, বাকি শিশুর বড় অংশ আসে বেসরকারি হাসপাতালগুলো থেকে। সেখানে সন্তান প্রসবের গড় খরচ প্রায় ৬৩,৪৭৩ রুপি, অথচ সরকারি হাসপাতালে এ খরচ মাত্র ১,৩৬৪ রুপি।

বিজয় সরকারের নজরে বিষয়টি এলে প্রসব চিকিৎসায় অকারণে বেসরকারি হাসপাতালের নেয়া বিশাল পরিমাণ অর্থ রুখে দিতে নতুন স্কিমের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর জন্য তামিল সমাজের প্রচলিত রীতি ব্যবহার করা হয়।

তামিল রাজ্যে ‘থাই মামান সির’ নামে একটি প্রচলিত রীতি রয়েছে, যেখানে নবজাতককে আশীর্বাদ ও উপহার দেন তার মামা। সেই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজ্যের সরকার নতুন প্রকল্পটি চালু করতে চলেছে।

নতুন শিশুদের প্রতি স্নেহ ও দায়িত্ববোধের প্রতীক হিসেবে এই স্কিম চলতি বছরে বিজয়ের জন্মদিন ২২ জুন থেকে চালু হয়েছে। স্কিম অনুযায়ী, শুধুমাত্র সরকারি হাসপাতালে জন্ম নেয়া সকল শিশুকে বিজয় সরকারের পক্ষ থেকে এক গ্রাম ওজনের সোনার আংটি উপহার দেয়া হবে। এই নতুন প্রকল্পের জন্য বছরে ৭৫৫ কোটি ৮৩ লাখ রুপি অর্থ বরাদ্দ রেখেছে বিজয় সরকার।

এ সুবিধা ভোগ করতে চাইলে মায়েদের অবশ্যই তামিলনাড়ুর স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। স্কিমটিতে কোন লিঙ্গবৈষম্য নেই। ছেলে ও মেয়ে উভয় সন্তানই এই ‘উপহার’ পাবে। সন্তান জন্মক্রমের উপরও কোনো বিধিনিষেধ নেই, তাই প্রথম কিংবা পরবর্তী সব সন্তানের ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ের দল ‘তামিলাগা ভেট্রি কাজাঘাম’-এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির একটি ছিল এই প্রকল্প। এজন্য দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই বিজয় সরকার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী সি এন আন্নাদুরাইয়ের জন্মবার্ষিকীতে প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসচেতন প্রজন্ম গঠনে টাঙ্গাইলে বাতিঘর পাঠাগারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসচেতন প্রজন্ম গঠনে টাঙ্গাইলে বাতিঘর পাঠাগারের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সচেতন প্রজন্ম তৈরি করতে টাঙ্গাইল বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার একটি ব্যতিক্রম উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

এই প্রতিষ্ঠানটি শিশুদের পাঠাভ্যাস গঠনের পাশাপাশি দেশীয় ফলের পরিচিতি ও পুষ্টিগুণ সম্পর্কে তাদের সচেতন করতে আজ দিনব্যাপী একটি ফল উৎসবের আয়োজন করেছে।

‘নিয়মিত দেশীয় ফল খেলে-সব ধরনের পুষ্টি মেলে’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে জেলার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার আজ সকালে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার প্রাঙ্গণে শিশুদের জন্য এই ফল উৎসবের আয়োজন করে।

এ উৎসবের পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক একটি আলোচনা সভাও আয়োজন করা হয়েছে। এতে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের সভাপতি মো. শাহজাহানের সভাপতিত্বে আলোচনা করেন পুষ্টিবিদ মো. আব্দুল হাকিম, কান্দাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. হালিমুজ্জামান, পাঠাগারের উপদেষ্টা হাজী মো. কোরবান আলী, সদস্য হুমায়ুন কবির, রেজোওয়ানা শরীফ ও আতাউর রহমান মিন্টু।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় স্বাদের মৌসুমী ফলের সঙ্গে বিশ্বের কোন দেশের ফলের তুলনা হয় না। দেশের ফলের স্বাদ ও পুষ্টিগুণ অন্য কোনো দেশের ফলের মধ্যে পাওয়া যায় না। প্রতিটি ঋতুর ফল আলাদা স্বাদের এবং পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ। বক্তারা মানব দেহের সুস্থতার জন্য নিয়মিত দেশীয় ফল খাওয়ার পরামর্শ দেন।

ফল উৎসবে অংশ নেওয়া শিশু শিক্ষার্থীরা জানায়, ফল উৎসবের মাধ্যমে তারা দেশীয় বিভিন্ন ফল এবং এসব ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জানতে পারছে। এছাড়া দেশীয় ফলের গাছ লাগানোর গুরুত্ব সম্পর্কেও তাদের সচেতন করা হচ্ছে। বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের এই ব্যতিক্রম উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

বাতিঘর আদর্শ পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাতা মো. কামরুজ্জামান বলেন, বই পাঠের পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করার জন্য বিভিন্ন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরই ধারাবাহিকতায় এই ফল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে।

আলোচনা শেষে নানা প্রজাতির দেশীয় ও মৌসুমী ফলের প্রদর্শনী এবং শিশুদের মাঝে ফল বিতরণ করা হয়। ফলের মধ্যে ছিল আম, কাঁঠাল, লিচু, কলা, পেঁপে, জাম, লটকন, পেঁয়ারা, ডেউয়া, আমলকি, আনারসসহ বিভিন্ন প্রকারের পুষ্টিকর দেশীয় ফল।

উল্লেখ্য, ‘এসো বই পড়ি, নিজেকে আলোকিত করি’ স্লোগান নিয়ে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চৌরাকররা গ্রামে ২০১০ সালে বাতিঘর আদর্শ পাঠাগার প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাঠাগারটি গ্রামের মানুষের মধ্যে পাঠাভ্যাস তৈরি এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে সেলুন, বাসস্ট্যান্ড ও স্টেশন অণুপাঠাগার স্থাপনসহ নানা শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া, পাঠাগার কর্তৃপক্ষ শিক্ষার আলো ছড়ানোর পাশাপাশি আর্তমানবতার সেবায় বিভিন্ন কার্যক্রমও পরিচালনা করে আসছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়াই সরকারের লক্ষ্য: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৪ পি.এম


ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়াই সরকারের লক্ষ্য: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, দেশের সরকারের উদ্দেশ্য কাউকে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া নয়; বরং মানুষের জীবন রক্ষা করা এবং ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ে তোলা।

আজ (শুক্রবার) সারাদেশে ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির উদ্যোগে রাজধানী ঢাকা এলাকার বনানীর ১৮, ২১ ও ২৪ নম্বর সড়কে বিভিন্ন বাড়ি ও স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা অনুসন্ধান ও ধ্বংস কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, নগরবাসী যদি সচেতন হয়ে নিজ বাড়ি, আঙিনা, ছাদ এবং ফুলের টবগুলোতে জমে থাকা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করে, তবে ডেঙ্গু থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। তিনি ছাদ, আঙিনা কিংবা যেকোনো স্থানে জমে থাকা পানি দ্রুত ফেলে দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, বাড়ির ছাদের ফুলের টব, ডাবের খোসা, রঙের কৌটা কিংবা অন্য যেকোনো পাত্রে যেন পানি জমে না থাকে, সে বিষয়ে সবার সতর্কতা অত্যন্ত প্রয়োজন। নাগরিকদের সচেতনতা বিবেচনা করে তিনি জানান, ডেঙ্গুমুক্ত নগর গড়ার ক্ষেত্রে এটি হচ্ছে সবথেকে কার্যকর উপায়।

মীর শাহে আলম বলেন, সরকারের কাজ হচ্ছে ঢাকার নগরবাসীর সহযোগিতা নিয়ে শহরটিকে ডেঙ্গুমুক্ত করা। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক ও ওয়ার্ড কার্যালয়গুলো থেকে নাগরিকদের বিনামূল্যে মশার লার্ভা ধ্বংসকারী ট্যাবলেট সংগ্রহ করা যাবে। তিনি নাগরিকদের নিজ উদ্যোগে এসব ট্যাবলেট ব্যবহার করে লার্ভা ধ্বংসের আহ্বান জানান।

এ সময়, তিনি ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট, অনলাইন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে, রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-কে নির্মাণাধীন ও আবাসিক ভবনগুলোতে পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে সদস্যদের নোটিশ দেওয়ার অনুরোধ জানান।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে, তিনি জানালেন, সরকারি কোয়ার্টারগুলোতেও একই ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থায় মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

অভিযান শেষে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস মন্তব্য করেন, নগরবাসী সচেতন না হলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নির্মূল করা সম্ভব নয়।

তিনি জানান, সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে প্রতিদিন বাসাবাড়ি, স্থাপনা, রেস্তোরাঁ সহ বিভিন্ন স্থানে নিয়মিত ওষুধ ছিটানো, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং এডিস মশার লার্ভা ধ্বংস কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্ষা মৌসুমে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি বাসাবাড়িতে সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমও চলছে।

ইমরুল কায়েস আরো বলেন, টানা তিন দিনের অভিযানে বনানী এলাকার সরকারি কোয়ার্টার ও আশপাশের প্রায় ৫০ শতাংশ বাসাবাড়িতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেছে। এটি নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়।

অভিযানের অংশ হিসেবে, স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে মাইকিং, লিফলেট বিতরণ ও স্টিকার লাগিয়ে এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

এ সময় প্রতিমন্ত্রী সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে তাদের নিরলস পরিশ্রমের জন্য ধন্যবাদ জানান।

অভিযানের সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল কায়েস চৌধুরী, আঞ্চলিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আজিজুন নেছা, বনানী সোসাইটির সহ-সভাপতি ড. তানভীর আহমেদ খান, সাধারণ সম্পাদক ইরফান ইসলাম, জয়েন্ট ট্রেজারার ডা. শাহেদ হায়দার চৌধুরী, ম্যানেজার সৈয়দ মোস্তাক উদ্দীন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব মো. রবিউল ইসলামসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বগুড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক বিপ্লব গড়ে তোলার আহ্বান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ২৬শে জুন, ২০২৬ ইং

০৩:২৫ পি.এম


বগুড়ায় মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক বিপ্লব গড়ে তোলার আহ্বান

বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা দেশে মাদকের ভয়াবহ বিস্তার রোধ করতে দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে সামাজিক বিপ্লব ও যুদ্ধ ঘোষণা করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তাঁর মতে, মাদক বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য একটি সর্বগ্রাসী ও ‘বার্নিং ইস্যু’। শুধু জেলা প্রশাসন, পুলিশ কিংবা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর দিয়ে এটি নির্মূল করা সম্ভব নয়। তাই আমাদের সমাজ ও পরিবারকে সচেতন করতে হবে এবং সবাইকে সাথে নিয়ে কাজ করতে হবে।

আজ সকালে বগুড়া জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ‘বিশ্বের মাদক সমস্যা : চলমান সংকট, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং উদ্ভাবনী সমাধান’ নামক প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ৯:৩০টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে বটতলায় বেলুন উড়িয়ে দিবসের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এরপর একটি মাদকবিরোধী বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শহর প্রদক্ষিণ করে।

সভায় জানানো হয়েছে, দিবসটি উপলক্ষে জেলাজুড়ে সপ্তাহব্যাপী নানা মুখী কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানসমূহে মাদকবিরোধী স্টিকার ও পোস্টার লাগানো, লিফলেট বিতরণ, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শন এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা। এ ছাড়াও বগুড়ার ১২টি উপজেলার ১৩টি স্থানে বৃক্ষরোপণ, মাদকবিরোধী মাইকিং এবং ১৪টি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের মাধ্যমে ফ্রি কাউন্সেলিং সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সংসদ সদস্য মো. রেজাউল করিম বাদশা আরও বলেন, ‘সংসদের চলমান বাজেট অধিবেশনে ৩৫০ জন সংসদ সদস্যই মাদকের ভয়াবহতার চিত্র তুলে ধরেছেন। মাদক আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করার একটি পরিকল্পিত হাতিয়ার। বর্তমানে শহর থেকে গ্রামেও এটি ছড়িয়ে পড়েছে। তাই প্রশাসনকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করার। এখানে কোনো ছাড় নেই।’

তিনি বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসককে ২১টি ওয়ার্ডে দ্রুত মাদকবিরোধী কমিটি গঠনের অনুরোধ জানান এবং মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা স্থানীয় যুবক তানভীরের উদাহরণ টেনে তাকে ধন্যবাদ জানান।

বগুড়া জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযানের সুনির্দিষ্ট চিত্র তুলে ধরে জানানো হয়েছে, ২০২৫ সালে জেলায় ১, ৮০৩টি অভিযান পরিচালনা করে ৭০২টি মামলায় ৭৩৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় বিপুল পরিমাণ হেরোইন, গাঁজা, ফেনসিডিল, ইয়াবা, ট্যাপেন্টাডল ও চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়। অন্যদিকে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৮৩৮টি অভিযানে ৩৩৬টি মামলায় ৩৫০ জন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার মাধ্যমে অবৈধ অর্থ উপার্জনকারীদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ হোসেনের সভাপতিত্বে বগুড়া মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহা. জিল্লুর রহমান সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানটিতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রায়হান উদ্দিন মোরাদ এবং সিভিল সার্জন ড. মো. খুরশীদ আলম। সভায় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, शिक्षक-শিক্ষার্থী, ইমাম, এনজিও প্রতিনিধি এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%