১২:০৭ এম
মালয়েশিয়ার তেরেঙ্গানু রাজ্যে বিদেশি কর্মীদের ব্যাপারে নিয়োগকর্তাদের দায়িত্ব ও আইনি বাধ্যবাধকতা নিয়ে ইমিগ্রেশন বিভাগের এক পডকাস্টে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। শুক্রবার (৩ জুলাই) অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ফাজিলা রিজওয়ানের সাথে আলাপচারিতায় তেরেঙ্গানু রাজ্যের ইমিগ্রেশন পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি বিন মোহাম্মদ নর এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য ও সতর্কবার্তা তুলে ধরেন।
তিনি স্পষ্ট করে জানান, অনেক নিয়োগকর্তাই মনে করেন বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতিপত্র (ওয়ার্ক পারমিট) পেয়ে গেলেই তাদের দায়িত্ব শেষ হয়ে যায়, যা সম্পূর্ণ একটি ভুল ধারণা। মূলত পারমিট পাওয়ার পর থেকেই নিয়োগকর্তাদের আসল দায়িত্ব শুরু হয়।
পরিচালক মোহাম্মদ ইউসরি সতর্ক করে বলেন, বিদেশি কর্মীরা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশনের সব নিয়ম ও শর্তাবলী সঠিকভাবে মেনে চলছেন কি না, তা নিশ্চিত করার প্রধান দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তার। ইমিগ্রেশন বিভাগের বিভিন্ন অভিযানে দেখা গেছে, অনেক নিয়োগকর্তা তাদের নিবন্ধিত কর্মীদের অন্য কোথাও খণ্ডকালীন (পার্ট-টাইম) কাজ করার অনুমতি দিচ্ছেন; যেমন দিনের বেলা নির্মাণ খাতে কাজ করে রাতে অন্য পেশায় নিয়োজিত হওয়া, যা সম্পূর্ণ অবৈধ।
আরও পড়ুন: মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে লটারিতে ৩০০ জন নির্বাচিত
এছাড়া, এক কোম্পানির নামে আনা কর্মী অন্য বন্ধুর কোম্পানিতে ধার দেয়া বা কাজ করতে পাঠানোর মতো বেআইনি কর্মকাণ্ডও ধরা পড়ছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আলোচনায় তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি কোনো বিদেশি কর্মী কর্মস্থল থেকে পালিয়ে যান বা নিখোঁজ হন, তবে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি ইমিগ্রেশন বিভাগকে জানানো নিয়োগকর্তার আইনি কর্তব্য। অনেক সময় নিয়োগকর্তারা এই রিপোর্ট করেন না, যা পরবর্তীতে অভিযানে সেই কর্মী ধরা পড়লে নিয়োগকর্তাকে বড় ধরনের আইনি শাস্তির মুখে দাঁড় করিয়ে দেয়। মালয়েশিয়ার আইন ও শর্ত লঙ্ঘনের যেকোনো ঘটনায় নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তাই বিদেশি কর্মীদের দেখভালের বিষয়টি হালকাভাবে নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি জানান।
আরও পড়ুন: বিচারকের বিরুদ্ধে প্রেস ব্রিফ: ব্যারিস্টার সারোয়ারকে ২৬ নভেম্বর হাইকোর্টে তলব
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন