ঢাকা সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
সোমবার, ০৯ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৪শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাজেটকে দলীয়করণের অভিযোগকারীদের কঠোর ভাষায় আক্রমণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর


বাজেটকে দলীয়করণের অভিযোগকারীদের কঠোর ভাষায় আক্রমণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

শনিবার, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরকে ঘিরে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সফরের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা তদারকিতে, কক্সবাজারের বিভিন্ন কর্মসূচি পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

শুক্রবার বিকেল কক্সবাজারের চকরিয়া পৌঁছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত অনুষ্ঠানস্থল, জনসভা মঞ্চ, প্রশাসনিক প্রস্তুতি এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজার সফরের কেন্দ্রবিন্দুতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করেছে। সফরের প্রতিটি কর্মসূচি যাতে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হয়, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন: দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে: আইনমন্ত্রী

নতুন বাজেটের প্রশ্নে মন্ত্রী প্রকাশ করেন, এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট ঘোষণা করেছে বিএনপি সরকার; যারা বলছেন বাজেট দলীয়করণ, তারা খুবই নিকৃষ্ট লোক।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানোর উদ্যোগ কি বিএনপির জন্য নেওয়া হয়েছে? অবশ্যই নয়। এটি বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ের নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তসহ সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। মানুষের চাহিদা হলো—নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য সাধারণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকা। সেই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। তাহলে প্রশ্ন হলো, এই বাজেট কি গণমুখী নয়? কি এটি দরিদ্রবান্ধব নয়? কি এটি জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নয়? নিঃসন্দেহে এই বাজেট গণমুখী, দরিদ্রবান্ধব এবং জনআকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এছাড়া আমাদের যে অঙ্গীকারগুলো ছিল—কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন উদ্যোক্তা তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মের চাহিদা পূরণের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা—সেসব বিষয়ও এই বাজেটে গুরুত্বের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এই বাজেটে একদিকে জনগণের ওপর করের চাপ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে রাজস্ব আয়ের পরিধি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পেলে উন্নয়ন বাজেটে দেশীয় আয়ের অবদানও বাড়বে। আমরা যদি উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সবসময় ব্যাংক ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল থাকি, তাহলে দীর্ঘমেয়াদে নির্ভরশীলতার চক্র থেকে বেরিয়ে আসা সম্ভব হবে না। সেই লক্ষ্য থেকেই আমরা রাজস্বভিত্তিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৭ বছরে ক্ষতিগ্রস্ত আর্থিক ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাস্তবতার মধ্যে দাঁড়িয়ে মাত্র সাড়ে তিন মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজেট প্রণয়ন করা সম্ভব হয়েছে। এটিই আমাদের সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এবং নির্বাচনী জোটের সমর্থনে গঠিত সরকারের বাজেট। কেউ যদি এটিকে ‘দলীয় বাজেট’ বলে আখ্যায়িত করেন, তাহলে আমি বলব—গণতান্ত্রিকভাবে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারের বাজেটকে শুধুমাত্র দলের বাজেট হিসেবে চিহ্নিত করা একটি অযৌক্তিক ও অনভিপ্রেত মন্তব্য।’

আরও পড়ুন: রাজধানীর পান্থপথ, খিলক্ষেত ও ক্যান্টনমেন্টে ককটেল বিস্ফোরণ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাগমারায় সাপের কামড়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


বাগমারায় সাপের কামড়ে তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু, দাফন সম্পন্ন

রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের পলাশী গ্রামের বাসিন্দা এনজিও কর্মকর্তা মতিউর রহমানের মেয়ে ও তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী তৈয়বা সাপের কামড়ে মারা গেছে।
শুক্রবার (১২ জুন) সকাল ৯টায় নিজ গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চাকরির কারণে মতিউর রহমান পরিবারসহ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় বসবাস করতেন। সেখানে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়াশোনা করত তৈয়বা। বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিদিনের মতো সে প্রাইভেট পড়তে যায়। প্রাইভেট পড়ানোর কক্ষে অন্য শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিল।
এ সময় হঠাৎ একটি বিষধর সাপ তার পায়ে কামড় দেয়। তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত কেউ সাপটিকে দেখতে পায়নি বলে জানা গেছে। সাপের কামড়ের পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে একপর্যায়ে সে মারা যায়। কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ধারণা করেন, বিষধর সাপের কামড়েই তার মৃত্যু হয়েছে।
নিহত শিশুর বাবা মতিউর রহমান বলেন, চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, বিষধর কোনো সাপ আমার মেয়েকে কামড়েছিল। আমরা তাকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাকে হারাতে হলো।
শিশু তৈয়বার অকাল মৃত্যুতে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মৃত্যুতে স্থানীয়দের মাঝেও গভীর শোকের সৃষ্টি হয়েছে।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১২ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি মো. দিদারুল আলম দিদারকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি পূর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কাউতলী এলাকায় তার নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়। দিদারুল আলম দিদার হলো কাউতলী বড় মসজিদ রোডের হাজী মো. সেলিম মিয়ার পুত্র।

পুলিশের সূত্র থেকে জানা যায়, নাশকতাসহ একাধিক মামলার এজাহারে নাম থাকা আসামি হিসেবে দিদার দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশের অভিযান চালিয়ে তাকে নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়। পরে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, দিদারুল আলম দিদার নাশকতা মামলাসহ একাধিক মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তিনি অনেকদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশে দিদার কোর্টের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিমের দামে ধস, লোকসানে ক্ষুদ্র খামারিদের টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মাসুদ রানা রাব্বানী, রাজশাহী

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৩ পি.এম


ডিমের দামে ধস, লোকসানে ক্ষুদ্র খামারিদের টিকে থাকা নিয়ে শঙ্কা

দুর্গাপুরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ডিম উৎপাদনকারী প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র খামারিরা বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটের মুখোমুখি। উৎপাদন খরচের তুলনায় বাজারে ডিমের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় প্রতিটি ডিম বিক্রিতে গড়ে ১.৫০ থেকে ২ টাকা পর্যন্ত লোকসান গুনতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা।
খামারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের বাজার নিয়ন্ত্রণ, মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব এবং কিছু গোষ্ঠীর আধিপত্যের কারণে ক্ষুদ্র খামারিরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে উৎপাদন অব্যাহত রাখা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
স্থানীয় খামারিরা জানান, গত কয়েক মাসে মুরগির খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ, শ্রমিক ও পরিবহন ব্যয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে ডিমের বাজারমূল্য বাড়েনি। বরং বর্তমান বাজারদরে ডিম বিক্রি করে উৎপাদন খরচও তুলতে পারছেন না তারা। এতে অনেকেই পুঁজি হারিয়ে খামার বন্ধের আশঙ্কায় রয়েছেন। কেউ কেউ ইতোমধ্যে উৎপাদন কমিয়ে দিয়েছেন।
একজন খামারি বলেন, প্রতিদিন হাজার হাজার ডিম বিক্রি করেও লাভ তো দূরের কথা, মূলধনই ধরে রাখা যাচ্ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে ছোট খামারগুলো টিকে থাকা কঠিন হয়ে পড়বে।
পোলট্রি খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এই শিল্প। কিন্তু দীর্ঘদিন লোকসান অব্যাহত থাকলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি খামারগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে, যার নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সামগ্রিক ডিম উৎপাদন ব্যবস্থায়।
খামারিদের পক্ষ থেকে বাজার তদারকি জোরদার, উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ও স্বল্পসুদে ঋণ সুবিধা চালুর দাবি জানানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, খামারিদের স্বার্থ রক্ষা এবং দেশের পোলট্রি শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় হাজার হাজার ক্ষুদ্র খামারি আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি দেশের ডিম উৎপাদন ব্যবস্থাও দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘ব্রাজিল বাড়ি’ দেখতে ভিড় করছেন সমর্থকরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১২ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:১৪ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ‘ব্রাজিল বাড়ি’ দেখতে ভিড় করছেন সমর্থকরা

বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় পুরো দেশটি মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে। বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নানা অদ্ভুত ঘটনা ঘটেই চলছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ছতুরা-চান্দপুর গ্রামের রুবেল মিয়া এমনই একটি ঘটনার জন্ম দিয়েছেন।

ব্রাজিলের প্রবল সমর্থক রুবেল মিয়া দীর্ঘ সময় ধরে ব্রাজিল ফুটবল দলের ভক্ত। তাই তিনি তাঁর পুরো বাড়িটিকে ব্রাজিলের পতাকার আদলে রাঙিয়ে তুলেছেন। বাড়ির সীমানা দেয়ালে রুবেল মিয়া ব্রাজিলের পতাকা ছাড়াও সেদেশের খেলোয়াড়দের ছবি এঁকেছেন। বাড়ির ভবনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকাও আঁকা হয়েছে।

এদিকে, দূর-দূরান্ত থেকে ব্রাজিল সমর্থকেরা বাড়িটিকে একনজর দেখার জন্য ছুটে আসছেন। শুধু ব্রাজিলের সমর্থকরা নয়, অন্যান্য দেশের সমর্থকরাও বাড়িটির ভূয়সী প্রশংসা করছেন। সব জায়গায় দাবি উঠছে যে পুরো উপজেলায় এমন বাড়ি নেই। বাড়িটির কারণে এই এলাকার নাম চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে 'ব্রাজিল বাড়ি' হিসেবে।

বাড়ির মালিক রুবেল মিয়া বলেন, 'ব্রাজিলের খেলা আমার খুব পছন্দ। আমি ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিল সাপোর্ট করে আসছি। এই কারণেই আমি ব্রাজিলের পতাকার আদলে বাড়ির ভবন ও সীমানা দেয়াল রং করিয়েছি এবং খেলোয়াড়দের ছবিও আঁকিয়েছি। গত ১৬ দিন ধরে এই কাজটি চলছে। এখনও কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। রং করার জন্য আমি প্রায় দেড় লাখ টাকারও বেশি খরচ করেছি। অনেকেই আসছেন বাড়িটি দেখতে। আমি মনে করছি, আমার প্রিয় দল ব্রাজিল এবারের বিশ্বকাপে চমৎকার করবে এবং শিরোপা জয়লাভ করবে।'

তিনি তাঁর প্রিয় দল ব্রাজিলের জন্য সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৮শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৩৯
মাগরিব ০৫:১৫
ইশা ০৬:২৮
সূর্যোদয় : ০৬:০৯ সূর্যাস্ত : ০৫:১৫
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%