ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

বাউবিতে একাডেমিক লেখালেখি, কপিরাইট ও চৌর্যবৃত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ


বাউবিতে একাডেমিক লেখালেখি, কপিরাইট ও চৌর্যবৃত্তি বিষয়ে প্রশিক্ষণ

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেল (আইকিউএসি) আয়োজন করেছে ‘একাডেমিক লেখালেখি: কপিরাইট, উন্মুক্ত শিক্ষাসামগ্রী (OER) ও চৌর্যবৃত্তি’ শীর্ষক একটি দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা।

আজ সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত এই কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. সিরাজুল ইসলাম।

তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, বর্তমান জ্ঞানভিত্তিক বিশ্বে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের শুধু পাঠদানেই সীমাবদ্ধ থাকতে হবে না; সৃজনশীলতা, গবেষণা, একাডেমিক সততা এবং মৌলিক চিন্তার বিকাশের মাধ্যমে জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। একাডেমিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি গবেষণা ও লেখালেখিতে নৈতিকতা, কপিরাইট এবং মেধাস্বত্ব সংরক্ষণের বিষয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে।

আরও পড়ুন: চাঁদপুরে শিশুদের আঁকায় জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতি প্রদর্শিত

তিনি আরও বলেন, প্লেজিয়ারিজম এবং কপিরাইট লঙ্ঘন একজন শিক্ষকের ব্যক্তিগত মর্যাদা, পেশাগত সুনাম এবং প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিতে ক্ষতি করতে পারে। তাই প্রতিটি শিক্ষকের গবেষণা ও প্রকাশনার ক্ষেত্রে সর্বাধিক সতর্কতা, সততা এবং দায়িত্বশীলতা прояв করতে হবে।

আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। প্রশিক্ষণে প্রধান রিসোর্স পারসন হিসেবে Islamik University of Technology (আইইউটি)-এর বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল কালাম আজাদ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি ২০২৬ সালের প্যারাডাইম শিফট (আদর্শিক পরিবর্তন): অ্যাকাডেমিক ক্যারিয়ারের ভবিষ্যৎ, খাঁটি মূল্যায়ন এবং “কপি-পেস্ট” সংস্কৃতি প্রতিরোধ, এআই-সমৃদ্ধ গবেষণা এবং বুদ্ধিবৃত্তিক সম্পদের ফাঁদ এড়ানো, উন্মুক্ত শিক্ষণপদ্ধতি (ওপেন পেডাগোজি): ওইআর (OER)-এর মাধ্যমে সম্পদের ঘাটতি কাটিয়ে ওঠা ও রক্ষণাত্মক প্রকাশনা: শিকারী জার্নাল (প্রেডেটরি জার্নাল) পরিহার এবং বৈশ্বিক সাইটেশন বৃদ্ধি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় এই প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্কুলের ৩৩ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন: স্কুল ফিডিংয়ের পাউরুটির ভেতর পাওয়া গেল ধারালো ব্লেড

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছিল মাদক ব্যবসা, শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৫ পি.এম


সিসি ক্যামেরার নজরদারিতে চলছিল মাদক ব্যবসা, শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সীমান্তের কাছে একটি বাড়ি, যেটিকে মাদক কারবারের নিরাপদ ঘাঁটিতে পরিণত করা হয়েছিল, চারপাশে অন্তত ১২টি ক্লোজড সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানো হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, এসব সিসি ক্যামেরার সাহায্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করা হত এবং তা নির্বিঘ্নে ইয়াবা, ফেনসিডিল, গাঁজা ও মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করা হত।

রোববার (২৮ জুন) বিকেলে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আখাউড়া থানা পুলিশ ওই বাড়িতে অভিযান চালায় এবং সেখানে ইদন (২৫) নামে এক মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। অভিযানে বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ১২টি সিসি ক্যামেরা এবং একাধিক ছুরি, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, রামদাসহ বিভিন্ন দেশীয় ধারালো অস্ত্র জব্দ করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সীমান্তঘেঁষা সেনারবাদী গ্রামের বাসিন্দা আবু জাহের মিয়ার ছেলে কালু এবং তার ভাই ইদন সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গতিবিধির ওপর নজর রাখতেন। এর পরবর্তী সময়ে, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা মাদকের বেচাকেনা চালাতেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ মতে, কালু ও ইদনের পরিবারের একাধিক সদস্য দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এর আগে, মাদকসহ কালু ও তার পরিবারের বেশ 몇জন সদস্য একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগও করেছেন।

থানা সূত্রে জানা যায়, গত বছরের জুন মাসেও তৎকালীন আখাউড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফয়সাল উদ্দিনের নেতৃত্বে আখাউড়া থানা পুলিশ এবং জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) যৌথ টাস্কফোর্স একই বাড়িতে অভিযান চালায়। সেবার ১০টি সিসি ক্যামেরা, বিপুল পরিমাণ মাদক, মাদক বিক্রির নগদ অর্থ এবং অর্ধশতাধিক চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল। ওই অভিযানে দুই নারীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

অভিযোগ রয়েছে, জামিনে মুক্ত হওয়ার পর তারা আবারও নতুন করে সিসি ক্যামেরা বসিয়ে মাদক কারবার শুরু করে।

আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাবেদ উল ইসলাম বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কালু ও ইদনের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ চোরাই মোবাইল ফোন, একটি ল্যাপটপ, সিসি ক্যামেরা এবং বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এই অভিযানে ইদনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জলবায়ু সচেতনতায় চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৬ পি.এম


জলবায়ু সচেতনতায় চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে প্রশাসন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এই উপলক্ষে আজ চুয়াডাঙ্গায় বৃক্ষরোপণ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।

লার্নিং এক্সিলারেশন ইন সেকেন্ডারি এডুকেশন প্রকল্পের আওতায় চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আজ বৃক্ষ রোপণ ও শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে আজ সকালে এম এ বারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুর রশিদ, চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার সোহেল আহমেদ, দৈনিক আজকের চুয়াডাঙ্গা পত্রিকার সম্পাদক বিপুল আশরাফ এবং বিদ্যালয়ের দাতা সদস্য মালিক আসাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ছিলেন শিক্ষক নাজমুল কবির। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষকমণ্ডলী ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর বিদ্যালয় চত্বর থেকে একটি শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি এতিমখানা সড়ক হয়ে সাতগাড়ী মোড় ঘুরে বিদ্যালয়ে এসে শেষ হয়। এতে শিক্ষার্থীরা জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে বিভিন্ন ব্যানার ও ফেস্টুন বহন করে। পরে স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষ রোপণ ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সুন্দরবনে উদ্ধার হওয়া ২৮ কেজি ওজনের অজগর হার্ডওয়্যারের দোকানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৭ পি.এম


সুন্দরবনে উদ্ধার হওয়া ২৮ কেজি ওজনের অজগর হার্ডওয়্যারের দোকানে

সাতক্ষীরার শ্যামনগরে, সুন্দরবনের সংলগ্ন বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের নীলডুমুর বাজারের একটি হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে বন বিভাগ ২৮ কেজি ওজনের একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে। সোমবার (২৯ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় বন বিভাগ ও সিপিজি সদস্যরা সাপটি উদ্ধার করেছেন।

উদ্ধারের পরে প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণ শেষে সাপটি সুন্দরবনে অবমুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

নীলডুমুর বাজারের হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ী হারুন জানান, সকালে তিনি দোকান খুলে ভেতরে একটি বিশাল অজগর সাপ দেখতে পান এবং ফলে তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তার ডাক-চিৎকারে পাশের দোকানের লোকজন জড়ো হন। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকার উৎসুক জনতা দোকানের সামনে ভিড় করে।

পরে বন বিভাগকে খবর দেওয়া হলে বনকর্মী ও সিপিজি সদস্যরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় সতর্কতার সঙ্গে সাপটি উদ্ধার করেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বাজারের মতো জনবহুল এলাকায় এত বড় অজগর সাপ আগে কখনো দেখা যায়নি। সাপটি দোকানের ভেতরে কীভাবে প্রবেশ করেছে, তাতে তারা নিশ্চিত নন, কিন্তু ধারণা করা হচ্ছে যে আশপাশের বনাঞ্চল বা ঝোপঝাড় থেকে খাবারের সন্ধানে অজগরটি লোকালয়ে চলে আসে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশনের সহকারী স্টেশন কর্মকর্তা ইরফান উদ্দিন জানিয়েছেন, উদ্ধার করা অজগরটি ছিল সুস্থ। প্রয়োজনীয় পর্যবেক্ষণের পরে সেটিকে সুন্দরবনের নিরাপদ আবাসস্থলে অবমুক্ত করা হয়েছে। তিনি বন্য প্রাণী দেখলে আতঙ্কিত না হয়ে, কিংবা প্রাণীটির কোনো ক্ষতি না করে, দ্রুত বন বিভাগকে খবর দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দাওরার সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া জেনে নিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২৯শে জুন, ২০২৬ ইং

০৪:৪৯ পি.এম


দাওরার সনদ সংগ্রহের প্রক্রিয়া জেনে নিন

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর সাময়িক সনদ উত্তোলন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য-সাময়িক সনদ এবং মূল সনদের কার্যকারিতা একই রকম। তবে মূল সনদ সাধারণত ফল প্রকাশের ৩-৪ বছর পরে সংশ্লিষ্ট মাদরাসায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়ে থাকে। তাই প্রয়োজনের তাগিদে আমার মতো অনেকেই সাময়িক সনদ উত্তোলন করছেন। যারা সাময়িক সনদ সংগ্রহ করতে চান, তাদের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো।

আল-হাইআতুল উলয়ার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ বা ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্ধারিত লিংকের মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করা সম্ভব। আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর সনদ প্রস্তুত হলে আপনার মোবাইলে এসএমএস পাঠানো হবে।

এরপর আল-হাইআতুল উলয়ার অফিসে উপস্থিত হয়ে নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিয়ে সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন: দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, নিবন্ধনপত্র, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্মনিবন্ধন সনদ।

এছাড়া কেউ চাইলে সরাসরি অফিসে গিয়েও আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার পর সাধারণত প্রায় এক ঘণ্টার মধ্যে সনদ প্রস্তুত হয়ে যায় এবং একই দিন সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।

সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষার্থীকে নিজে উপস্থিত হয়ে সনদ সংগ্রহ করতে হয়। কুরিয়ার বা অন্য কোনো মাধ্যমে সনদ পাঠানোর সরকারী ব্যবস্থা নেই। তবে পরীক্ষার্থী যদি দেশের বাইরে অবস্থান করে, সেক্ষেত্রে একজন প্রতিনিধির মাধ্যমে সাময়িক বা মূল সনদ উত্তোলন করা যাবে। এই পরিস্থিতিতে প্রতিনিধির কাছে নিম্নোক্ত কাগজপত্র থাকতে হবে:

পরীক্ষার্থীর পরিচয় ও প্রতিনিধির তথ্য উল্লেখ করে দাওরায়ে হাদীস মাদরাসার প্যাডে মুহতামিম বা নাযিমে তা‘লীমাত সাহেব কর্তৃক স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র, দাওরায়ে হাদীস পরীক্ষার মূল প্রবেশপত্র, নিবন্ধনপত্র, পরীক্ষার্থীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্মনিবন্ধন সনদ, প্রতিনিধির জাতীয় পরিচয়পত্র।

সনদপত্রের জন্য ফি: ২০০ টাকা

নম্বরপত্রের জন্য ফি: ১০০ টাকা (প্রতি কপি)

নম্বরপত্র আরবি, বাংলা ও ইংরেজি এই তিন ভাষায় সংগ্রহ করা সম্ভব। ইচ্ছা করলে তিনটিই নেওয়া যাবে, অথবা যেকোনো দুটি কিংবা একটি নেওয়া যাবে। শুধুমাত্র সনদপত্রও সংগ্রহ করা যেতে পারে।

সাধারণ কার্যক্রমের সময়সূচি: শনিবার থেকে বুধবার: সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। বৃহস্পতিবার: সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

তবে সনদ উত্তোলনের জন্য:

শনিবার থেকে বুধবার: বিকেল ৩টার মধ্যে হাজির হতে হবে। বৃহস্পতিবার: দুপুর ১২টার মধ্যে হাজির হতে হবে। শুক্রবার এবং সরকারি বিশেষ ছুটির দিনে অফিস বন্ধ থাকে।

অফিসের ঠিকানা:

আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশ, যাত্রাবাড়ী মোড়, যাত্রাবাড়ী থানার পেছনে, বিবির বাগিচা ১ নম্বর গেট, ঢাকা। গেট দিয়ে প্রবেশ করে ডান পাশে প্রথম ভবন হাসিব টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় আল-হাইআতুল উলয়ার অফিস অবস্থিত। আল্লাহ তাআলা সকলের জন্য প্রয়োজনীয় কাজগুলো সহজ করে দিন। আমিন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৭ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%