০৫:১৭ পি.এম
আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় চলতি বছর চায়ের বাম্পার ফলনের উজ্জ্বল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
এছাড়াও, এবার চায়ের গুণগত মানও অন্যান্য বছরের তুলনায় ভালো হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এরই মধ্যে জেলার ছোট-বড় ৯৩টি চা বাগানে শুরু হয়েছে পুরোদমে পাতা উত্তোলন ও উৎপাদন।
আরও পড়ুন: বাকেরগঞ্জে বিএনপির গণসমাবেশে জনতার ঢল, হেলিপ্যাড মাঠজুড়ে জনসমুদ্র দুই ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ উপজেলার কয়েকটি এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পাহাড়ের ঢালে সারি সারি চা-বাগান।
বাগানজুড়ে সবুজ কচি চা-পাতার সমাহার। চলতি বছর চা উৎপাদন মৌসুমের শুরুতেই আগাম বৃষ্টিপাত এই জেলার চা শিল্পে আশার আলো জাগিয়েছে।
চা উৎপাদনের ভরা মৌসুমে এসে দুহাত ভরে ‘দুটি পাতা একটি কুঁড়ি’ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বাগানের নারী শ্রমিকরা।
গত বছরের এই সময়ে জেলার সবকটি বাগানে এমন সবুজের সজীবতা ছিল না।
আরও পড়ুন: এওয়াজপুরের চেয়ারম্যান প্রার্থী মোস্তফা কামালের বিশাল মোটরসাইকেল শোডাউন
পর্যাপ্ত চা-পাতার অভাবে তখন নারী শ্রমিকদের দৈনিক লক্ষ্যমাত্রা (নিরিখ) পূরণ করা কঠিন ছিল।
তবে এবার ভরা মৌসুমেও প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত ও সহনীয় তাপমাত্রায় চায়ে ব্যাপক সফলতা এসেছে।
খুশি মনে শ্রমিকরা ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পাতা উত্তোলনের কাজ করছেন।
সেই সাথে কারখানাগুলোতেও পুরোদমে চায়ের উৎপাদন শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: শেরপুরের কুসুমহাটিতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হাতে চাচা খুন, খুনি ভাতিজার বাড়িতে স্থানীয়দের অগ্নীসংযোগ করেছে এলাকাবাসী,
ভাড়াউড়া চা বাগানের নারী শ্রমিক গীতাসহ একাধিক শ্রমিকের সাথে কথা বলে জানা যায়, এ বছর চা গাছে পর্যাপ্ত কচি পাতা রয়েছে।
তারা জানান, প্রতিদিন একেকজন শ্রমিক ২৫ থেকে শুরু করে ৪০ কেজি পর্যন্ত পাতা উত্তোলন করতে পারছেন।
চা শ্রমিক সর্দার উত্তম জানান, সামনের মাসগুলোতে আরও বেশি পাতা পাওয়া যাবে।
ভালো পাতা পাওয়ায় নারী শ্রমিকরা সহজেই নিরিখ পূর্ণ করতে পারছেন, এতে সবাই বেশ খুশি।
আরও পড়ুন: গোবিন্দগঞ্জে মাদক সেবনে নিষেধ করায় নারীকে মারধর ও শ্বাসরোধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ
চা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ছেরাগ আলী মাস্টার উৎপাদিত চায়ের গুণগত মান ভালো হওয়ার কথা উল্লেখ করেছেন, পাশাপাশি বাগানে পোকামাকড়ের আক্রমণের কথাও জানিয়েছেন।
রোগবালাই দমনে তিনি বাগান কর্তৃপক্ষের নজর দেয়ার দাবি করেন।
বাংলাদেশ টি অ্যাসোসিয়েশনের সিলেট শাখার চেয়ারম্যান জি এম শিবলী জানান, ‘এই আবহাওয়া অব্যাহত থাকলে এ বছর রেকর্ড পরিমাণ চা উৎপাদন হবে।’
অপরদিকে, চায়ের গুণগত মান ও উৎপাদন বাড়াতে এ বছর বাগানগুলোতে সব ধরনের সহায়তা দেয়ার কথা জানিয়েছেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রকল্প উন্নয়ন পরিচালক ড. এ কে এম রফিকুল হক।
আরও পড়ুন: রাজশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন, র্যালি ও পুরস্কার বিতরণ
বাংলাদেশ চা বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, চলতি বছর (২০২৬ সাল) দেশে ১০ কোটি ৪০ লাখ কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন