বৃহস্পতিবার, ২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৮:৫১ এম
জাপানে চার দিনের সরকারি সফর শেষ করে আজ বৃহস্পতিবার রাতে দেশে ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে (ভিভিআইপি ফ্লাইট) টোকিওর হানেদা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেবেন এবং বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতেই ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবেন।
এই সফরের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো দৃঢ় করা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া।
সফরের সময় কৃষি, অবকাঠামো উন্নয়ন, সাইবার নিরাপত্তা, তথ্য-প্রযুক্তি এবং শিল্প খাতের মানোন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে দুই দেশের মধ্যে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জাপানের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় কাটান। তার সফরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শীর্ষ পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক, যেখানে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট নানা বিষয় এবং কৌশলগত অংশীদারি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের সম্রাট নারুহিতোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তিনি জাপানি বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতাদের নিয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট সামিট’-এ অংশ নিয়ে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের নানা সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন।
সফরের শেষ ভাগে, টোকিওতে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত একটি নাগরিক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগদান করেন তিনি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ তারা শুরু করেনি। তবে, তার মতে, তিনি ক্ষমতায় আসার পূর্বে এই সংঘাতের সমাধান হওয়া উচিত ছিল।
৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের চিলিকোথে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প এসব মন্তব্য করেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ইরানের কাছে এখনো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে, কিন্তু সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ট্রাম্প দাবি করেন, ইরানের ড্রোন উৎপাদনকারীরা বর্তমানে সংকটের মুখোমুখি হয়েছে। তার ভাষ্যমতে, বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ড্রোন নির্মাতারা উৎপাদন কার্যক্রম চালাতে পারছেন না।
ট্রাম্প বলেন, “আমরা এই যুদ্ধ শুরু করিনি।” তিনি আরও বলেন, “আমি এখানে আসার অনেক আগেই এই সংঘাতের সমাধান করা উচিত ছিল।”
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। সেই সময় ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে ওমানের মধ্যস্থতায় আলোচনা চলছিল। আলোচনার সময়েই দ্বিতীয়বারের মতো ইরানে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
এর আগে, গত বছরও আলোচনা চলাকালীন সময়ে ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলোতে বোমা হামলা চালিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
দশকের পর দশক ধরে ভোটদানকে অর্থহীন মনে করে আসা এবং ইসরায়েলি রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে বয়কট করার দীর্ঘ অবস্থান ভেঙে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন ইসরায়েলের বহু ফিলিস্তিনি নাগরিক। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তীব্র বৈষম্য ও প্রাতিষ্ঠানিক অবহেলার বিপরীতে নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষা এবং কট্টর ডানপন্থী শক্তির উত্থান প্রতিহত করতেই তাদের এই নীতিগত অবস্থান বদল ঘটেছে।
ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০ শতাংশের বেশি) ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আরব নাগরিক। দীর্ঘদিন ধরে তাঁদের একটি বড় অংশ এই বিশ্বাসে নির্বাচন বর্জন করে আসছিল যে, যে রাষ্ট্রকাঠামো তাঁদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক হিসেবে গণ্য করে এবং অধিকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের ওপর দমনপীড়ন চালায়, সেই ব্যবস্থার নির্বাচনে অংশ নেওয়া মানে প্রকারান্তরে রাষ্ট্রের দমনমূলক নীতিকেই বৈধতা দেওয়া। তাছাড়া বিগত কোনো সরকারই আরব সম্প্রদায়ের মৌলিক নাগরিক সমতা, বাজেট বরাদ্দ বা আইনগত নিরাপত্তার প্রশ্নে কার্যকর কোনো পরিবর্তন আনেনি।
তবে সাম্প্রতিক নির্বাচনে এই বয়কটের প্রাচীর ভাঙার পেছনে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করেছে দেশটির রাজনীতিতে কট্টর ডানপন্থী ও চরম বর্ণবাদী রাজনীতিকদের নগ্ন উত্থান। সরকারে এসব চরমপন্থীদের ক্ষমতার অংশীদার হওয়া ঠেকাতে এবং নিজেদের সম্প্রদায়ের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে অনেকেই এবার ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
স্থানীয় শহরগুলোতে অনিয়ন্ত্রিত অপরাধ ও সহিংসতা দমন, বাড়িঘর উচ্ছেদ ও জমি দখল রোধ এবং বাজেট বৈষম্য কমানোর শেষ আইনি হাতিয়ার হিসেবে সংসদীয় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করাকেই এখন সবচেয়ে বাস্তবসম্মত লড়াই বলে বেছে নিচ্ছেন দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকরা।
সূত্র: হারেৎজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ইসরায়েলের পার্লামেন্ট (নেসেট) নির্বাচনে আরব দলগুলো নজিরবিহীনভাবে ১৯টি আসন পাওয়ার পূর্বাভাস পাওয়া সত্ত্বেও, দেশটির ফিলিস্তিনি ও আরব নাগরিকদের মধ্যে স্বস্তির পরিবর্তে গভীর সংশয় দেখা দিয়েছে। কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করতে আরব ভোটাররা রেকর্ড হারে ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত হলেও, ইসরায়েলি রাজনীতির জটিল সমীকরণে এই আসনগুলো কি সত্যিই নেতানিয়াহুর বিদায় নিশ্চিত করবে, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে।
ভোট গণনার প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, নেতানিয়াহুর ডানপন্থী জোট একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার (৬১ আসন) তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দলনেতা গাদি আইজেনকোটের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবির এবং আরব দলগুলোর আসন মিলিয়ে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যা (প্রায় ৬৭ আসন) দাঁড়িয়েছে। এই রাজনৈতিক পটভূমিতে আরবদের ভূমিকা এখন সরকার গঠনের মূল চাবিকাঠি হয়ে উঠেছে।
তবে, আরব ভোটার ও রাজনৈতিক মহলে সংশয়ের মূল কারণগুলো হলো: ইহুদি বিরোধী দলগুলোর দ্বিধাদ্বন্দ্ব। আইজেনকোটসহ মূলধারার বিরোধী নেতারা নির্বাচনী প্রচারে আরব দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সরকার না গড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। আরব দলগুলোর সরাসরি সমর্থন গ্রহণ করলে ডানপন্থী ইহুদি ভোটারদের ক্ষোভের মুখোমুখি হতে পারেন তাঁরা।
নেতানিয়াহুর কড়া প্রচারও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি আরব দলগুলোকে নিয়ে সরকার গঠনের যেকোনো প্রচেষ্টাকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল’ বলে আক্রমণ করছেন, যা ইহুদি বিরোধী দলগুলোর ওপর তীব্র মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি করছে।
আরব দলগুলোর অভ্যন্তরীণ বিভক্তিও একটি সমস্যা। ‘জয়েন্ট লিস্ট’ আইজেনকোটের সঙ্গে কাজ করে নেতানিয়াহুকে ক্ষমতাচ্যুত করার প্রস্তাব দিলেও, মনসুর আব্বাসের দল ‘রাম’ তাদের সব পথ খোলা রাখছে।
আরব দলগুলোর প্রাপ্ত ১৯টি আসন নেতানিয়াহুর পথকে কঠিন করে দিলেও, বিরোধী দলগুলো তাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে জোট বাঁধবে কি না অথবা শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল ফের কোনো রাজনৈতিক অচলাবস্থা ও পুনর্নির্বাচনের দিকে যাবে কি না, তা দেশটির ক্ষমতার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।
সূত্র : হারেৎজ।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, খুলনা বিভাগের অনেক স্থানে, এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।
পূর্বাভাসে আরও জানানো হয়েছে, পশ্চিমমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তার নিকটবর্তী এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব বুধবার সকালে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূল অতিক্রম করে বর্তমানে অন্ধ্র প্রদেশ ও তার সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় আকারে অবস্থান করছে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ক্রমান্বয়ে দুর্বল হতে পারে।
পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায়ও অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এই সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
ঢাকায় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হতে পারে। বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকায় বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা ছিল ৫৭ শতাংশ।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৫টা ২১ মিনিটে এবং শুক্রবার সূর্যোদয় হবে ভোর ৬টা ৩ মিনিটে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ