০৭:৫৯ এম
মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ ২৯০ বাংলাদেশি সহ ৫০৩ জন বিদেশি নাগরিককে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক করেছে। ১৮টি ভিন্ন স্থানে একযোগে পরিচালিত এই অভিযানে মূলত অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশিদের পরিচালিত ব্যবসাগুলোকে লক্ষ্য করা হয়।
ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান সোমবার (১৩ জুলাই) এক বিবৃতিতে বলেন, এই যৌথ অভিযানে ইমিগ্রেশন বিভাগ, জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ, পুলিশ ও স্থানীয় সরকারের প্রায় ৮৭৬ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। অভিযান চলাকালীন মোট ২ হাজার ২৬০ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৫০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আটকদের মধ্যে বেশিরভাগই বাংলাদেশি, তবে মিয়ানমারের ১০১ জন, ইন্দোনেশিয়ার ৬৬ জন, নেপালের ৩৮ জন, ভারতের ৩৬ জন এবং অন্যান্য দেশের ১০ জন নাগরিকও রয়েছেন। ২১ থেকে ৫২ বছরবয়সী এই দলের মধ্যে ৯৫ জন নারীও রয়েছেন, যাদের সবাইকে পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য বিভিন্ন ইমিগ্রেশন ডিপোতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্প প্রসারের প্রতিশ্রুতি প্রধানমন্ত্রীর
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট তদন্তে সাক্ষী হিসেবে সহায়তার জন্য আরো ১২০ জন ব্যক্তিকে বিশেষ নোটিশ (বোরং ২৯) দেওয়া হয়েছে বলে অভিবাসন বিভাগ নিশ্চিত করেছে।
ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, আটকদের বিরুদ্ধে মূলত বৈধ কাগজপত্র না থাকা, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর অবস্থান করা (ওভারস্টে) এবং ভিসার শর্ত অপব্যবহারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, অনেকের কাছে নির্মাণ খাতের ভিসা থাকলেও তারা কাপড়ের দোকানে কাজ করছিলেন। পাশাপাশি কয়েকজন ইউএনএইচসিআর কার্ডধারীর কার্ডের সত্যতা যাচাইয়ের জন্যও তাঁদের আটক করা হয়েছে।
মহাপরিচালক আরো জানান, পুরো মালয়েশিয়াজুড়ে দুই শতাধিক ‘হটস্পট’ চিহ্নিত করা হয়েছে, যার অর্ধেকই দেশের ক্লাং ভ্যালি এলাকায় অবস্থিত।
আরও পড়ুন: শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী ধারণায় অর্থায়ন করবে সরকার: মাহদী আমিন
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন