ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে


ছেলের বউ ও প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে দুই অভিযুক্ত কারাগারে

জয়পুরহাট সদর উপজেলার বানিয়াপাড়া গ্রামে ছেলের বউকে ধর্ষণের চেষ্টা ও ভগবানপুর গ্রামে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগে আটক দুই ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বুধবার বিকেলে জয়পুরহাট চিফ জুডিশিয়াল আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

অভিযুক্ত দুই ব্যক্তি হলেন, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া গ্রামের মৃত আফছার আলী গোয়ালের ছেলে সাখাওয়াত হোসেন আদা এবং নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার উত্তর রামপুর গ্রামের মৃত হজ্জম উদ্দীনের ছেলে আবু আসাদ।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

পুলিশ জানায়, জয়পুরহাট সদর উপজেলার বম্বু ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া পুলিশ বক্স সংলগ্ন নয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সাখাওয়াত হোসেন বিয়ের পর থেকেই ছেলের বউয়ের উপর কু নজর দেয়। সর্বশেষ ৮ জুন, স্বামী রাজমিস্ত্রীর কাজে বাইরে থাকার সময় শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেন ঘরে ঢুকে জোর পূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। ভুক্তভোগী বাধা দিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে যান। এই ঘটনাটি নানাবিধ কারণে বারবার সংঘটিত হওয়ায় বিষয়টি স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ জানানো হয়। ১৬ জুন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এই বিষয়ে সালিস চলাকালীন পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ এসে অভিযুক্ত শ্বশুর সাখাওয়াত হোসেনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ওই রাতেই ছেলের বউ থানায় একটি ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলা দায়ের করেন।

অন্যদিকে, জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামে বুদ্ধি প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীর নানীর দায়ের করা এজাহার অনুযায়ী, ১৬ জুন রাত আনুমানিক ৮:৩০ টার দিকে অভিযুক্ত মো. আবু আসাদ ওই প্রতিবন্ধী নারীর মুখ চেপে ধরে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। নানী চিৎকার শোনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে টাকা দেওয়ার লোভ দেখিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

এরপর, স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তকে আটক করে ৯৯৯ নাম্বারে ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে হেফাজতে নেয়। পরে বুধবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে অভিযুক্ত দুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ফটিকছড়িতে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক জিসান নিহত, আহত ৪

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৫ পি.এম


জেলা-উপজেলা হাসপাতালে পর্যায়ক্রমে ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, দেশের প্রত্যেক জেলা-উপজেলা হাসপাতালের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে কিডনি রোগীদের জন্য ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে।

আজ বিকেলে রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালে পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে এই তথ্য শেয়ার করেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পর্যায়ক্রমে জেলা-উপজেলা হাসপাতালগুলোতে কিডনি রোগীর ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। এর ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও ডায়ালাইসিস সেবা গ্রহণ করতে পারবে।

তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে আমরা কাজ করছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার জন্য যে বাজেট ব্যবস্থা করেছেন, আমরা আশা করি প্রত্যেক জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কিডনি ডায়ালাইসিসের সুবিধা প্রদান করতে সক্ষম হবো। এর মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চলের জনগণ কম খরচে ডায়ালাইসিসের সেবাও পাবেন। ইতোমধ্যে আমরা ১০ টি হাসপাতালে এই লক্ষ্য পূরণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি।

এছাড়া, রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ মঞ্জুর মোর্শেদ, রাজবাড়ির জেলা সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, এবং রাজবাড়ী জেলা সদর হাসপাতালের সুপারিনটেনডেন্ট ডা. মো. আব্দুল হান্নান এই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


খুলনায় সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব, সমস্যা, সম্ভাবনা শীর্ষক সেমিনার

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিদ্যুতের চাহিদা পূরণে বর্তমান সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সৌরশক্তিকে কাজে লাগানো। বাস্তবতা হচ্ছে, সোলারের যে যুগটা শুরু হয়েছিল সেটা হঠাৎ থমকে গেছে।

গ্রামের হাট-বাজারের ছোট-বড় দোকানগুলোতে সোলারের প্রচলন অনেক বেড়ে গিয়েছিল। তবে তিনি মন্তব্য করেন, এ সেক্টরে কারিগরিভাবে দক্ষ জনবলের অভাব এবং সোলার এনার্জির ক্ষেত্রে বিগত সরকারের অসহযোগিতা দায়ী।

আজ বুধবার দুপুরে, নগরীর সোনাডাঙ্গাস্থ কেসিসি’র সোলার এনার্জি পার্কের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে আয়োজিত ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুতের গুরুত্ব: সমস্যা, সম্ভাবনা এবং করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কেসিসি প্রশাসক এ কথা বলেন।

‘প্রকৃতিতে বাঁচি-প্রকৃতি বাচাই’ শিরোনামের নাগরিক সংগঠন পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ এই সেমিনারের আয়োজন করে। বিকল্প জ্বালানি হিসেবে সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালুর লক্ষ্য নিয়ে সংস্থাটি এখানে সেমিনারটি আয়োজন করে।

কেসিসি প্রশাসক আরও বলেন, বিকল্প এনার্জি ছাড়া চলা সম্ভব নয়। এটি ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ আমাদের উপলব্ধি করিয়েছে। চায়নার একটি কোম্পানি খুলনায় সোলার প্যানেল ম্যানুফ্যাকচার কোম্পানি করতে চায়, উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিনিয়োগকারীদের এই আগ্রহ কাজে লাগাতে হবে।

বিদ্যুৎ ঘাটতি মোকাবিলায় বিচ্ছিন্নভাবে নয়, সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। একইসাথে তিনি সবুজ শহর বিনির্মাণের পাশাপাশি সোলার শহর বিনির্মাণ আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং তিনি জানান, সোলার এনার্জি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মোট জ্বালানির মধ্যে বিকল্প জ্বালানির উৎস হিসেবে নবায়নযোগ্য সৌরবিদ্যুতের হার তুলে ধরে সেমিনারে বক্তারা বলেন, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতায় জ্বালানি তেল, গ্যাস ও কয়লার আমদানিতে জটিলতা এবং এর উচ্চমূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জ্বালানির অভাবে বহু শিল্প-কারখানা বন্ধ হওয়ার উপক্রম। পানি ও সেচের অভাবে দেশের কৃষি ও কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অন্যদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারের ফলে কার্বন নিঃসরণের কারণে আমাদের পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও জলচ্ছ্বাসে আক্রান্ত হচ্ছি। তবে বর্তমান সরকারের সোলার বিদ্যুৎ উৎপাদনকে খুবই গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে রিনিউয়্যাবল এনার্জি খাতে সর্বোচ্চ বিনিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন।

এছাড়া, সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সোলার যন্ত্রাংশ আমদানি শুল্কমুক্ত করার কথাও বক্তারা উল্লেখ করেন।

পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এ্যাড. কুদরত-ই-খুদা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইয়াহিয়া, কেডিএ’র প্রধান প্রকৌশলী মো. সাবিরুল আলম, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিহির লাল সরদার, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর ড. সালাহ উদ্দিন মিনা, ওজোপাডিকো’র সহকারী প্রকৌশলী নন্দলাল চন্দ্র সরকার, প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম, কেসিসি’র সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) জাহিদ হোসেন শেখ ও জেট নেট বিডি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ।

প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন ইনিশিয়েটিভ ফর রাইট ভিউ’র নির্বাহী পরিচালক মেরিনা যুথি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৭ পি.এম


বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া যাবে না: আব্দুস সালাম

বাজেটের অভাবের কারণে অনেক কিছু করা সম্ভব নয়, এ নিয়ে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম। তিনি জানিয়েছেন, তবে কিছু কিছু কাজ বাজেটের দোহাই দিয়ে পার পাওয়া সম্ভব হবে না।

এছাড়া বিগত সরকারের তুলনায় বর্তমান প্রশাসনের কর্মকর্তারা অধিক সক্রিয় ও দ্রুততার সঙ্গে কাজ করছেন, এ সম্পর্কে মন্তব্য করেন ঢাকা-৭ আসনের এমপি হামিদুর রহমান হামিদ।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে রাজধানীর লালবাগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মশক নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবা নিয়ে জনগণের গণশুনানির আয়োজন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন।

এ সময় দক্ষিণের প্রশাসক বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, সড়কে লাইট, মশা নিধনে বিশাল প্রকল্প হাতে নিতে হবে। সেইসাথে জনগণকেও সচেতন হতে হবে।

সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নাগরিক সনদ দেওয়ার জন্য কোনো তালবাহানা করা যাবে না। জন্ম সনদে কোনো ঝামেলা হলে, ওয়ারিশ সাটিফিকেট বৈধ হলে তা অবিলম্বে জনগণকে প্রদান করতে হবে। আরও বড় পরিকল্পনা গ্রহণ না করলে পুরান ঢাকার জলাবদ্ধতা কমানো সম্ভব হবে না এবং ওয়াসার পানির লিকেজ, গ্যাসের লাইনের লিকেজসহ বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা তুলে ধরে সেগুলোর সমাধানের পরামর্শ দেন ঢাকা-৭ আসনের এমপি হামিদুর রহমান হামিদ।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধুমাসে চট্টগ্রামের ফলের বাজারে বেড়েছে প্রাণচাঞ্চল্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:৫৮ পি.এম


মধুমাসে চট্টগ্রামের ফলের বাজারে বেড়েছে প্রাণচাঞ্চল্য

মধুমাসের এই সময়ে মৌসুমি সুস্বাদু ফলে সয়লাব হয়ে উঠেছে নগরী ও জেলার বাজারগুলো এবং সড়কপাশের অস্থায়ী দোকানগুলো।

ফলে স্থানীয় বাণিজ্যিক কর্মকা-ে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।

চট্টগ্রাম অঞ্চলে অ-বাণিজ্যিক ও বসতভিটাভিত্তিক পারিবারিক ফলচাষের বিস্তৃতি ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

বাজারগুলোতে এখন বিভিন্ন জাতের আম, কাঁঠাল, লিচু, আনারস ও জামরুলের প্রাচুর্য দেখা যাচ্ছে।

ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ফলের চাহিদা ও বিক্রি ভালো থাকলেও বিপুল সরবরাহের কারণে মৌসুমের এ সময়ে দাম তুলনামূলক কম রয়েছে।

নগরীর প্রধান পাইকারি ফলের মোকাম রিয়াজউদ্দিন বাজার ও স্টেশন রোডের ফলম-ি এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, শত শত স্থায়ী ফলের আড়ত ও গুদামে বিভিন্ন ধরনের ফলের বিপুল মজুত রয়েছে।

বাহারি রঙ ও তাজা ফলের সমারোহে মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, মৌসুমি ফলের ব্যাপক সরবরাহ স্থানীয় বাজারে বেচাকেনা বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে নতুন গতি এনেছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, স্থানীয় ও উন্নত জাতের নানা ধরনের ফল জেলার বিভিন্ন বাজারে উঠতে শুরু করেছে।

সামনের সপ্তাহগুলোতে মৌসুমি ফলের সরবরাহ আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

গাউসিয়া ওয়্যারহাউসের মালিক মো. আরিফ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে (বাসস) জানান, বর্তমানে বাজারে হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, ক্ষীরসাপাত, ল্যাংড়া, ফজলি, আশ্বিনা ও মোহনভোগসহ জনপ্রিয় বিভিন্ন জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে।

পাশাপাশি গালা, রসা, খাজা, ছোট খাজা, বড় খাজা, দেশি ও মধু জাতের কাঁঠালও বিভিন্ন আড়তে বিক্রির জন্য প্রদর্শন করা হচ্ছে।

বাজারে বর্তমানে বোম্বাই, মাদ্রাজি, চায়না-১, চায়না-৩, বেদানা, মুজাফফরপুরী, এলাচি, কদমি ও বারি জাতের লিচু পাওয়া যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, বিশেষ করে চায়না-৩, বোম্বাই ও মাদ্রাজি জাতের উচ্চফলনশীল ও শংকর লিচুর বাণিজ্যিক চাষে কৃষকদের ব্যাপক আগ্রহের ফলে উৎপাদন ও বাজারে সরবরাহ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

হানি কুইন (জলডুগি), জায়ান্ট কিউ, ঘোড়াশাল, ক্যালেন্ডার, দেশি ও পাহাড়ি জাতের আনারসেরও পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে বাজারে।

ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে মান ও আকারভেদে কাঁঠালের দাম প্রতি পিস ১০০ থেকে ৩৫০ টাকা।

অন্যদিকে আম বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ থেকে ১২০ টাকা, আনারস প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং লিচু প্রতি ১০০টি ৩০০ থেকে ৭০০ টাকায়।

সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন ফলের দামে ওঠানামা হতে পারে।

তবে অধিকাংশ ফলের দাম বর্তমানে ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই রয়েছে।

এদিকে ফলের দাম নিয়ে ভোক্তাদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

ফলম-ির পাইকারি বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মোহাম্মদ আবদুল হালিম বলেন, মৌসুমি ফলগুলো যেমন পুষ্টিকর, তেমনি সুস্বাদুও।

মৌসুমের শুরুতে দাম কিছুটা বেশি ছিল, তবে বাজারে সরবরাহ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হয়ে আসছে।

ফল বিক্রেতা আলাউদ্দিন জানান, বাজারে সরবরাহ আরও বাড়তে থাকায় আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বিভিন্ন ফলের দাম আরও কমতে পারে।

এদিকে রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের পাহাড়ি জেলার কৃষকেরা চলতি মৌসুমের ফলন নিয়ে আশাবাদী।

রাঙামাটির কৃষক অরুণজ্যোতি চাকমা বলেন, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে এ বছর ফলের উৎপাদন ভালো হয়েছে এবং ফলনও আশাব্যঞ্জক।

অন্যদিকে জেলার বাঁশখালী উপজেলার কালীপুর এলাকার লিচুচাষি মোস্তাক আহমেদ জানান, চলতি মৌসুমে ‘কালীপুর ব্র্যান্ড’ লিচু বিক্রি করে তিনি উল্লেখযোগ্য মুনাফা অর্জন করেছেন, যা নিয়ে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ওমর ফারুক জানান, চট্টগ্রাম জেলা ও রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবানের পার্বত্য জেলাগুলোসহ মোট ৫০৬ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে আমের চাষ হচ্ছে।

এছাড়া ২১৬ হেক্টর জমিতে কাঁঠালের চাষ করা হচ্ছে এবং লিচু ও আনারসের চাষ মিলিয়ে প্রায় ১০০ হেক্টর জমি রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অ-বাণিজ্যিক ও বসতভিটাভিত্তিক ফলচাষ দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সুস্বাদু ফলের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃতি ঘটছে।

একই সঙ্গে আপেল, আঙুর, মাল্টা (মোসাম্বি) ও খেজুরসহ বিভিন্ন আমদানিনির্ভর ফলের চাহিদা ও আমদানির ওপর নির্ভরতা কমছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%