ঢাকা শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শনিবার, ০৭ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২২শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

এক সংস্কৃতির বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি


এক সংস্কৃতির বিতর্কে উত্তাল অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি

 

বহুসংস্কৃতিবাদ নাকি একক সাংস্কৃতিক পরিচয়—এই প্রশ্নে নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে অস্ট্রেলিয়ার রাজনীতি। ওয়ান নেশন নেতা পলিন হ্যানসনের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে সরকার, ধর্মীয় সংগঠন ও অভিবাসী সম্প্রদায়ের মধ্যে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক।

বিশ্বের অন্যতম বহুসংস্কৃতির দেশ হিসেবে পরিচিত অস্ট্রেলিয়ায় আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে জাতীয় পরিচয়, অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রশ্ন। সরকার, বিরোধী দল, ধর্মীয় সংগঠন এবং অভিবাসী সম্প্রদায়ের নেতারা বিষয়টি নিয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিতে শুরু করেছেন।

আরও পড়ুন: বাঘাইহাট জোনের অভিযানে অস্ত্র, গুলি ও সরঞ্জাম উদ্ধার, পালিয়ে গেলেন ইউপিডিএফের কথিত চিফ কালেক্টর

জানা গেছে, গত ১৭ জুন ক্যানবেরার ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবে দেওয়া ভাষণে পলিন হ্যানসন বলেন, অস্ট্রেলিয়া বহু জাতিগোষ্ঠীর দেশ হলেও সাংস্কৃতিকভাবে ‘এক ছাতার নিচে’ থাকা উচিত। তার এ বক্তব্য ঘিরেই দেশটির রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।

বক্তব্যে তিনি বহুসংস্কৃতিবাদকে ‘ব্যর্থ নীতি’ হিসেবে উল্লেখ করে অস্ট্রেলিয়ার জন্য একক সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে মত দেন। একই সঙ্গে অভিবাসন কমানোর, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবস্থানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার, রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম এসবিএস বিলুপ্ত করার এবং সম্প্রচার ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

হ্যানসনের দাবি, অস্ট্রেলিয়া বহু জাতিগোষ্ঠীর মানুষের আবাসভূমি হলেও সাংস্কৃতিকভাবে একটি অভিন্ন পরিচয় থাকা প্রয়োজন। তাঁর মতে, দীর্ঘদিন ধরে অনুসৃত বহুসংস্কৃতিবাদ নীতি সামাজিক সংহতি দুর্বল করেছে এবং জাতীয় মূল্যবোধকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে।

ফলে বিভিন্ন সংস্কৃতিকে সমানভাবে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার ফলে জাতীয় পরিচয়ের ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ৪ দিন ধরে নিখোঁজ সপ্তম শ্রেণির ছাত্র রোহান, পরিবার উদ্বিগ্ন

ভাষণে তিনি অভিবাসন নীতির কঠোর সমালোচনা করে বলেন, কোভিড-পরবর্তী সময়ে উচ্চ অভিবাসন প্রবাহ আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে। তাই অভিবাসন উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ভিসার মেয়াদোত্তীর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

তবে হ্যানসনের বক্তব্যের পরপরই এর বিরোধিতা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবেনিজ বলেন, অস্ট্রেলিয়ার শক্তি তার বৈচিত্র্য ও সামাজিক সম্প্রীতির মধ্যে নিহিত।

তিনি বলেন, বিভাজনের রাজনীতি দেশের মানুষের প্রকৃত সমস্যার সমাধান দিতে পারে না। বরং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতাই অস্ট্রেলিয়ার অগ্রগতির ভিত্তি।

বিরোধী দলের পক্ষ থেকেও ওয়ান নেশনের প্রস্তাবগুলোর বাস্তবতা ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে অভিবাসন ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের মতো বিষয়গুলো আবারও রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসছে।

আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রীর সফরে গাফিলতি ও দেড় বছর অনুপস্থিতির অভিযোগ জনস্বাস্থ্য মেকানিকের বিরুদ্ধে

এদিকে, অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইমামস কাউন্সিল এক বিবৃতিতে হ্যানসনের বক্তব্যের সমালোচনা করেছে। সংগঠনটি বলেছে, আবাসন সংকট, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি কিংবা অন্যান্য অর্থনৈতিক সমস্যার জন্য অভিবাসী বা মুসলিম সম্প্রদায়কে দায়ী করা বাস্তবসম্মত নয়। তাদের মতে, মুসলমানরা দীর্ঘদিন ধরে অস্ট্রেলিয়ার সমাজ, অর্থনীতি ও ইতিহাসের অংশ এবং কোনো ব্যক্তি বা ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর কর্মকাণ্ডের দায় পুরো সম্প্রদায়ের ওপর চাপানো সামাজিক সম্প্রীতির জন্য ক্ষতিকর।

সংগঠনটি আরো বলেছে, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সমঅধিকার, পারস্পরিক সম্মান এবং বহুসংস্কৃতিবাদ আধুনিক অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম ভিত্তি। এসব মূল্যবোধ দুর্বল করার যেকোনো প্রচেষ্টা সমাজে বিভাজন বাড়াতে পারে।

হ্যানসনের ভাষণ চলাকালীন ন্যাশনাল প্রেস ক্লাবের ভেতরেও প্রতিবাদ দেখা যায়। একদল কর্মী ব্যানার প্রদর্শন করে তার নীতির বিরোধিতা করেন। পরে কর্তৃপক্ষ ব্যানারটি সরিয়ে দেয় এবং ঘটনাটি তদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে পাঠানোর কথা জানায়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পলিন হ্যানসনের বক্তব্য শুধু অভিবাসন নীতিকে ঘিরে বিতর্ক সৃষ্টি করেনি বরং অস্ট্রেলিয়ার ভবিষ্যৎ পরিচয়, সামাজিক কাঠামো এবং বহুসংস্কৃতিবাদ নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্ককে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। নির্বাচন সামনে রেখে এই বিতর্ক আগামী মাসগুলোতে দেশটির রাজনৈতিক আলোচনায় আরও গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

আরও পড়ুন: বাহরাইনে রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ফেন্সিং ফেডারেশনের প্রতিনিধি সাক্ষাৎ

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কালিকাপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শাহিন আলম, ভৈরব কিশোরগঞ্জ

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


কালিকাপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কালিকাপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত এডহক পরিচালনা কমিটির পরিচিতি সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির সদস্যদের পরিচয় তুলে ধরা হয় এবং বিদ্যালয়ের উন্নয়ন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের এডহক পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট সালাহ্ উদ্দিন খান। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সদস্য সচিব শাহানা বেগম।
এ সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও শিক্ষাবিষয়ক ব্যক্তিত্ব, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের অ্যান্ড্রয়েড ফোন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং নৈতিক শিক্ষার বিকাশ অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষার্থীদের সুশিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট সালাহ্ উদ্দিন খান বলেন, দল-মত নির্বিশেষে সবার সহযোগিতা নিয়ে বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ও আধুনিকায়নে কাজ করা হবে। তিনি শিক্ষকদের, শিক্ষার্থীদের, অভিভাবকদের এবং এলাকাবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে পরিচালনা কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং প্রতিষ্ঠানটিকে একটি আধুনিক ও যুগোপযোগী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিণত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তিনি অভিভাবকদের নিয়মিত বিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার এবং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের সফলতা এবং দেশ-জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত অতিথি, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
মুহুর্মুহু হামলা

লেবানন থেকে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


লেবানন থেকে পালাচ্ছে হাজারো মানুষ

দক্ষিণ লেবাননে নতুন করে ভয়াবহ ইসরায়েলি বিমান হামলার পর আতঙ্ক এবং নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন হাজারো বেসামরিক মানুষ। তারা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যেতে শুরু করেছে। সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে স্থানীয় সূত্র উল্লেখ করেছে যে, এই হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার, টাইর এবং সাইদা শহরের মধ্যবর্তী কাসমিয়েহ সেতু দিয়ে হাজারো লেবানিজ নাগরিক উত্তরাঞ্চলের নিরাপদ এলাকায় আশ্রয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। এর ফলে সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ পরিবারগুলো সম্ভাব্য আরো হামলার আশঙ্কায় নিজেদের বাড়িঘর ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছেন, এমন খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইরানের নেতাদের মধ্যে আঞ্চলিক উত্তেজনা কমানোর লক্ষ্যে একটি সমঝোতা হয়েছিল। তবে দক্ষিণ লেবাননে সহিংসতা থামেনি, বরং সাম্প্রতিক হামলা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে এবং স্থিতিশীলতার আশা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের মধ্যে কয়েকজন সেনা সদস্যের হতাহত হওয়ার কথা জানিয়েছে। এর ফলে লেবানন-ইসরায়েল সীমান্তে সংঘাত আরো বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি এবং আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ ক্রমেই বাড়ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যদি সীমান্তবর্তী অঞ্চলে চলমান সংঘর্ষ অব্যাহত থাকে তবে তা নতুন মানবিক সংকটের জন্ম দিতে পারে। এতে পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতির ওপর এর প্রভাব পড়তে পারে। তবুও সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন এবং তেল আবিবের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, যদিও যুদ্ধবিরতি কাঠামোর আওতাধীন লেবানন রয়েছে, তবুও ইসরায়েলি বাহিনীর প্রত্যাহার চুক্তির শর্ত নয়। অধিকন্তু, আত্মরক্ষার অধিকার ইসরায়েলের রয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বালিয়াকান্দিতে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৪৮ পি.এম


বালিয়াকান্দিতে মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এক জনসচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ইসলামপুর ইউনিয়নের শালবরাট রেল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়, যা মূলত মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ বন্ধের কৌশল নির্ধারণের জন্য ছিল।

সভায় স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনার সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার।

তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা অত্যন্ত উচ্চ। এসব অপরাধ প্রতিরোধের জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত চেষ্টা প্রয়োজন। তিনি তরুণ সমাজকে মাদক ও অন্যান্য অপরাধ থেকে দূরে রেখে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইনজীবী সাজেদুর রহমান ইদ্রিস, ১নং ওয়ার্ড সদস্য শফিকুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন।

সভায় বক্তারা মন্তব্য করেন যে, মাদকাসক্তি, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ সমাজের জন্য অতি মারাত্মক হুমকি। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।

তারা আরও উল্লেখ করেন যে, অত্র এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে সোহেল গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত। এবং আহম্মদের স্ত্রী ও কন্যাসহ বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসার সাথে যুক্ত রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই বাড়ীতে বাইরের থেকে মেয়ে এনে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তুহিন নামের এক যুবক বাইরের মেয়ে নিয়ে ঐ বাড়ীতে গেলে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া করে। ঠাকুরনো পাড়া এলাকার মাদক ও নারী ব্যবসা বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি করে।

অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে উপস্থিত জনসাধারণকে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতন থাকার এবং যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে জানাতে আহ্বান জানানো হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুলিস্তানে আবাসিক হোটেলে প্রবাসীর অস্বাভাবিক মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

তালাশ বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৫:৫০ পি.এম


গুলিস্তানে আবাসিক হোটেলে প্রবাসীর অস্বাভাবিক মৃত্যু

রাজধানীর গুলিস্তানের আবাসিক হোটেল রমনায় সৌদি প্রবাসী আল আমিন (৪০) নামের এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে সাগরিকা আক্তার নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ওঠেন হোটেলের একটি রুমে।

শুক্রবার (১৯ জুন)  দুপুরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ওই তরুণী সাগরিকা আক্তার জানান, সৌদি আরব প্রবাসী আল আমিনের বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা এলাকায়। তিনি ১৩ জুন দেশে এসেছেন। প্রবাসী আল আমিনের সঙ্গে ৬ মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হওয়া সাগরিকার বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলায়। বিবাহিত সাগরিকা খুলনার একটি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী। তার স্বামীর নাম সুজন। 

 কাউকে না জানিয়ে শুক্রবার সকালেই ঢাকায় আসেন সাগরিকা। আল আমিন আসেন গাজীপুর থেকে। গুলিস্তানে দুইজন দেখা করেন। সৌদি আরব থেকে সাগরিকার পরিচিত কোনো এক ব্যক্তি কিছু জিনিসপত্র পাঠিয়েছিলেন আল আমিনের মাধ্যমে। সেগুলো নিতেই তিনি এসেছিলেন বলে দাবি করেন সাগরিকা।

 তিনি জানান, রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে আল আমিন ও সাগরিকা হোটেল রমনার ৯ম তলায় ৯২৩ নম্বর রুমে উঠেন। সেখানে আল আমিন বাথরুমে গেলে কিছুক্ষণ পরই একটি শব্দ হয়। সাগরিকা দৌড়ে গিয়ে দেখেন, বাথরুমের ফ্লোরে পড়ে আছেন আল আমিন। তৎক্ষণা হোটেল বয়দের ডাক দিলে বাথরুম থেকে উদ্ধার করে  হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে, চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

 ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য রমনা থানায় অবগত করা হয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৬শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫০
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%