জাকির হোসেন পাটোয়ারী রাজবাড়ী প্রতিনিধি
০৫:৪৮ পি.এম
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এক জনসচেতনতামুলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ইসলামপুর ইউনিয়নের শালবরাট রেল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বালিয়াকান্দি থানা পুলিশের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়, যা মূলত মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ বন্ধের কৌশল নির্ধারণের জন্য ছিল।
সভায় স্থানীয় বাসিন্দা, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
আলোচনার সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বালিয়াকান্দি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রব তালুকদার।
তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মাদক, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধের ভয়াবহতা অত্যন্ত উচ্চ। এসব অপরাধ প্রতিরোধের জন্য পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং সমাজের সকল স্তরের মানুষের সম্মিলিত চেষ্টা প্রয়োজন। তিনি তরুণ সমাজকে মাদক ও অন্যান্য অপরাধ থেকে দূরে রেখে নৈতিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হওয়ার জন্য আহ্বান জানান।
ইসলামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আইনজীবী সাজেদুর রহমান ইদ্রিস, ১নং ওয়ার্ড সদস্য শফিকুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সচেতন নাগরিকবৃন্দ সভায় বক্তব্য রাখেন।
সভায় বক্তারা মন্তব্য করেন যে, মাদকাসক্তি, বাল্যবিবাহ, ইভটিজিং ও সাইবার অপরাধ সমাজের জন্য অতি মারাত্মক হুমকি। এসব অপরাধ প্রতিরোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অভিভাবক, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সচেতন নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
তারা আরও উল্লেখ করেন যে, অত্র এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে সোহেল গাঁজা ও ইয়াবা বিক্রির সাথে জড়িত। এবং আহম্মদের স্ত্রী ও কন্যাসহ বেশ কয়েকজন মাদক ব্যবসার সাথে যুক্ত রয়েছেন। শুধু তাই নয়, এই বাড়ীতে বাইরের থেকে মেয়ে এনে তাদের দিয়ে দেহ ব্যবসার অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি তুহিন নামের এক যুবক বাইরের মেয়ে নিয়ে ঐ বাড়ীতে গেলে এলাকাবাসী তাকে ধাওয়া করে। ঠাকুরনো পাড়া এলাকার মাদক ও নারী ব্যবসা বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসী জোর দাবি করে।
অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরে উপস্থিত জনসাধারণকে সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে সচেতন থাকার এবং যে কোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে জানাতে আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর গুলিস্তানের আবাসিক হোটেল রমনায় সৌদি প্রবাসী আল আমিন (৪০) নামের এক যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। অচেতন অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে সাগরিকা আক্তার নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে নিয়ে ওঠেন হোটেলের একটি রুমে।
শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা ওই তরুণী সাগরিকা আক্তার জানান, সৌদি আরব প্রবাসী আল আমিনের বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানা এলাকায়। তিনি ১৩ জুন দেশে এসেছেন। প্রবাসী আল আমিনের সঙ্গে ৬ মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হওয়া সাগরিকার বাড়ি বাগেরহাটের মোল্লারহাট উপজেলায়। বিবাহিত সাগরিকা খুলনার একটি নার্সিং কলেজের শিক্ষার্থী। তার স্বামীর নাম সুজন।
কাউকে না জানিয়ে শুক্রবার সকালেই ঢাকায় আসেন সাগরিকা। আল আমিন আসেন গাজীপুর থেকে। গুলিস্তানে দুইজন দেখা করেন। সৌদি আরব থেকে সাগরিকার পরিচিত কোনো এক ব্যক্তি কিছু জিনিসপত্র পাঠিয়েছিলেন আল আমিনের মাধ্যমে। সেগুলো নিতেই তিনি এসেছিলেন বলে দাবি করেন সাগরিকা।
তিনি জানান, রাস্তায় দাঁড়িয়ে কথা বলার এক পর্যায়ে আল আমিন ও সাগরিকা হোটেল রমনার ৯ম তলায় ৯২৩ নম্বর রুমে উঠেন। সেখানে আল আমিন বাথরুমে গেলে কিছুক্ষণ পরই একটি শব্দ হয়। সাগরিকা দৌড়ে গিয়ে দেখেন, বাথরুমের ফ্লোরে পড়ে আছেন আল আমিন। তৎক্ষণা হোটেল বয়দের ডাক দিলে বাথরুম থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তবে, চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ পুলিশ ক্যাম্প ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তের জন্য রমনা থানায় অবগত করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে চোটের কারণে মরক্কোর বিপক্ষে মাঠে নামতে পারেননি নেইমার। হাইতির বিপক্ষেও ব্রাজিলের তারকা নেইমার নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। ধারণা করা হচ্ছে, নকআউট পর্বের আগে ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতাকে মাঠে দেখা সম্ভব নয়। নেইমারের অনুপস্থিতি যে ব্রাজিলের জন্য বড় ধাক্কা, তা নিঃসন্দেহে বলাই যায়। অন্যদিকে, হাইতির জন্য এটি বাড়তি আত্মবিশ্বাসের উৎস হিসেবে কাজ করতে পারে। দলের কোচ সেবাস্তিয়েন মিগন মনে করিয়ে দিয়েছেন, অতীতে নেইমারবিহীন ব্রাজিলকে হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
ক্যামেরুন জাতীয় দলের সহকারী কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় দেখেছিলেন মিগন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই তিনি বিশ্বাস করেন, নেইমার না থাকলে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে অঘটন ঘটানোর সুযোগ বাড়িয়ে দেয়। তাই আসন্ন ম্যাচে যদি ব্রাজিল তাদের সবচেয়ে বড় তারকাকে ছাড়া মাঠে নামে, তবে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিশ্বকাপের অন্যতম বড় চমক উপহার দিতে চায় হাইতি। কোচ মিগনের কণ্ঠে আত্মবিশ্বাসের সুর স্পষ্ট।
মিগনে বলেছেন, ‘আমি একটি লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি, চার বছর আগে, যখন আমি ক্যামেরুনের কোচিংয়ে ছিলাম। নেইমার খেলেনি ওই ম্যাচে। আমি মনে করতে পারছি না কেন, এটা কি নিষেধাজ্ঞার কারণে নাকি ইনজুরির কারণে, কিন্তু আমি ইতিবাচক লক্ষণ দেখতে পাচ্ছি। ইতিহাস গড়তে আমরা এই সুযোগের সুবিধা নিতে চেষ্টা করব।’
হাইতির লক্ষ্য হলো পরের রাউন্ডে ওঠা এবং দেশের মানুষের জন্য খুশির উপলক্ষ তৈরি করা। মিগনে বলেছেন, ‘সবশেষ ৫২ বছর আগে আমরা বিশ্বকাপে ছিলাম। আগামীকাল ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করতে যাচ্ছি। এখন আমাদের এই উপলক্ষ তৈরি করতে হবে কারণ হাইতিয়ান ভক্তরা আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমি আমার খেলোয়াড়দের এই বার্তা দিতে চাই। আমি আশা করি আমরা হাইতিয়ানদের তাদের দল নিয়ে গর্ব করতে পারব। স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আমরা ভালো ভাবমূর্তি তৈরি করেছিলাম। আগামীকাল ম্যাচ হবে আরও ভালো, আমরা কী করতে পারি সেটা দেখানোর সুযোগ।’
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মরক্কোর বিরুদ্ধে ড্র হওয়ার পর ব্রাজিল দলের প্রতি যে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে প্রধান কোচ কার্লো আনচেলত্তি একদমই বিচলিত নন। তিনি হাইতির বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে মন্তব্য করেছেন যে, একটি ম্যাচের ফল দিয়ে বিশ্বকাপের পুরো চিত্রের বিচার করা সম্ভব নয় এবং প্রথম ম্যাচ জিতে কেউ বিশ্বকাপের শিরোপা নিশ্চিত করে না।
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ব্রাজিল হাইতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে। ম্যাচের পূর্বে, দলের ওপর যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে তা কমানোর চেষ্টা করেছেন আনচেলত্তি। প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মার্কিন ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রত্যাশিত ছন্দে খেলতে ব্যর্থ হওয়ায় ব্রাজিল সমালোচনার শিকার হয়েছে। তবে আনচেলত্তি মনে করেন, এখনই হতাশা বা অতিরিক্ত নেতিবাচক হওয়ার কোনো কারণ নেই।
তিনি বলছেন, জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করা তার জন্য গর্বের বিষয়। যদিও চাপ থাকলেও, দীর্ঘ তার কোচিং জীবনের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী তিনি এমন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে অভ্যস্ত।
মরক্কোর বিপক্ষে ফল প্রত্যাশামতো হয়নি, এ কথা স্বীকার করেছেন আনচেলত্তি। তবে তার ভাষ্য হলো, বিশ্বকাপ একটি দীর্ঘ প্রতিযোগিতা। শুরু ভালো না হলেও শেষ সফল হতে পারে, এমনটা তিনি বিশ্বাস করেন।
তিনি মন্তব্য করেছেন যে, মরক্কোর বিপক্ষে ফল ভালো হয়নি এবং সেই সঙ্গে দলের বিরুদ্ধে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আনচেলত্তির মতে, সমালোচনা অবশ্যই ইতিবাচক ও গঠনমূলক হওয়া উচিত। কারণ, প্রথম ম্যাচেই কেউ বিশ্বকাপ জেতা সম্ভব নয়।
২০২৫ সালে ব্রাজিল জাতীয় দলের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আনচেলত্তি। সেলেসাওদের কোচের দায়িত্বে এটি তার প্রথম বড় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। মরক্কোর বিরুদ্ধে পয়েন্ট হারানোর পর গ্রুপ ‘সি’-তে প্রথম জয় পাওয়ার চাপও বেড়ে গেছে দলের ওপর।
হাইতির বিপক্ষে জয় পেলে ব্রাজিল টুর্নামেন্টের শেষ ষোলোতে প্রবেশের পথে অনেকটা এগিয়ে যাবে। পাশাপাশি, গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের আগে দলের ওপর চাপও কিছুটা কমে যাবে।
প্রথম ম্যাচের পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চললেও, দলের উন্নতি নিয়ে আশাবাদী আছেন আনচেলত্তি। তিনি বিশ্বাস করেন, অভিজ্ঞতা ও ধারাবাহিক কাজের মাধ্যমে দল দ্রুত তাদের সেরা ছন্দে ফিরতে পারবে।
আনচেলত্তি জানিয়েছেন, এরকম পরিস্থিতি মোকাবিলার অভিজ্ঞতা আছে তার। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো কাজ চালিয়ে যাওয়ার এবং প্রতিটি ম্যাচে নিজেদের আরও উন্নত করার চেষ্টা।
হাইতির বিপক্ষে ম্যাচে, ব্রাজিল শুধুমাত্র জয় নয়, বরং উন্নত পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করছে। মরক্কোর ম্যাচের হতাশা কাটিয়ে বিশ্বকাপে নিজেদের সেরা ছন্দ খুঁজে পাওয়াই এখন আনচেলত্তির দলের প্রধান লক্ষ্য।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে সিরিজে জয় নিশ্চিত করলো অস্ট্রেলিয়া।
এটি তারা এক ম্যাচ বাকি রেখেই করে। শুক্রবার চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ১৯৬ রানের জবাবে বাংলাদেশ নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তোলে। এভাবে অস্ট্রেলিয়া ৭ রানের জয় পায়।
অস্ট্রেলিয়া টস জিতে আগে ব্যাটিং করার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু তারা শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে। মাত্র ৪৪ রানে তারা তিন উইকেট হারায়। তবে ম্যাট রেনশ ও টিম ডেভিড মিলে চতুর্থ উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়েন।
একপর্যায়ে ডেভিড ২৬ বলে ৪৫ রানে আউট হন। এরপর নিখিল চৌধুরী আউট হলেও রেনশ শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন। তার বিস্ফোরক ব্যাটিংয়ের উপর দাঁড়িয়ে অস্ট্রেলিয়া ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৬ রান সংগ্রহ করে। রেনশ ৫২ বলে ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে নাসুম ২৭ রানে দুটি উইকেট নেন। এছাড়াও নাহিদ রানা, আব্দুল গাফফার ও মুস্তাফিজুর একটি করে উইকেট নেন।
বাংলাদেশ খেলতে নেমে দুর্দান্ত শুরু করে। প্রথম ২ ওভারে ৩৩ রান করে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে বাংলাদেশ ৭২ রান তুলে। এই রান তুলতে বাংলাদেশ মাত্র একটি উইকেট হারায়। তানজিদ তামিম ১৫ বলে ৩০ রান করেন।
এরপর বাংলাদেশ ৭৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায়। সৌম্য সরকার ৯ বলে ১৫ রান করেন। তার আউটের পর সাইফ হাসান ও পারভেজ ইমন স্কোর বাড়ানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তারা তাদের ব্যাটিং অব্যাহত রাখতে পারেননি।
একপর্যায়ে পারভেজ ইমন ২২ বলে ৩৬ রান করে দলীয় ১৩০ রানে ফিরেন। তার আউটের পরও বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু সাইফ হাসান ৪২ রানে ফিরে গেলে সেই সম্ভাবনাও ক্ষীণ হয়ে যায়। পরে তাওহীদ হৃদয়ের ২২ বলের ৩৫ রানের ইনিংসে জয়ের ব্যবধান কমে আসে।
অবশেষে বাংলাদেশ ৬ উইকেট হারিয়ে ১৮৯ রান তুলতে সক্ষম হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ