১১:২২ এম
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলায় নিখোঁজের ৫০ দিন পর আওলাদ হোসেন (৬০) নামে এক বৃদ্ধের মরদেহ পুলিশ কর্তৃক উদ্ধার করা হয়েছে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় মরদেহটি পাওয়া গেছে বাড়ির পাশে অবস্থিত এক আত্মীয়ের রান্নাঘরের মাটির নিচে।
বুধবার (১ জুলাই) ভোরে, সিরাজদিখান থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে উপজেলার জৈনসার ইউনিয়নের চাইনপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত আওলাদ হোসেন ওই গ্রামের মৃত ফরিদ শেখের সন্তান।
আরও পড়ুন: ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে মহানগর বিএনপির প্রস্তুতি সভা
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ৯ মে থেকে আওলাদ হোসেন নিখোঁজ ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৩ মে তার ভাই আব্দুল আউয়াল শেখ সিরাজদিখান থানায় একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। এরপর দীর্ঘদিন ধরে পরিবার সদস্যরা সম্ভাব্য নানা স্থানে খোঁজাখুঁজি করেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নিখোঁজের খবর প্রচার করেন। কিন্তু তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।
পরবর্তীতে তদন্তে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেনের ভায়রা খায়ের ব্যাপারীর বাড়ির রান্নাঘরের মাটির গভীর থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ব্যক্তিগত জীবনে আওলাদ হোসেন দুটি বিয়ে করেছিলেন এবং পারিবারিকভাবে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। ফলে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় শোকের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন চাইনপাড়া গ্রামের কায়কোবাদ ব্যাপারীর ছেলে মানিক ব্যাপারী (৪০), মৃত হাজী ইদ্রিস আলীর ছেলে বিন আমিন (৩৬), মমিন আলীর ছেলে রিপন (৩০) এবং রংপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর গ্রামের মৃত গাফফার মিয়ার ছেলে সাইফুল ইসলাম (৩৮)।
আরও পড়ুন: বিজলী ক্যাবলস লিমিটেডের পুরস্কার পেলেন, নারায়ণগঞ্জের রনি মল্লিক ও নবী হোসেন।
সিরাজদিখান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলাউদ্দিন জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক চারজনকে পুলিশ রেখেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হতে পারে। বিস্তারিত জানানো হবে তদন্ত শেষে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন