বৃহস্পতিবার, ১৩ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
১০:২৯ এম
ডারউইনে সকালের সময় বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ম্যাচ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে মুশফিকুর রহিম, যিনি বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পেয়েছেন, অন্তত ১০০ টেস্ট খেলা ক্রিকেটারের মধ্যে উঠে এসেছে।
আজ মুশফিক আরও একটি কীর্তি গড়েছেন। সাকিব আল হাসানকে ছাড়িয়ে তিনিই সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা বাংলাদেশি হয়ে উঠেছেন। যেখানে সাকিব ১০৭৫ জনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন, ত সেখানে মুশফিকের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৭৬।
ডারউইন টেস্ট শুরুর আগে, মুশফিকের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলার অভিজ্ঞতা ছিল ১০৭৩ জনের সঙ্গে। আজ তিনি নতুন করে নাম যুক্ত করেছেন অস্ট্রেলিয়ার জেক ওয়েদারাল্ড, ক্যামেরন গ্রিন এবং বিউ ওয়েবস্টারের সঙ্গে। মুশফিকের হাতে তাসকিন আহমেদের ক্যাচ দিয়ে গ্রিন আউট হয়েছেন।
এটা শুধু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নয়; এশিয়ার মধ্যে মুশফিকের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা সবচেয়ে বেশি। তাঁর এবং সাকিবের পরে শচীন টেন্ডুলকার তৃতীয় স্থানে রয়েছেন। ভারতীয় কিংবদন্তি ৯৮৯ জনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেছেন দুই যুগের ক্যারিয়ারে।
তবে আন্তর্জাতিক ম্যাচের সবচেয়ে বেশি খেলার রেকর্ডটি পল স্টার্লিংয়ের। আয়ারল্যান্ডের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার ১১০০ এরও বেশি ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলেছেন।
অস্ট্রেলিয়া সফরে মুশফিকের সামনে আরেকটি মাইলফলক স্পর্শের সম্ভাবনা রয়েছে। এই সিরিজে ১৯৪ রান করতে পারলেই তিনি বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে ৭০০০ রান পূর্ণ করবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
অস্ট্রিয়ার সলজবুর্গের রেড বুল এরেনায় গতকাল রাতে উয়েফা সুপার কাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে প্যারিস সেন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) বিরুদ্ধে মুখোমুখি হয়েছিল অ্যাস্টন ভিলা। তবে ইউরোপসেরা হওয়ার এই ট্রফি লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলের ব্যবধানে হেরে শিরোপাটি হাতছাড়া করেছে ইংলিশ ক্লাবটি।
২০২৬-২৭ মৌসুমের প্রথম অফিশিয়াল ম্যাচেই ভিলার জন্য এটি ছিল সবচেয়ে বড় ধাক্কা। কারণ, তাদের এক নম্বর গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ অনুপস্থিত ছিলেন। কেবল মার্তিনেজই নন, দলের নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার এজরি কোনসা এবং তারকা স্ট্রাইকার বনাম অলিভার ওয়াটকিন্সকেও এই গুরুত্তপূর্ণ ম্যাচে পায়নি ভিলা।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে গত ১৯ জুলাই ফাইনাল খেলেছিলেন মার্তিনেজ। বিশ্বমঞ্চের দীর্ঘ সফরের পর ভিলা কোচ উনাই এমেরি মার্তিনেজসহ ইংল্যান্ডের হয়ে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ খেলে আসা কোনসা ও ওয়াটকিন্সকে পূর্ণ চার সপ্তাহের আবশ্যিক ছুটি প্রদান করেন।
ফলে ফাইনালের হাইভোল্টেজ স্কোয়াডে তাদের না রাখা ছাড়া অন্য কোনো পথ ছিল না কোচের সামনে। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ভিলা বস এমেরি পিএসজিকেই ফেভারিট হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। সেই সঙ্গে তিনি আক্ষেপের সুরে বলেছিলেন, ‘তারা দলের সঙ্গে থাকলে জয়ের সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়ে যেত।’ তবে মার্তিনেজের অনুপস্থিতি যে ভিলার জন্য কতটা বড় ক্ষতি ছিল, তা ম্যাচের ফলই বলে দিচ্ছে।
বড় ফাইনালগুলোতে মার্তিনেজের রেকর্ড সত্যিই চোখ কপালে তোলার মতো। ক্লাব ও আর্জেন্টিনার হয়ে ক্যারিয়ারে আটটি আন্তর্জাতিক ও বড় টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলে সাতটিতেই জয়ের হাসি হেসেছেন এই বিশ্বসেরা গোলরক্ষক। ২০২০ সালে আর্সেনালের হয়ে এফএ কাপ ও কমিউনিটি শিল্ড দিয়ে শুরু, তারপর আর্জেন্টিনার হয়ে ২০২১ কোপা আমেরিকা, ২০২২ ফিনালিসিমা, ২০২২ বিশ্বকাপ এবং ২০২৪ কোপা আমেরিকা জয় করেন তিনি। এমনকি অ্যাস্টন ভিলার হয়ে ২০২৬ ইউরোপা লিগের শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেন তিনি। কেবল ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে তার সেই অপরাজেয় যাত্রায় ছেদ পড়েছিল।
মার্তিনেজের মতো ‘বিগ ম্যাচ প্লেয়ার’ ছাড়া মাঠে নামার পরও ম্যাচের সিংহভাগ সময় লড়াই করে ভিলা। তবে শেষ রক্ষা হয়নি, ২-১ গোলের ব্যবধানে ম্যাচ জিতে নতুন মৌসুমের প্রথম ট্রফিটি নিজেদের শোকেসে তুলে নিল ফরাসি পরাশক্তি পিএসজি।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জাপান সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও জাপানের সপ্তম পররাষ্ট্র দপ্তর পরামর্শ সভায়, এই আমন্ত্রণ জানানো হয়ে থাকে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলাকালীন, জাপানের জ্যেষ্ঠ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু জাপানি প্রধানমন্ত্রী দ্বারা এই আমন্ত্রণ বাংলাদেশে পৌঁছে দেন। একইসঙ্গে তিনি ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকেও জাপান সফরের নিমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এর প্রতিউত্তরে বাংলাদেশও জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
জাপান, যা বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের কৌশলগত অংশীদার, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বৈঠক চলাকালে, ঢাকা টোকিওর ‘অফিসিয়াল সিকিউরিটি অ্যাসিস্ট্যান্স’ (ওএসএ) কাঠামোর আওতায় নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সামরিক সরঞ্জাম পাওয়ার সুযোগের বিষয়েও আলোচনা করে। সম্প্রতি, এই কাঠামোর অধীনে বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে পাঁচটি টহল নৌকা দেওয়া হয়েছে জাপানের পক্ষ থেকে। বাংলাদেশের এই অনুরোধের ক্ষেত্রে টোকিও ইতিবাচক ইঙ্গিত প্রদান করেছে। এছাড়াও, মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্র বন্দর ও বিদ্যুৎ প্রকল্প, ঢাকা মেট্রো রেল, এবং হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের মতো প্রধান প্রকল্পে ‘বিগ-বি’ উদ্যোগের মাধ্যমে জাপানের ধারাবাহিক সহযোগিতার বিষয়টি ঢাকা স্বীকার করেছে।
বাংলাদেশ সবুজ জ্বালানি খাত ও টেকসই উন্নয়নে জাপানি প্রযুক্তি ও অর্থায়ন চেয়েছে। তবে, জাপানি ঋণের উচ্চ সুদের হার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ঢাকা। প্রতিউত্তরে, জাপানি প্রতিনিধিদল স্বীকার করেছে যে ঋণের সুদের হার তুলনামূলকভাবে বেশি, তবে তারা এটি স্পষ্ট করেছে যে এই হার কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং সব দেশের জন্য সাধারণভাবে প্রযোজ্য। বৈঠকে মুক্ত ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক দৃষ্টিভঙ্গি, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, শিক্ষাগত-সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং রোহিঙ্গা সংকট সমাধানসহ দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক নানা বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাপানের জ্যেষ্ঠ উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিরোয়ুকি নামাজু নিজ নিজ প্রতিনিধিদলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিশ্ববাজারে তেলের দাম আবারও কমেছে। বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)-উভয় ধরনের তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি এক ডলারের বেশি কমেছে।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.২৯ ডলার বা ১.৫ শতাংশ কমে ৮৭.৬৯ ডলারে নেমে এসেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ১.৩০ ডলার বা ১.৬ শতাংশ কমে ৮১.৯৭ ডলারে দাঁড়িয়েছে।
বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলে যুদ্ধের কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের চাহিদা কমতে পারে। এ কারণে ২০২৬ সালের বৈশ্বিক তেল চাহিদার পূর্বাভাস কমানো হয়েছে।
বুধবার প্রকাশিত মাসিক তেলবাজার প্রতিবেদনে ওপেক ২০২৬ সালে বিশ্বে তেলের চাহিদা বৃদ্ধির পূর্বাভাস কমিয়ে প্রতিদিন ৫ লাখ ৮০ হাজার ব্যারেল করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নব্বইয়ের দশকের অভিনেতা সালমান শাহ মাত্র কয়েক বছরের ক্যারিয়ারে ২৭টি সিনেমায় অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঘটে তার আকস্মিক মৃত্যু। সালমানের মৃত্যুর কারণ নিয়ে অজ্ঞান যাত্রা চলছে আলোচনা-সমালোচনা। এই তর্কবিতর্ক যেন শেষ নেই।
সালমানের পরিবার হত্যার অভিযোগও তুলেছিল। সেই সঙ্গে তার সাবেক স্ত্রী সামিরাকে নিয়ে উঠছে নানা সময়ে বিভিন্ন ধরনের আলোচনা।
১৯৯২ সালের ১২ আগস্ট ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সালমান শাহ ও সামিরা। বেশ কয়েক বছরের দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর সালমান শাহর মৃত্যু ঘটে। এরপর সামিরার সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে নানা গুঞ্জন সামনে এসেছে।
কয়েক বছর আগে খলঅভিনেতা ডন এবং এক নারীর অন্তরঙ্গ ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শুরু হয় আলোচনা। ছবির সেই নারীকে সালমান শাহর স্ত্রী সামিরা বলে দাবি করা হলেও পরে ছবিটি নিয়ে ভিন্ন ব্যাখ্যা আসে।
সেই সময় ছবির নেপথ্যের ঘটনা নিয়ে চালু কথোপকথনে সামিরা এবং সালমান শাহর বন্ধু মোস্তাক ওয়াইজ কথা বলেছিলেন।
এদিকে, সালমানের মৃত্যুর পর, সামিরা মোস্তাক ওয়াইজকে বিয়ে করেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তাদের দাম্পত্যেরও অবসান ঘটে। ভাইরাল সেই ছবিটি নিয়ে আলোচনা চলাকালীন, মোস্তাক দাবি করেন, ডনের পাশে থাকা নারী আসলে সামিরা নন। তিনি অভিনেত্রী সাবরিনা। ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ছবিটি তোলা হয়েছিল।
মোস্তাক বলেন, সামিরা আমাকে জানিয়েছে— এ ছবির পেছনের কাহিনি। ছবিটি ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার শুটিং চলাকালেই তোলা হয়েছিল।
ছবিটির নেপথ্যের ঘটনা ব্যাখ্যা করে মোস্তাক ওয়াইজ আরও বলেন, ‘আশা ভালোবাসা’ সিনেমার মূল নায়ক-নায়িকা ছিলেন সালমান শাহ ও শাবনাজ। সাবরিনা ছিলেন পার্শ্বনায়িকা। শুটিংয়ের সময় দুষ্টুমি করে ঘরের ভেন্টিলেটরের ফাঁক দিয়ে ছবিটি তুলেছিলেন সালমান শাহ। পরে সেই ছবি নিয়ে বিভিন্ন সময় ডনের সঙ্গে মজা করতেন বলেও দাবি করেছেন মোস্তাক।
তবে তিনি জানালেন, ডনের সঙ্গে সামিরার একটি আলাদা ছবির কথাও। মোস্তাক বলেন, একবার সামিরা ম্যাগাজিন পড়ার সময় সালমান শাহ ছবি তুলছিলেন। সেই সময় ডন হাত বাড়িয়ে দিলে, সামিরার সঙ্গে তার ছবি তোলা হয়েছিল।
মোস্তাক ওয়াইজ দাবি করেন, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ডন ও সামিরার অন্য ছবিগুলো সম্পাদিত। তিনি জানান, এসব ছবির বেশিরভাগই ফটোশপের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, সেই সময়ের ভাইরাল হওয়া ছবি নিয়ে নিজের অবস্থানও তুলে ধরেছিলেন সামিরা। তিনি বলেছিলেন, "আমার একটি ছবি দেখিয়ে মিথ্যা কথা ছড়ানো হচ্ছে। আমার ভক্তরা না জেনে আমাকে ভুল বুঝছেন, অপবাদ দিচ্ছেন। তারা আসলে ইমনের ভালোবাসার মানুষকেই ছোট করছেন।"
সামিরা জানান, ডন তার কাছে ছোটভাইয়ের মতো এবং প্রতি ঈদে তার পা ছুঁয়ে সালাম করতেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ