বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১২:০২ পি.এম
দীর্ঘ দুই দশক ধরে কাজল আগরওয়াল দক্ষিণী চলচ্চিত্রের পাশাপাশি বলিউডে সমান তালে কাজ করছেন। সম্প্রতি তিনি এক সাক্ষাৎকারে দুই ইন্ডাস্ট্রির কর্মপদ্ধতির তুলনামূলক বিশ্লেষণ করেছেন। দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের পেশাদারিত্ব ও সময়ের স্পষ্ট অনুশাসনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন ‘সিংঘম’ খ্যাত এই অভিনেত্রী। তিনি বলিপাড়ায় কাজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে গিয়ে জানিয়েছেন, শুটিং সেটে মেগাস্টার সালমান খানের জন্য তাকে কীভাবে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছিল।
শুভঙ্কর মিশ্রর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে কাজল বলেছেন, বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমার কাজের পরিবেশের মধ্যে বড় পার্থক্য হলো সময়ানুবর্তিতা। কাজল উল্লেখ করেছেন, হিন্দি সিনেমায় কাজ সব সময় নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী হয় না। কিন্তু দক্ষিণে সময়ের হিসাব কড়া এবং গন্ডায় মানা হয়। ভোর ৬টায় কলটাইম থাকলেই ঠিক ৬টাতেই কাজ শুরু হয় এবং দুপুর ১টায় সবাই নিয়ম মেনে দুপুরের খাবারের বিরতি পান। এই সুনির্দিষ্ট ও শৃঙ্খলিত জীবনযাত্রার সঙ্গেই তিনি নিজেকে অভ্যস্ত করে নিয়েছেন।
বলিউডের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কাজল হালকা চালে স্মরণ করেন সালমান খানের জন্য দীর্ঘ অপেক্ষার মুহূর্তগুলো। তিনি বলেন, ভাইজানের জন্য অপেক্ষা করতে করতে তিনি অলস বসে না থেকে সেটের জিমে গিয়ে শরীরচর্চা করতেন। কাজল হাসতে হাসতে বলেন, কাজের সুনির্দিষ্ট সময় না থাকায় অন্তত কিছুটা ওজন তো কমাতে পেরেছিলেন, তাই অপেক্ষাটা শেষ পর্যন্ত তার জন্য মন্দ হয়নি। তবে ব্যক্তিগতভাবে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রির এই নিখুঁত শৃঙ্খলা ও সময়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শনই তার বেশি পছন্দের।
তিনি বলেন, হিন্দি ছবিতে কাজ বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নিজের বেছে নেওয়া সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি তুলে ধরেন। কাজের পরিমাণের চেয়ে গুণগত মানের ওপর তিনি সব সময় গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। দক্ষিণে যেভাবে মূল ও প্রভাবশালী চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাচ্ছিলেন, বলিউডে সেই মানের চরিত্র মিলছিল না। কেবল নামমাত্র ভূমিকা বা পার্শ্বচরিত্রে অভিনয়ের জন্য নিজের সেরা সময় নষ্ট করতে চাননি।
আগামী দিনে কাজল ‘দ্য ইন্ডিয়া স্টোরি’ ছাড়াও নীতিশ তিওয়ারির বহুল প্রতীক্ষিত ‘রামায়ণ’ ছবিতে রাবণের স্ত্রী ‘মন্দোদরী’র চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদ থেকে সরে যাচ্ছেন বলে গুজব ও গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে বঙ্গভবন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মন্তব্য আসেনি। গতকাল বিকেলে আকস্মিকভাবে এ গুঞ্জন শুরু হয়। সরকার ও রাজনীতির সাথে সংশ্লিষ্ট একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার পর সুনির্দিষ্টভাবে কেউ বিষয়টির সত্যতা জানাতে পারেননি।
বঙ্গভবনের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি নানা ধরনের শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত আছেন। তার স্বাস্থ্যের প্রায় অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে উচ্চ ডায়াবেটিস তাকে বেশ ভোগাচ্ছে।
তিনি আরো জানান, রাষ্ট্রপতি বুধবারও বঙ্গভবনে অফিস করেছেন এবং বৃহস্পতিবার কয়েকটি কল তার অন রয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেছেন, অফিসিয়ালি এখনও এ ধরনের কোন বার্তা তারা পাইনি। তবে কয়েক দিন ধরে বঙ্গভবনের পরিবেশ বিদায়ের। মনে হচ্ছে- এক ধরনের নীরব প্রস্তুতি চলছে।
চলতি বছরের ১২ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় বিজয় নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই রাষ্ট্রপতি পরিবর্তন প্রশ্নে নানা আলোচনা রাজনীতিতে চলছে। এমনকি বিএনপির কারা রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, সেই বিষয়েও অনেক নাম সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমেও রয়েছে সেই নাম নিয়ে আলোচনা।
দলটির নেতা-কর্মীদের অনেকের ধারণা রাষ্ট্রপতি পদে পরিবর্তন আসতে পারে। যদিও বিএনপির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদের এখনো অনেকটা সময় বাকি। ফলে সংবিধান অনুযায়ী এখনই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয় নেই।
ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪শে এপ্রিল পাঁচ বছর মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে দায়িত্বে আসেন মো. সাহাবুদ্দিন। ফলে তার মেয়াদ রয়েছে ২০২৮ সালের এপ্রিল মাস পর্যন্ত। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, যেহেতু মেয়াদ রয়েছে, সুতরাং মো. সাহাবুদ্দিন যদি পদত্যাগ না করেন অথবা তাকে অভিশংসন বা অপসারণ না করা হয়, তাহলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনগত সুযোগ নেই।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ সাইফুল মালিক আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু ঘটে।
আজ সকাল ১০টায় জেলা পুলিশ গণমাধ্যমে মুখপাত্রের মাধ্যমে বিষয়টি জানায়। সাইফুল মালিক ৩৪ তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ছিলেন।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বাসস’কে জানান, ভোর ৬টা ২২ মিনিটের দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি কয়েকদিন আগে স্ট্রোক করেন। প্রথমে কুমিল্লা মডার্ন হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার গ্রিন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তাঁকে এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর বৃহস্পতিবার ভোর ৬টার দিকে তিনি পৃথিবী ছেড়ে চলে যান।
মোহাম্মদ সাইফুল মালিকের বাড়ি চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলায়। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালামের ছেলে। ১৯৮১ সালে জন্মগ্রহণ করেন সাইফুল মালিক, যিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের ২৮তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০০৫ সালে প্রাণিবিদ্যায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। ২০১৬ সালে বাংলাদেশ পুলিশে ৩৪ তম বিসিএস ক্যাডারের কর্মকর্তা হিসেবে যুক্ত হন। তিনি দু’সন্তানের পিতা ছিলেন।
মৃত্যুর উপর466ন্ত তিনি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। কর্মজীবনে একজন সৎ, বিনয়ী, মৃদুভাষী ও দায়িত্বশীল কর্মকর্তা হিসেবে সহকর্মী এবং সাধারণ মানুষের চোখে ভক্তি অর্জন করেছেন।
মালিকের মৃত্যুতে কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
তিনি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) ২৪ ঘণ্টার বিশেষ অভিযানে উদ্ধার করা হয়েছে ইয়াবা, হেরোইন, গাঁজা, নেশাজাতীয় সিরাপ ও চোলাই মদ। এর ফলে মাদক কারবারি, বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এই বিশেষ অভিযানটি মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত হয়েছে, আরপিএমপি’র পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানের অধীনে।
রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ পুলিশ কমিশনার (ডিসি ডিবি) সনাতন চক্রবর্তী বাসস’কে জানান যে, মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) পৃথক একটি অভিযানে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই সময় তাদের কাছ থেকে ৩ গ্রাম হেরোইন, ৫০ পিস ইয়াবা, ১শ’ গ্রাম গাঁজা, ৬৬ বোতল নেশাজাতীয় সিরাপ, একটি মোটরসাইকেল এবং ১ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, মাদক সেবনের অভিযোগে কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
অন্যদিকে, হারাগাছ থানার পুলিশ পৃথক একটি অভিযানে দুইজন গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। এছাড়া, হাজীরহাট থানা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের একটি মামলায় ভিকটিমকে উদ্ধার করেছে এবং এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। তাজহাট থানা চোলাই মদসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে এবং আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। এ সকল গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
আরপিএমপি জানিয়েছে যে, মহানগর এলাকায় মাদক উদ্ধার, মাদক কারবারি, বিভিন্ন মামলার আসামি এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
কানাডার ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ফ্রেজার ক্যানিয়ন অঞ্চলের ছোট্ট জনপদ বোস্টনবারে নতুন করে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া দাবানলের কারণে ফ্রেজার ভ্যালি রিজিওনাল ডিস্ট্রিক্ট অবিলম্বে সেখানে অবস্থানরত অবশিষ্ট বাসিন্দাদের এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার বোস্টনবারের দক্ষিণে নতুন একটি দাবানল শুরু হয়েছে। প্রবল বাতাসের কারণে আগুন খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে এবং পরিস্থিতি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে।
জরুরি সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, আপনি বিপদের মধ্যে আছেন, নিজের নিরাপত্তার জন্য এখনই এলাকা ত্যাগ করুন। যারা এখনও কমিউনিটিতে অবস্থান করছেন, তাদের অবিলম্বে চলে যেতে হবে।
এছাড়া, বোস্টনবারের দক্ষিণে হেলস গেট এবং স্কাজি ক্রিক ফরেস্ট সার্ভিস রোড এলাকার ক্ষেত্রে আরও কিছু সম্পত্তিকে নতুন করে সরিয়ে নেওয়ার আওতায় আনা হয়েছে। বোস্টনবার ভ্যাঙ্কুভার থেকে প্রায় ১৪০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার ফ্রেজার ক্যানিয়ন অঞ্চলে অবস্থিত।
দাবানলের কারণে হাইওয়ে-১ এর একটি বড় অংশ উভয় দিক থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বিকল্প হিসেবে হাইওয়ে-৫ ব্যবহার করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বোস্টনবার থেকে সরিয়ে নেওয়া বাসিন্দাদের উত্তরমুখী হাইওয়ে-১ দিয়েই যাত্রা করতে বলা হয়েছে।
ব্রিটিশ কলাম্বিয়া ওয়াইল্ডফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, নতুন দাবানলটির আয়তন ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ হেক্টর এবং এটি 'আউট অব কন্ট্রোল' হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে, অর্থাৎ আগুন এখনও নিয়ন্ত্রণের বাইরে এবং আরও ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
কর্তৃপক্ষের মতে, মূলত ব্রান্সউইক ক্রিক দাবানল থেকে ছড়িয়ে পড়া একটি স্পট ফায়ার এটি।
গত সপ্তাহে ব্রান্সউইক ক্রিক এবং আইনসলি ক্রিক দাবানল নিয়ে গঠিত ব্রান্সউইক ক্রিক ওয়াইল্ডফায়ার কমপ্লেক্সের কারণে প্রায় ৪৫০টি সম্পত্তির বাসিন্দাকে সরানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছু বাসিন্দা সেই নির্দেশ অমান্য করে এলাকায় থেকে গেছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। নির্দিষ্টভাবে কতজন এখনো অবস্থান করছেন, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
এদিকে, বাস্তুচ্যুতদের সাহায্যের জন্য ক্যামলুপসের ম্যাকআর্থার আইল্যান্ড স্পোর্টস সেন্টারে একটি অস্থায়ী গ্রহণকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ