০২:০৫ এম
গাজীপুরের কালীগঞ্জে আত্মহত্যার একটি ঘটনার কথা জানা গেছে। পরিবারটির দাবি রয়েছে যে, দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক অনুযায়ী প্রেমিকার বিভিন্ন প্রয়োজন মেটাতে ধাপে ধাপে তিনি প্রায় ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু, বিয়ের ঘটনার সুরাহা না হওয়ায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
মঙ্গলবার, ৩০ জুন তারিখে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
নিহত প্রেমিক সৈয়দ আফ্রিদি (২৩) কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নের রাথুরা দর্জিবাড়ি এলাকার মৃত আমির হোসেনের ছেলে।
আরও পড়ুন: নলছিটি ফেরিঘাটের রাস্তা মেরামত, যাত্রীদের স্বস্তি ফিরেছে
নিহতের স্বজনদের আলোচনায় উঠে এসেছে যে, রাথুরা এলাকায় আওলাদ হোসেনের মেয়ের সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। প্রায় এক বছর আগে পলখান এলাকায় এক মারামারির ঘটনা হয়েছিল, যেখানে প্রেমিকার বোনের স্বামী আহত হন।
এই ঘটনায় চিকিৎসাসহ অন্যান্য প্রয়োজনের জন্য আফ্রিদি প্রচুর অর্থ প্রদান করেন। তিনি পারিবারিক জমি বিক্রি এবং আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে প্রায় ১২-১৩ লাখ টাকা ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন।
সম্প্রতি তার প্রেমিকা যোগাযোগ কমিয়ে দেন এবং বিয়ের প্রস্তাব দিলেও তা প্রত্যাখ্যাত হয়। এই ঘটনায় হতাশ হয়ে উঠেন আফ্রিদি। মঙ্গলবার দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ করে গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে থাকেন তিনি।
স্বজনরা পরে দরজা ভেঙে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়।
আরও পড়ুন: ইনানীতে ৪২ ঘণ্টা ধরে জ্বলছে আগুন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি
কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, "লাশ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।" কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন আরও জানান, নিহতদের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
