১১:৫৮ এম
স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বাংলাদেশের ওষুধ ১৪০টি দেশে রফতানি হচ্ছে। সোমবার (৮ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানিয়েছেন।
মন্ত্রী বলেন, ১৪০ দেশে আমাদের ওষুধ রফতানি হচ্ছে। দেশীয় উৎপাদকরা ভ্যাকসিন তৈরি করতে পারলে এই পরিসর আরও বৃদ্ধি পাবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছর সরকারগুলো কোনো ভেন্টিলেটর, মেশিন, ভ্যাকসিন দিতে পারেনি। এমনকি সিরিঞ্জও ছিল না। প্রাইভেট এন্টারপ্রেনারদের সহায়তায় সরকার হামের মতো বিপদগুলো মোকাবিলা করেছে।
আরও পড়ুন: শাহজাদপুরে জাতীয় সমবায় দিবস উদযাপন উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
‘হামের এন্টিবডি তৈরি হতে ২০ জুন পর্যন্ত সময় লাগবে’, যোগ করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
এ ছাড়া, ডেঙ্গুরোগীর চিকিৎসার সুবিধার্থে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ আজ অনুদান হিসেবে এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সেন্ট্রাল স্টোরে ডেঙ্গুর এক লাখ স্যালাইন রয়েছে, আর ২০ থেকে ২৫ হাজার স্যালাইন বিভিন্ন উপজেলা পর্যায়ে বিক্ষিপ্তভাবে রয়েছে। তবে, হঠাৎ আরও স্যালাইনের প্রয়োজন পড়তে পারে।
এ সময়ে রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালে শিশুমৃত্যুর ঘটনায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেয়ার জন্য আরও দুদিন সময় দেয়ার কথা জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ সময় না দিলে তারা আদালতের সুবিধা নিতে পারে। এজন্য আদ-দ্বীন হাসপাতালকে আরও দুদিন সময় দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৯ জুন) তারা উত্তর দেবে। এরপরই সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রী বলেন, আইনানুগভাবে কী কী ব্যত্যয় ঘটেছে এবং কী ধরনের অপরাধ করেছে, এর ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কাকে কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেবে, সেটি তাদের ব্যাপার। সরকার তার অবস্থানে ঠিক আছে। জনস্বার্থ সংরক্ষণে এক বিন্দু পিছপা হব না।
আরও পড়ুন: সমবায়ের হাত ধরেই বদলাবে গ্রামীণ মানুষের জীবন প্রতিমন্ত্রী টুকু
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মৌসুম সামনে রেখে ডেঙ্গু আক্রান্তের হার কমাতে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এরপরও যারা আক্রান্ত হবেন, তাদের যথাসময়ে চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
জনস্বাস্থ্যকে পুনর্গঠন করতে সরকার কাজ করছে জানিয়ে ড. এম এ মুহিত বলেন, প্রধান কর্মপন্থা হচ্ছে, স্বাস্থ্য খাতের সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে কাজ করা। ডেঙ্গু প্রতিরোধে যে কাজ চলছে, সেখানে স্টেকহোল্ডারদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
‘ওষুধ শিল্পকে আরও বিকশিত করতে পলিসি সাপোর্টের চিন্তা করছে সরকার। দেশের মানুষকে সঠিক ওষুধ, সঠিক মূল্য কিংবা বিনামূল্যে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে,’ যোগ করেন তিনি।
আরও পড়ুন: যুবদল ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক মিজানুর, সদস্য সচিব শরিফুল
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন