শুক্রবার, ৩০শে অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৪:২৭ পি.এম
সিলেটের লাক্কাতুরা ও আম্বরখানা উপকেন্দ্রের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ, মেরামত এবং বিদ্যুৎ লাইনের আশপাশের গাছের শাখা-প্রশাখা কর্তনের কাজের জন্য আগামীকাল শনিবার বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
লাক্কাতুরা উপকেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ তিন ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, আর আম্বরখানা উপকেন্দ্রের আওতাধীন এলাকায় পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) সিলেট বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১-এর নির্বাহী প্রকৌশলীর স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত লাক্কাতুরা ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের আওতাধীন ১১ কেভি কাকুয়ারপাড়, এয়ারপোর্ট থানা, বাইশটিলা, ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস, ধোপাগুল, বনশ্রী, বাদামবাগিচা (আংশিক), পাহাড়িকা, বড় বাজার ও লাক্কাতুরা স্টেডিয়াম ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে লাক্কাতুরা বাজার, মুসলিমপাড়া, মালনীছড়া, বাঁশবাড়ী গলির মুখ, বাদামবাগিচা, আঙ্গুরমিয়ার গলির মুখ, রূপসা আবাসিক এলাকা, খাসদবীর প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইসরাইল মিয়া গলি, দারুস সালাম মাদরাসা রোড, বড় বাজার, আবাদানি, বড়শালা বাজার মসজিদসংলগ্ন আংশিক এলাকা, পর্যটন, ফরিদাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, ধোপাগুল, মহালদিক, উমদারপাড়া, আলাইবহর, লিলাপাড়া, দাপনাটিলা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, ছালিয়া, রঙ্গিটিলা ও সালুটিকর ঘাটসহ আশপাশের এলাকা।
অন্যদিকে, সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আম্বরখানা ৩৩/১১ কেভি উপকেন্দ্রের ১১ কেভি আইজিডি ওভারহেড ফিডারের আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এই এলাকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে আম্বরখানা মসজিদ, দত্তপাড়া, আম্বরখানা সরকারি কলোনি, মজুমদারী, কমলাবাগান, প্রভাতী, পূর্ব পীরমহল্লা, সম্পূর্ণ হাউজিং এস্টেট, ফরিদাবাদ আবাসিক এলাকা ও আশপাশের অঞ্চল।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সাময়িক এ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে গ্রাহকদের যে অসুবিধা হবে, সে জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের আগে রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতকাজ শেষ হলে আগেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা হতে পারে।
Ñএমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াত নেতা শাহজাহান চৌধুরী মন্তব্য করেছেন, "নির্বাচনে টাকা কোনো সমস্যা নয়, আপনারা গণজোয়ার সৃষ্টি করুন।"
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে লংগদু পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে জামায়াতের ইউনিয়নভিত্তিক প্রার্থী ঘোষণা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "দেশের মানুষ এখন চাঁদাবাজ-টেন্ডারবাজ-সিন্ডিকেট-ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ। তারা সৎ নেতৃত্ব চায়।"
শাহজাহান চৌধুরী আরও বলেন, "স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনগণ জামায়াতের পক্ষেই থাকবে। প্রার্থী নির্বাচন করে দিলাম। কাজ শুরু করে দিন। এখনও সময় আছে, জামায়াতের পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি করুন। দেখবেন জনগণও প্রার্থীদের টাকা দিবে।"
তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, "সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে কাজ করতে হবে।"
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী লংগদু উপজেলায় শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সভায় ৭ ইউনিয়নের মধ্যে বগাচতর, গুলশাখালী, কালাপাকুজ্জা, মাইনীমুখ এই ৪ ইউনিয়নে জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশের বিশিষ্ট উদ্যোক্তা কে. এম. মোজিবুল হক জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং ক্ষমতাসীন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) ভাইস প্রেসিডেন্ট তারো আসোর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।
এই সাক্ষাৎটি শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) টোকিওতে জাপানের জাতীয় সংসদ ভবন (ন্যাশনাল ডায়েট বিল্ডিং)-এ অবস্থিত তারো আসোর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
কে. এম. মোজিবুল হক শাহ গ্রুপ, টিএএস এভিয়েশন গ্রুপ ও বাকা হোল্ডিংস লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে পরিচিত। তিনি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের (ইউএপি) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সাক্ষাৎকালে উভয় ব্যক্তির মধ্যে পারস্পরিক মতবিনিময় হয়। এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, পারস্পরিক সৌহার্দ্য এবং দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততা আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করা হয়।
কে. এম. মোজিবুল হক তারো আসোর প্রতি সাক্ষাতের সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি জাপানের রাজনীতি ও জনজীবনে তারো আসোর দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
উল্লেখ্য, তারো আসো জাপানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি দেশের সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির শীর্ষ নেতৃত্বেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রাম, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬ : সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন আজ চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি সমাজের অবহেলিত ও অধিকার বঞ্চিত শিশুদের সমাজের মূল ধারায় পুনর্বাসনের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো- অবহেলিত, অধিকার বঞ্চিত, পরিত্যক্ত, পিতামাতাহীন- এই সমস্ত বাচ্চাদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দিনশেষে তাদেরকে সমাজে পুনর্বাসন করা।’
শুক্রবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে তিনি চট্টগ্রামের সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানান, তিনি এখানে বাচ্চাদের শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের অবস্থা দেখতে এসেছেন।
পথশিশু ও ভিক্ষাবৃত্তি করা শিশুদের পুনর্বাসনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পথশিশু ও ভিক্ষাবৃত্তি করা শিশুদের পুনর্বাসনের জন্য তাদেরকে সবার আগে সাইকোসোশ্যাল মোটিভেশনের আওতায় আনতে হবে। এছাড়া তাদের পুনর্বাসন করা সম্ভব না। সে লক্ষ্যে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করছি।’
এর আগে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে একটি পেয়ারা গাছ রোপণ করেন। পরে হলরুমে শিশুদের আঁকা দেয়ালিকার ১২তম সংখ্যা ‘আলোকবর্তিকা’ উন্মোচন করেন তিনি।
এ সময় বালক-বালিকারা বাংলাদেশের পতাকার রঙের পোশাক পরে ‘রক্ত দিয়ে নাম লিখেছি-বাংলাদেশের নাম’সহ কয়েকটি গানের নৃত্য পরিবেশন করেন।
চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপপ্রকল্প পরিচালক জেসমিন আক্তার জানান, এখানে পথশিশু, শ্রমজীবী শিশু, গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশু, পিতামাতাহীন শিশু, পরিত্যক্ত শিশু, পাচার থেকে উদ্ধারকৃত শিশু, আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু ও প্রতিবন্ধী শিশুসহ ১৬ ধরণের শিশু অবস্থান করছে।
তিনি বলেন, আমরা তাদের খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা, জীবনমান উন্নয়ন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ইত্যাদি সেবার মাধ্যমে সমাজের মূল ধারায় পুনর্বাসনের চেষ্টা করছি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ওমর ফারুক, হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মুমিন ও চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের উপ-প্রকল্প পরিচালক জেসমিন আক্তারসহ আরও অনেকেই।
চট্টগ্রাম সমন্বিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের ১২ আগস্ট। এরপর থেকে এ পর্যন্ত কেন্দ্রটি থেকে ২ হাজার ২৪টি শিশু সেবা নিয়েছে। এরমধ্যে ১ হাজার ৩৭৮টি শিশু বিভিন্নভাবে পুনর্বাসিত হয়েছে এবং ৫০০টি শিশুকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে কেন্দ্রটিতে ১০০ জন বালক এবং ১০৪ জন বালিকা শিশু রয়েছে। তাদের বয়স সর্বনিম্ন ৬ থেকে সর্বোচ্চ ১৮ পর্যন্ত।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের ১৫৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে এক দিনব্যাপী সাহিত্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিক এবং অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর অবদানকে স্মরণ করা হয়।
শুক্রবার (আজ) সকাল ১০টায় বরিশালের বিভাগীয় সরকারি গণগ্রন্থাগার সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশী সাংস্কৃতিক জোট’ এর উদ্যোগে এই সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সংগঠনের আহ্বায়ক এস এম সাব্বির নেওয়াজ সাগরের সভাপতিত্বে বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার কবি, সাহিত্যিক এবং বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বরা অংশগ্রহণ করেন। সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলা এই আয়োজনে সাহিত্যচর্চা, কবিতা পাঠ এবং বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের বর্ণাঢ্য জীবন ও রাজনৈতিক কর্ম নিয়ে আলোচনা করা হয়।
সম্মেলনের সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর চেয়ারম্যান, কবি আবদুল হাই শিকদার। সমাপনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় কবিতা পরিষদ বরিশাল শাখার সভাপতি কবি মুস্তফা হাবীব।
আয়োজকরা জানান, শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের স্মৃতি এবং সাহিত্য-সংস্কৃতিতে তাঁর অসামান্য অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা এবং সাহিত্যচর্চাকে আরও বেগবান ও সমৃদ্ধ করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য।
এদিকে, অনুষ্ঠানে ‘শেরেবাংলা স্মৃতিপদক ২০২৬’-এর জন্য গৌরনদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. মোসলেম উদ্দিন শিকদারকে মনোনীত করা হয়েছে।
— এমএইচ
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ