ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে পাস হবে, শিগগিরই শুরু হবে কাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী


তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত একনেকে পাস হবে, শিগগিরই শুরু হবে কাজ: পানিসম্পদমন্ত্রী

পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে। প্রকল্পটি খুব শিগগিরই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পাবে এবং অনুমোদনের পরই এর বাস্তবায়ন কাজ শুরু হবে।’

শুক্রবার (১৯ জুন) বিকাল বেলা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার তিস্তা রেলসেতু এলাকায় আয়োজিত এক পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমি এবারে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করব।’ ইতিমধ্যে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনাও দ্রুত একনেকে পাস হয়ে বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হবে।’

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজেই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে খুব শিগগিরই এ প্রকল্পের কাজ দৃশ্যমান হবে। আমি তিস্তাপাড়ের মানুষের পাশে আছি এবং থাকব। আমার দায়িত্বের জায়গা থেকে তিস্তাবাসীর স্বার্থে যা যা করা প্রয়োজন, তা করা হবে।’

মন্ত্রী জানান, দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনার নথিপত্র পর্যালোচনা করেছেন এবং দেখেছেন যে, প্রকল্প বাস্তবায়নের আগে আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে কাজ করা প্রয়োজন। শুধু নদীতে ড্রেজিং এবং তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হবে না; নদীতে সারা বছর পর্যাপ্ত পানি প্রবাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সমান গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীতে অতিরিক্ত পানি প্রবাহিত হয়ে ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি করে। এতে নদীতীরবর্তী হাজার হাজার মানুষের ঘরবাড়ি, ফসলি জমি ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। আবার শুষ্ক মৌসুমে বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে নদীতে পানি থাকে না বললেই চলে।

এই কারণে কৃষি, মৎস্যসম্পদ এবং নদীকেন্দ্রিক জীবন-জীবিকা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’

আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না

এ ব্যাপারে তিনি উল্লেখ করেন, এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে বিশেষ কারিগরি সমীক্ষা পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। এ্যানি বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি টাকার একটি প্রকল্প বাস্তবায়নের পর যদি নদীতে পর্যাপ্ত পানি না থাকে, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠবে। তাই আমরা এমন একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করতে চাই, যা দীর্ঘমেয়াদে কার্যকর হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘শুকনা মৌসুমে কীভাবে তিস্তা নদীতে পানি প্রবাহ নিশ্চিত করা যায়, কিভাবে খাল ও শাখা-প্রশাখা দিয়ে পানি সরবরাহ করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি করা যায় এবং মাছ চাষসহ অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ করা যায়—এসব বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কাজ করছেন।’

মন্ত্রী জানান, বর্তমান সরকার মাত্র চার মাস আগে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার মতো বৃহৎ প্রকল্প গ্রহণের আগে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও বাস্তবভিত্তিক সমীক্ষা সম্পন্ন করেই সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে চায়।

তিনি বলেন, ‘এ কারণেই পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক, বুয়েটের প্রকৌশলী, নদী বিশেষজ্ঞসহ ২২ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল আমাদের সাথে রয়েছে। তারা সরেজমিন তিস্তাপাড়ের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করছেন।’

আরও পড়ুন: জিয়া সেদিন তাহেরের সাথে ক্যান্টনমেন্টের বাইরে গেলে ফিরে আসতেন না: ব্রি. সাখাওয়াত

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় আমরা তিনজন মন্ত্রী তিস্তাপাড় পরিদর্শন করছি। এই সফরের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের মতামত, নদীর বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ করণীয় সম্পর্কে একটি বাস্তব চিত্র পাওয়া যাচ্ছে, যা প্রকল্প বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

পথসভায় উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. একেএম শাহাবুদ্দিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুর অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব, নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম, বুয়েটের প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

এর আগে পানিসম্পদমন্ত্রী নীলফামারী, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার তিস্তা ব্যারেজ, তিস্তা সেচ খাল এবং নদীর বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি নদীভাঙন, পানিপ্রবাহ, সেচব্যবস্থা ও স্থানীয় জনগণের দুর্ভোগের বিভিন্ন বিষয় সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন।

তিস্তা অববাহিকার লাখো মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা এই মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদীভাঙন রোধ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন: কক্সবাজার সাংবাদিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আশেক উল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১০ পি.এম


পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা

আফগানিস্তান অভিযোগ করেছে যে, তারা পাকিস্তানের ভেতর বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির দাবি, এই হামলা করা হয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও গোয়েন্দা চক্রের আস্তানা লক্ষ্য করে। এ তথ্য শুক্রবার (১৯ জুন) আল জাজিরার এক প্রতিবেদনের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে এই হামলাটি পরিচালনা করা হয়। তাদের মতে, পাকিস্তানের বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বেশ কিছু স্থাপনায় হামলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই দুটি প্রদেশের সঙ্গেই আফগানিস্তানের সীমান্ত সংযুক্ত রয়েছে।

আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য অনুযায়ী, যেসব স্থাপনায় হামলা করা হয়েছে সেগুলো আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা ও যোগাযোগের উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হচ্ছিল। তবে পাকিস্তান হামলার এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে।

তালেবান ২০২১ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পাকিস্তান অভিযোগ করে চলেছে যে, কাবুল তাদের সীমান্তে হামলা চালানো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে আশ্রয় দিচ্ছে। তবে আফগানিস্তান সবসময়ই এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, এটি পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা।

২০২১ সালের পর থেকে দুই দেশের সম্পর্কের অবনতি অব্যাহত রয়েছে। গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে পাকিস্তান বিমান হামলা চালালে আফগানিস্তান পাল্টা হামলা করে। এর ফলে সংঘাত পরিস্থিতি আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

গত মার্চে দুই দেশের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি হয়েছিল। তবে এরপরও উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলছে। চীনের মধ্যস্থতায় উত্তেজনা কমানোর চেষ্টা করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো সমাধান আসেনি।

জাতিসংঘের গত মে মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম তিন মাসে সীমান্ত সংঘর্ষে অন্তত ৩৭২ জন আফগানি নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩৯৭ জন।

আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে যে, তারা নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য কোনো ধরনের হুমকি মেনে নেবে না। যেকোনো হুমকি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে আফগানিস্তান সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গণতন্ত্রকে হত্যাকারীদের সঙ্গে সহাবস্থান নয়: রিজভী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


গণতন্ত্রকে হত্যাকারীদের সঙ্গে সহাবস্থান নয়: রিজভী

যারা গণতন্ত্রকে হত্যা করে, তাদের সহাবস্থানের সুযোগ দেয়া যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

শুক্রবার (১৯ জুন) সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির আর্ট গ্যালারির আর্ট এক্সিবিশন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব জানান, সবার কথা বলার অধিকার আছে। তবে হত্যাকারীর কথা বলার অধিকার নেই।

বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের কথা তুলে ধরে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ডিএনের মধ্যে যদি ফ্যাসিবাদ থাকে, তবে সেখান থেকে তাদের মুক্ত করা যাবে না।

এ সময় তিনি আরও বলেন, বিগত সময়ে ফ্যাসিবাদ তৈরি হয়েছে, রাজনৈতিক দল নিশ্চিহ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং আয়নাঘর বানানো হয়েছে। তবে জনগণ রাস্তায় নেমে তা রুখে দিয়েছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণকে ধারণ করে দেশের জন্য কাজ করতে হবে: সেতুমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৪ পি.এম


জনগণকে ধারণ করে দেশের জন্য কাজ করতে হবে: সেতুমন্ত্রী

দেশের সমৃদ্ধি অর্জনে দলের নেতাকর্মীদের জাতীয় স্বার্থে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

শুক্রবার রাজধানীর রায়ের বাজারে এক আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, জনগণকে ধারণ করে কাঠামো বিষয়বস্তু ধরে আমাদের দেশের জন্য কাজ করতে হবে। আমাদের লক্ষ্য হবে দেশ ও জনগণের প্রাপ্তি। তিনি উল্লেখ করেন, ১৭ বছর আঘাত পাওয়ার পর দলের নেতাকর্মীদের এখন নিজের স্বার্থ নয়, দেশের সমৃদ্ধি অর্জনে কাজ করতে হবে।

এ সময় শেখ রবিউল আলম জাতীয় কবিকে নিয়ে বলেন, একাধারে সাহিত্যিকের পাশাপাশি রাজনীতিক ছিলেন কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তিনি মন্তব্য করেন যে, জাতীয় কবিকে যথাযথভাবে স্মরণ করতে আমরা ব্যর্থ হয়েছি।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘টেকশই পর্যটন বিকাশে সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজমে গুরুত্ব দিচ্ছে’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:১৮ পি.এম


‘টেকশই পর্যটন বিকাশে সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজমে গুরুত্ব দিচ্ছে’

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা এমপি বলেছেন, বর্তমান সরকার কমিউনিটি বেইজড ট্যুরিজম, এথনিক ট্যুরিজম এবং টেকসই পর্যটন উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সরকার চান যে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতি শুধু প্রদর্শিত হবে না, বরং তা পর্যটনের সম্পদে রূপান্তরিত হবে; কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে।

আজ শুক্রবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ফুলছড়া চা বাগান মাঠে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘হারমনি ফেস্টিভ্যাল সিজন-২’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, বাংলাদেশের শক্তি তার বৈচিত্র্যে নিহিত। ধর্ম, ভাষা, সংস্কৃতি ও জনগোষ্ঠীর ভিন্নতা আমাদের বিভক্ত করে না; বরং এটি আমাদের আরও সমৃদ্ধ করে।

তিনি উল্লেখ করেন, শ্রীমঙ্গল শুধু চায়ের রাজধানী নয়, এটি বাংলাদেশের অন্যতম বৈচিত্র্যময় সাংস্কৃতিক অঞ্চল। এখানে এবং এর আশপাশে প্রায় ২৬টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে। তাদের ভাষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, শিল্পকলা ও জীবনধারা বাংলাদেশের জাতীয় সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ ও বর্ণিল করেছে।

মন্ত্রী বলেন, হারমনি ফেস্টিভ্যাল শুধুমাত্র একটি সাংস্কৃতিক আয়োজন নয়; এটি হচ্ছে সম্প্রীতি, সহাবস্থান ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এক অনন্য মিলনমেলা। এবারের উৎসবে ১৭টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী অংশ নিচ্ছে, যা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের একটি অনন্য উপস্থাপনা।

তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, হারমনি ফেস্টিভ্যাল দেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, সম্প্রীতি ও ঐতিহ্যকে আরও ব্যাপকভাবে তুলে ধরবে এবং সাংস্কৃতিক পর্যটনের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস ফাহমিদা আখতার’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (অ.দা.) মো আব্দর রউফ।

বক্তব্য দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মিস কানিজ মোল্লা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%