০১:০৫ পি.এম
ইরানের মাহশাহর শহরের একটি পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে ইসরায়েল হামলা চালিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে হামলার ঘটনায় এখনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশিত হয়নি।
প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল মাহশাহরের ওই পেট্রোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স। নিরাপত্তার কারণে সেখানে কর্মরত শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের একটি অংশকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে হামলায় কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বা কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেছে কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে মাহশাহরের পাশাপাশি ইরানের আরো অন্তত চারটি শহরে হামলার খবর পাওয়া গেছে। শহরগুলো হলো তাবরিজ, কারাজ, ইসফাহান এবং রাজধানী তেহরান। তবে এসব স্থানে হামলার ধরন, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা হতাহতের বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আরও পড়ুন: সুগন্ধি চালের উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের বিশেষ প্রণোদনা দেবে সরকার
অন্যদিকে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা কঠোর বার্তা দিয়েছেন। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এবং অন্যান্য সামরিক কর্মকর্তারা বলেছেন, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরানের সাম্প্রতিক হামলা ছিল একটি সতর্কবার্তা।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা শুরু হওয়ার পর থেকে ইরান বারবার পুরো মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে। ইরানের মতে, এই যুদ্ধবিরতির আওতায় লেবাননকেও অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
ইরান আরো বলেছে, ইসরায়েল যদি লেবাননে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখে, বিশেষ করে বৈরুতের দাহিয়েহ এলাকায় হামলা চালাতে থাকে, তাহলে তারা এর কঠোর জবাব দেবে।
এ ছাড়া ইসরায়েলকে নতুন করে কোনো হামলা না চালানোরও সতর্কবার্তা দিয়েছে তেহরান। ইরানের দাবি, ভবিষ্যতে এমন কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলে দেশটি কঠোর এবং ভয়াবহ প্রতিক্রিয়া দেখাবে।
আরও পড়ুন: রোহিঙ্গা ইস্যু বিশ্বে সময়োপযোগী রাখতে চায় সরকার: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
সব মিলিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আবারও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। সম্প্রতি স্বল্প সময়ের জন্য একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতি দেখে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, অঞ্চলটি নতুন করে উত্তেজনা ও সংঘাত বৃদ্ধির দিকে এগোচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন