বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
১১:২৪ এম
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী মন্তব্য করেছেন যে, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের দাবির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে বিএনপি শেখ হাসিনার সংবিধান বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে কুড়িগ্রাম শহরে অনুষ্ঠিত ‘‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’’ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা এনসিপি আয়োজিত সমাবেশে এই কথা বলেছেন।
নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী আরও বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলনে জীবনের খুনিদের টাকার বিনিময়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা ছাড়িয়ে নিচ্ছেন। খুনিদের রক্ষার জন্য তারা ট্রাইব্যুনালে নিজেদের পছন্দের লোক বসিয়েছে। ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং এমনকি মসজিদ কমিটিও তারা দখলে নিয়েছে।
তিনি এ নিয়ে বলেন, ‘‘আমরা বলেছিলাম, আবু সাইদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে বাংলাদেশে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলতে দেওয়া হবে না।’’ কিন্তু, তারা আবু সাইদের স্বপ্ন ভঙ্গ করে দিয়েছে।
বিএনপির সমালোচনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষের গণভোটের দাবির বিপরীতে তারা শেখ হাসিনার সংবিধান, মুজিববাদী সংবিধান এবং ভারতীয় স্বার্থ বাস্তবায়নে কাজ করছে। ২০০ আসন পেয়ে বিএনপির পাখনা গজিয়েছে। তিনি বলেছেন, ‘‘আমরা বলতে চাই, বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হলে সেই পাখনা ভেঙে মাটিতে পড়বে।’’
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেছেন, এই সরকারের আমলে বাজেট ঢাকা থেকে বগুড়া পর্যন্ত আসে, কিন্তু রংপুরে আসে না।
উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলম বলেন, ‘‘এই দূর্দশাগ্রস্ত জেলাটাকে গড়তে চাই।’’ তিনি উল্লেখ করেছেন, আওয়ামীলীগের আমলে বাজেট বগুড়া পার হতো না, বিএনপির আমলে বাজেট ঢাকা থেকে বগুড়া আসে কিন্তু রংপুরে আসে না। কুড়িগ্রাম তো দূরের কথা।
ক্ষমতাসীন দলের জন্য তীব্র সমালোচনা করে সারজিস আলম বলেন, ‘‘সীমান্তবর্তী প্রত্যেকটি জেলায় মাদকের ছড়াছড়ি করা হয়।’’ তিনি বলেন, ‘‘এই প্রকল্পের মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের চেষ্টা করা হচ্ছে।’’ বিশেষ করে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন দিনের বেলায় মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলেন এবং রাতে তাদের ৫-১০ জন নেতা মাদকের লাভের ভাগের টাকা গ্রহণ করে।
সমাবেশে এনসিপির সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আকতার হোসেন বলেন, ‘‘বিএনপিও কিন্তু ২৪ এর আগে রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলেছিল।’’ তবে দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ক্ষমতায় আসার পর তারা আর সংস্কার চাননি। আগে যেভাবে হাসিনা দেশ চালিয়েছিল, তারাও সেই ফায়দাটাই নিতে চায়।
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ড. আতিক মুজাহিদ।
জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও মিডিয়া সেল প্রধান রাশেদুজ্জামান তাওহীদ এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুকুল মিয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান জুয়েল, সদস্য সচিব মাসুম মিয়া এবং জেলা, উপজেলা পর্যায়ের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এর আগে শহরের কলেজ মোড়স্থ স্বাধীনতার বিজয়স্তম্ভ চত্বর থেকে ‘দেশ গড়তে জুলাই জাগরণের পদযাত্রা’ শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সমাবেশের মাধ্যমে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৩) প্রাইভেট পড়তে গিয়ে স্কুলছাত্রী হিসেবে শিক্ষিকার বাবার হাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে চরজব্বর থানায় ভুক্তভোগী স্কুল ছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে এ মামলা করেন। এর আগে, একই দিন সকালে উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে এ ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক কামালকে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।
অভিযুক্ত কামাল উদ্দিন, যিনি সিএনজি কামাল নামেও পরিচিত (৫৫), উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইলিয়াছ সওদাগরের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার সকালে ভিকটিম তাঁর শিক্ষিকার বাড়িতে প্রাইভেট পড়তে যায়। ছাত্রী শিক্ষিকার ঘরে গিয়ে দেখতে পায় যে তিনি ঘরে নেই। এসময় শিক্ষিকার বাবা সিএনজিচালক কামাল উদ্দিন দরজা খুলে ছাত্রীকে ঘরে ডেকে নেন এবং এক সময় তাকে ধর্ষণ করেন। পরে বিষয়টি কাউকেই না জানাতে ভিকটিমকে ৫০০ টাকা দিয়ে বিদায় করে দেন। ঘটনার পর ভুক্তভাগী শিক্ষার্থী বাড়ি ফিরে এসে বিষয়টি স্বজনদের জানায়। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী সিএনজিচালক কামাল উদ্দিনকে আটক করে গণধোলাই শুরু করে এবং গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। এরপর পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল হাসান জানান, নির্যাতিত ছাত্রীর মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। সে মামলায় কামাল উদ্দিনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হবে। শারীরিক ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বগুড়ায় পূর্ব শত্রুতার কারণে সাবেক ছাত্রদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার সময়কাল বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাত আড়াইটার সময়ে সদর উপজেলার চালিতাবাড়ি এলাকায় ছিল।
নিহত আতিকুর রহমান সাগর মন্ডল (২৬) সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবারিয়া গ্রামের শাহাদাত মন্ডলের ছেলে এবং তিনি ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ছিলেন।
নিহত ব্যক্তির পরিবার এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে যে, দীর্ঘদিন ধরে প্রতিবেশীদের সাথে সাগর মন্ডলের বিরোধ চলছিল। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী মারজিয়া খাতুন উভয়ই চালিতাবাড়ি গ্রামে শ্বশুর বাড়িতে বাস করতেন। বুধবার রাতের কিছু সময় আগে পরিবারের সদস্যরা ঘরে খাবার খাচ্ছিলেন। তখন সাগর বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
হঠাৎ বাইরে হইচই শুনে তার স্ত্রী মারজিয়া খাতুন ঘর থেকে বের হন। সেই মুহূর্তেই সাগরের চাচাতো ভাই জুলহাসসহ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি দল টিনের গেট ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সাগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে।
একপর্যায়ে সাগর পালানোর চেষ্টা করলে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়, কিন্তু কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্ত্রী মারজিয়া খাতুন বলেন, স্বামীকে বাঁচাতে চিৎকার শুরু করলে দুর্বৃত্তরা আমাকেও হুমকি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় সাগরকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তখনও দুর্বৃত্তরা তাদের পিছু নেয় এবং ভয়ভীতি দেখায়। পরে প্রতিবেশীর বাড়ির গলি থেকে সাগরকে উদ্ধার করা হলেও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার প্রাণ হারানোর ঘটনা ঘটে।
নিহতের মা সাজেদা বেগম বলেন, আমার ছেলেকে অত্যন্ত নির্মমভাবে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় আমার ছেলে পানির জন্য ছটফট করলেও খুনিরা তাকে একফোঁটা পানিও দেয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার ছেলে হত্যার সুষ্ঠু বিচার চাই।
বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজ আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, রাতেই ঘটনাটি জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার কারণে সাগর মন্ডলকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ শাপলা নামে এক নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নিহত সাগর মন্ডলের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে। ঘটনার গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করাসহ দ্রুত গ্রেপ্তারের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধান খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ভাইস এডমিরাল র্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিয়েছেন। ২৫ জুলাই বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসস্থ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তার এই র্যাংক ব্যাজ পরানো হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এই তথ্য জানিয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামসুল ইসলাম, বিমান বাহিনীর প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান, সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. শাহীনুর রহমান, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার (পিএসও) লেফটেন্যান্ট জেনারেল মীর মুশফিকুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর সামরিক সচিব মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব এম জে আরিফ বেগের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে যে, রিয়ার অ্যাডমিরাল খোন্দকার মিসবাহ উল আজীমকে ২০২৯ সালের ২২ জুলাই পর্যন্ত মোট তিন বছরের জন্য বাংলাদেশ নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের জন্য নতুন পাসপোর্ট ইস্যু এবং পুনঃইস্যুর (রি-ইস্যু) কার্যক্রমের সময়সীমা সরকার আরও ছয় মাস বৃদ্ধি করেছে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিশেষ এই সুবিধা আগামী ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৬ তারিখ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিরাগমন-৪ শাখা থেকে প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ নুরুজ্জামান এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবা অব্যাহত রাখতে এবং জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সরকারের পূর্বে জারি করা আদেশের মেয়াদ আরও ছয় মাস বৃদ্ধি করা হয়েছে।
এর ফলে, বিদেশে অবস্থানরত যেসব বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্টে নাম, জন্মতারিখ, পিতামাতার নাম বা অন্যান্য তথ্য সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে, তারা এখন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশোধিত তথ্যের ভিত্তিতে পাসপোর্ট ইস্যু কিংবা পুনঃইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারবেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই জারি করা আদেশের মেয়াদ ৩০ জুন, ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত ছিল।
সর্বশেষ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওই সময়সীমা বৃদ্ধি করে ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয় যে, সামগ্রিক এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে এবং সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, দেশের সব বাংলাদেশ মিশন এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সময়সীমা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিদেশে অবস্থানরত অনেক বাংলাদেশি, যাঁরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাসপোর্টের তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারেননি, তারা এখন নতুন সময়সীমার মধ্যে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন।
এর ফলে, প্রবাসীদের পাসপোর্ট-সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ আরও সহজ হবে এবং বৈধ ভ্রমণ ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় তাঁরা উপকৃত হবেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ