ঢাকা শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৫শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
শুক্রবার, ০৬ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২১শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মিরকাদিমে ইলিশের দাম বেড়েছে ২০০ টাকা, বাজারে অস্থিরতা


মিরকাদিমে ইলিশের দাম বেড়েছে ২০০ টাকা, বাজারে অস্থিরতা

মুন্সীগঞ্জের মিরকাদিম আড়তে বর্ষার শুরুতেই ইলিশের ঝিলিক দেখা গেলেও দাম নিয়ে তৈরি হয়েছে অস্থিরতা। একদিনের ব্যবধানে কেজিতে ইলিশের দাম বেড়েছে প্রায় ২০০ টাকা। ফলে ছুটির দিনে আড়তজুড়ে ক্রেতাদের ভিড় থাকলেও বাড়তি দাম নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

শুক্রবার (১৯ জুন) মুন্সীগঞ্জের ধলেশ্বরী তীরবর্তী মিরকাদিম আড়তে দেখা যায়, বর্ষার পানি আসার সঙ্গে সঙ্গে বড় ইলিশের সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও দাম উল্টো ঊর্ধ্বমুখী। এতে আড়তে আসা ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

আড়ত ঘুরে দেখা যায়, এক কেজির ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ টাকায়। এক কেজির বেশি ওজনের বড় ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৩২০০ থেকে ৩৪০০ টাকা কেজি দরে। ছোট ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা কেজি দরে, আর মাঝারি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১৭০০ থেকে ২২০০ টাকা কেজি দরে।

আরও পড়ুন: মাদকচক্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় আখতারুজ্জামানের ছেলের ওপর হামলা

ক্রেতারা বলছেন, বাজারে পর্যাপ্ত ইলিশ থাকার পরও হঠাৎ করে দাম বাড়া অস্বাভাবিক। তাদের অভিযোগ, আড়তে একটি প্রভাবশালী চক্র বা সিন্ডিকেটের কারণে দাম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।

সামাদ নামে একজন ক্রেতা বলেন, 'গতকাল যে দামে মাছ দেখেছি, আজ এসে দেখি কেজিতে ২০০ টাকা বেশি। দাম কমার কথা থাকলেও উল্টো বাড়ছে। সাধারণ মানুষ তো এভাবে ইলিশ কিনতে পারবে না। মনে হচ্ছে সিন্ডিকেটই বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।'

তবে বিক্রেতারা সিন্ডিকেটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, নদীর পরিবেশগত পরিবর্তন ও নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরও এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি ইলিশের প্রজনন ও সরবরাহ।

মিরকাদিম মৎস্য আড়ত সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান বলেন, 'নদী দূষণ, কারেন্ট জালের দাপট এবং অপরিকল্পিত বালু উত্তোলনের কারণে নদীর গতিপথ পরিবর্তন হয়েছে। এতে ডুবো চরের সৃষ্টি হয়ে মিঠা পানিতে ইলিশের স্বাভাবিক বিচরণ ব্যাহত হচ্ছে। তাই সরবরাহ থাকলেও বাজার স্থিতিশীল হচ্ছে না। জাটকা সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা শেষ হলে বাজারে ইলিশের সরবরাহ আরও বাড়তে পারে, তখন দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।'

আরও পড়ুন: বাকৃবির শাহজালাল হলে ‘শাহী ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২.০’-এর উদ্বোধন

মিরকাদিম আড়তে শুধু ইলিশই নয়, চিতল, মৃগেল, কাতল, আইড়, বোয়াল, কৈ ও শিংসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছও বিক্রি হচ্ছে। প্রতিদিন ভোরে শুরু হওয়া এই আড়তে মাত্র ২ থেকে ৩ ঘণ্টায় প্রায় কোটি টাকার মাছ বেচাকেনা হয় বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আন্তর্জাতিক বাজারে আরও কমে গেছে জ্বালানি তেলের দাম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৬ এম


আন্তর্জাতিক বাজারে আরও কমে গেছে জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন শান্তি চুক্তি সইয়ের পর হরমুজ প্রণালি দিয়ে আবারও তেলবাহী জাহাজের নির্বিঘ্ন চলাচল শুরু হওয়ায় টানা পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে জ্বালানি তেলের দামে।

এরই ধারাহিকতায় শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রায় ০.৭ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৮ দশমিক ৩১ ডলারে নেমে এসেছে আন্তর্জাতিক বাজারে। একই সময়ে ৪৬ সেন্ট বা ০.৬ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ৭৬ দশমিক ১৪ ডলারে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দাম।

আগেরদিনই; অর্থাৎ বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) তেলের দাম মার্চের পর সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। এর পেছনে প্রধান কারণ ছিল হরমুজ প্রণালি দিয়ে কয়েকটি তেলবাহী জাহাজের চলাচল শুরু হওয়া। এসব জাহাজের মধ্যে সৌদি আরবের পতাকাবাহী তিনটি ট্যাঙ্কারও ছিল, যেগুলোতে মোট ৬০ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল বহন করা হচ্ছিল।

বিশ্লেষকদের ধারণা, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা ৮ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেলের বেশি তেল আবার বৈশ্বিক বাজারে প্রবেশ করতে পারে। পাশাপাশি চুক্তির অংশ হিসেবে ইরানি তেলের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হলে বাজারে আরও তেল সরবরাহ বাড়বে।

বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার বলেন, ব্যবসায়ীরা এখনো নিশ্চিত হতে চাইছেন যে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল সত্যিই স্বাভাবিক হচ্ছে কি না। নিয়মিতভাবে জাহাজ চলাচল শুরু না হওয়া পর্যন্ত বাজারে কিছুটা সতর্কতা বজায় থাকবে।

ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় ২০ শতাংশ পরিবহন হতো হরমুজ প্রণালি দিয়ে। বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি কার্যকর থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই এ পথের বাণিজ্য পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে।

এরই মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোও পুনরায় নিজেদের রপ্তানি কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম করপোরেশন জানিয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে জারি করা সব ধরনের জরুরি বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়েছে। 

সেইসঙ্গে ইরাকের তেলমন্ত্রী বাসিম মোহাম্মদ বলেছেন, দেশটির তেলক্ষেত্রগুলো আবার উৎপাদন বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত রয়েছে এবং ধীরে ধীরে আগের উৎপাদন সক্ষমতায় ফিরে যাওয়া হবে।

ইসরায়েল অবশ্য এখনও লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি চুক্তি দীর্ঘমেয়াদে কতটা টিকে থাকবে, তা নিয়ে কিছু অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পর নেতানিয়াহুর গদি আরও নড়বড়ে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৩৮ এম


যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তির পর নেতানিয়াহুর গদি আরও নড়বড়ে!

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা চুক্তির ফলে চরম রাজনৈতিক অস্তিত্ব সংকটে পড়েছেন ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। মধ্যপ্রাচ্য বদলে দেয়ার দম্ভোক্তি তার জন্য এখন ফাঁকা বুলিতে পরিণত হয়েছে। গাজা এবং লেবাননে স্থায়ী বিজয় না পাওয়ার কারণে আসন্ন অক্টোবরের জাতীয় নির্বাচনের আগে তিনি ভেতরে-বাইরে তীব্র চাপের মুখে পড়েছেন। ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্কের ফাটল এবং আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতানিয়াহুর গদিকে আরও নড়বড়ে করে তুলেছে।

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আকস্মিক চুক্তিটি ইসরাইলের রাজনীতিতে বড়সড় ঝড় তুলেছে। আগামী অক্টোবরের নির্বাচনের আগে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এখন সুতোয় ঝুলছে। ট্রাম্পের যুদ্ধ অবসানের সিদ্ধান্তে তার মধ্যপ্রাচ্য বদলে দেয়ার দম্ভোক্তি পুরোপুরি ভেস্তে গেছে। চুক্তিতে লেবানন যুদ্ধ বন্ধের শর্ত থাকায় নেতানিয়াহুর যুদ্ধংদেহী নীতি বড় ধাক্কা সামলাতে হচ্ছে।

নির্বাচনের ঘোষণা দিলেও জরিপ বলছে, নেতানিয়াহুর ডাউনপন্থি জোট বড় পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে রয়েছে। দুর্নীতির অভিযোগ এবং ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের নিরাপত্তা ব্যর্থতার কারণে তিনি আগে থেকেই বিপর্যস্ত ছিলেন। নজিরবিহীন হামলার পরও হামাস, হিজবুল্লাহ ও ইরান এখনও সমানভাবে সক্রিয় রয়েছে। এখন বিভিন্ন ফ্রন্টের যুদ্ধে কোনো স্থায়ী বিজয় না আসা এবং সেনা হতাহত কয়েক দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ হওয়ায় ভোটারদের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হচ্ছে তাকে।

নেতানিয়াহুর যুদ্ধ কৌশলের তীব্র সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি চূড়ান্ত পরীক্ষায় ভেঙে পড়েছেন এবং যুদ্ধে হেরে গেছেন।

অন্যদিকে, গাজার ধ্বংসযজ্ঞের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চাপ বেড়েছে। যুদ্ধাপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত আইসিসি তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করায় পশ্চিমা বিশ্বেও তার গ্রহণযোগ্যতা কমেছে।

সবচেয়ে বড় ধাক্কাটি এসেছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে তার অতি-নির্ভরশীলতার জায়গা থেকে। তার একপেশে নীতির কারণে ওয়াশিংটনের দ্বিপক্ষীয় সমর্থন যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তেমনি বিশ্বস্ত মিত্র ডনাল্ড ট্রাম্পও ফোনালাপে মেজাজ হারিয়ে তাকে ‘উন্মাদ’ বলেছেন। মার্কিন চাপের কাছে নতি স্বীকার করে আন্তর্জাতিক স্তরে বন্ধুহীন হয়ে এখন সব কূল হারাতে বসেছেন এই যুদ্ধবাজ নেতা।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বেসরকারি এতিমখানায় ১৪০ কোটি টাকার সরকারি ভাতা অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫২ এম


বেসরকারি এতিমখানায় ১৪০ কোটি টাকার সরকারি ভাতা অনুমোদন

দেশের বেসরকারি এতিমখানাগুলোর শিশুদের মৌলিক চাহিদা পূরণ এবং খাদ্য সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০২৫-২৬ অর্থবছরের দ্বিতীয় কিস্তির সরকারি ভাতা হিসেবে ১৪০ কোটি ১১ লাখ ৮ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের ফলস্বরূপ এই অর্থ দেশব্যাপী ৬৪ জেলার ৪ হাজার ২০৯টি বেসরকারি এতিমখানার ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৫৯ জন এতিম শিশুর জন্য মঞ্জুর করা হয়েছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ‘বেসরকারি এতিমখানা’ খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে দ্বিতীয় কিস্তির অনুদান হিসেবে এই অর্থ ছাড় করা হয়েছে।

অর্থ সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা অফিসার ও উপজেলা বা শহর সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে ন্যস্ত করা হয়েছে, যাতে তারা নির্ধারিত নিয়ম মেনে এতিমখানাগুলোর মধ্যে অর্থ বিতরণ করতে পারেন।

সমাজসেবা অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ‘বেসরকারি এতিমখানা’ খাতে মোট ২৮০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম কিস্তিতে ১৩৯ কোটি ৮৮ লাখ ৭৬ হাজার টাকা ছাড় করা হয়েছে।

দ্বিতীয় কিস্তিতে আরও ১৪০ কোটি ১১ লাখ ৮ হাজার টাকা মঞ্জুর করায় মোট বরাদ্দকৃত অর্থ এখন কার্যত বিতরণের আওতায় এসেছে।

বরাদ্দের হিসাব অনুযায়ী, নিবন্ধিত শিশুদের জন্য বেসরকারি এতিমখানাগুলোতে থাকা ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৫৯ জন এতিম শিশুর জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা হারে ৬ মাসের অনুদান দেওয়া হবে।

অর্থাৎ, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত প্রতিটি শিশুর জন্য মোট ১২ হাজার টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে।

এই অর্থ মূলত খাদ্যদ্রব্য ক্রয় এবং শিশুদের মৌলিক জীবনযাপনের প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহার হবে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর জানিয়েছে, শিশুদের কল্যাণ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অনুদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে।

এই কর্মসূচির আওতায় নিবন্ধিত বেসরকারি এতিমখানাগুলোতে অবস্থানরত শিশুদের খাদ্য, পুষ্টি এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরনের জন্য আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

ফলস্বরূপ, সমাজের সুবিধাবঞ্চিত এবং অভিভাবকহীন শিশুদের নিরাপদ পরিবেশে বেড়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হয়।

অফিস আদেশে এই অর্থ বিতরণের ক্ষেত্রে ‘সরকারি অনুদান বরাদ্দ ও বণ্টন নীতিমালা-২০১৪’ অনুসরণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট সমাজসেবা কর্মকর্তাদের নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী অর্থ ছাড় ও ব্যবহারের তদারকি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সাথে বরাদ্দকৃত অর্থ যথাযথভাবে ব্যয় হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ে নিয়মিত মনিটরিং চালানোর কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এতিম শিশুদের জন্য এই ধরনের সহায়তাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তাদের মতে, দেশে অনেক এতিমখানা সীমিত আর্থিক সক্ষমতার মধ্যে পরিচালিত হয়, তাই সরকারি অনুদান এই প্রতিষ্ঠানের জন্য বড় ধরনের সহায়তা হিসেবে কাজ করে।

বিশেষত, খাদ্য ব্যয়, পুষ্টি নিশ্চিতকরণ এবং শিশুদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার মান বজায় রাখতে এই অর্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, বরাদ্দকৃত অর্থ যথাসময়ে বিতরণ করা হলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার এতিম শিশুর জীবনমান উন্নয়নে একটি ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

একই সাথে, বেসরকারি এতিমখানাগুলোর পরিচালন খরচ নির্বাহের ক্ষেত্রেও এই অনুদান একটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বার্ড ফ্লুতে অ্যান্টার্কটিক দ্বীপপুঞ্জে ৭৫ শতাংশ সিলশাবকের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৯ই জুন, ২০২৬ ইং

১০:৫৪ এম


বার্ড ফ্লুতে অ্যান্টার্কটিক দ্বীপপুঞ্জে ৭৫ শতাংশ সিলশাবকের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার অধীনস্থ প্রত্যন্ত অ্যান্টার্কটিক দ্বীপপুঞ্জে বার্ড ফ্লুর ভয়াবহ প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এই ভয়াবহ ভাইরাসের কারণে হাজার হাজার ‘সাউদার্ন এলিফ্যান্ট সিল’ বা দক্ষিণ হাতি সিলশাবক মারা গেছে।

বিজ্ঞানীদের মতে, প্রায় ১,৮০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি ফরাসি দ্বীপপুঞ্জ থেকে পরিযায়ী পাখিদের মাধ্যমে গত বছরের আগস্টে এই দ্বীপগুলিতে বার্ড ফ্লুর ‘এইচ৫এন১’ স্ট্রেইনটি ছড়িয়ে পড়েছিল।

অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৪,০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জ’ লাখ লাখ সামুদ্রিক পাখি ও সিল প্রাণীর আবাসস্থল। বৈজ্ঞানিক জার্নাল ‘বায়ো আরএক্সআইভি’-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে, হার্ড দ্বীপের ১৭ হাজারের বেশি সিলশাবকের একটি দলের মধ্যে প্রায় ১৩ হাজার ৩৫৯টি শাবকই বার্ড ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে। গবেষকরা ড্রোনের সাহায্য নিয়ে এবং সশরীরে ওই দুর্গম দ্বীপগুলোতে গিয়ে তদন্ত চালিয়েছেন।

তারা জানিয়েছেন, একটি নির্দিষ্ট এলাকায় প্রায় ৯৭ শতাংশ সিলশাবক মারা গেছে। জরিপ করার সময়ও প্রতিনিয়ত শাবক মারা যাচ্ছিল, তাই মৃত্যুর আসল সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। বিজ্ঞানীরা দ্বীপের ৯টি প্রজাতির প্রাণীর নমুনা পরীক্ষা করে ৬টি প্রজাতির দেহে এই ভাইরাসের উপস্থিতি পেয়েছেন। এর মধ্যে হাতি সিল ছাড়াও কিং পেঙ্গুইন, জেন্টু পেঙ্গুইন, অ্যান্টার্কটিক ফার সিল এবং সাউথ জর্জ ডাইভিং পেট্রেল পাখি রয়েছে।

গবেষণার এটাই দেখা গেছে, বার্ড ফ্লুর মূল শিকার হয়েছে সিলশাবকগুলো। যদিও পেঙ্গুইনদের ওপর এর প্রভাব তুলনামূলক কম তবে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি সংখ্যায় পূর্ণবয়স্ক কিং পেঙ্গুইন মারা গেছে। অন্যদিকে, অ্যালবাট্রস পাখিদের মধ্যে কোনো অস্বাভাবিক মৃত্যু দেখা যায়নি।

বন্য প্রাণী জীববিজ্ঞানী ড. জুলি ম্যাকইনেস বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার কোনো বহিঃস্থ অঞ্চলে এটাই প্রথম বার্ড ফ্লু শনাক্তের ঘটনা।’ এখন পর্যন্ত বিশ্বে একমাত্র মহাদেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে এই মারাত্মক ভাইরাসের কোনো সংক্রমণ ঘটেনি।

হাজার হাজার সিলের এই মৃত্যুতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট। তিনি উল্লেখ করেছেন, এই পরিস্থিতি আমাদের সতর্ক করছে। ভাইরাসটি যাতে কোনোভাবেই অস্ট্রেলিয়ার মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য আমাদের এখনই বাস্তবসম্মত প্রস্তুতি ও পরিকল্পনা নিতে হবে। বর্তমানে ‘অস্ট্রেলিয়ান অ্যান্টার্কটিক প্রগ্রাম’ ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৪শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৯
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪১
মাগরিব ০৫:১৭
ইশা ০৬:৩০
সূর্যোদয় : ০৬:০৬ সূর্যাস্ত : ০৫:১৭
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%