১২:৫৮ পি.এম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি এডিএনওসি শনিবার জানিয়েছে, তাদের একটি জাহাজ হরমুজ প্রণালীর মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে এটি সর্বশেষ হামলার ঘটনা বলে জানা যায়।
এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে ইরান অবরোধ আরোপ করেছে। ফেব্রুয়ারিতে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে দেশটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েই আসছে।
আরও পড়ুন: মহারাষ্ট্রে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে শেখ পদবিধারীদের নামের সংখ্যা সর্বাধিক
ইরান জানিয়েছে, তারা হরমুজ প্রণালী ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর কাছ থেকে পথ ব্যবহারের ফি আদায় করতে চায়। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এর তীব্র বিরোধিতা করছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের সরকারি সংবাদ সংস্থা ডব্লিউএএম জানিয়েছে, আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানি (এডিএনওসি) নিশ্চিত করেছে যে, ১৪ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায় হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাওয়ার সময় তাদের একটি জাহাজ হামলায় আক্রান্ত হয়েছে। তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি।
এডনক একটি বিবৃতিতে সমুদ্রযাত্রীদের নিরাপত্তা এবং নৌযান চলাচলের স্বাধীনতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব আরও দৃঢ়ভাবে তুলে ধরেছে।
এক দিন আগে, সংযুক্ত আরব আমিরাত অভিযোগ করেছিল যে, হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় এডনকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি জাহাজে ইরান হামলা চালিয়েছে।
আরও পড়ুন: ডিসেম্বরে দেশে আসার সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম
আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘটনাটিকে ‘ইরানের বৈরী হামলা’ হিসেবে নিন্দা করেছে। তবে ওই ঘটনায়ও কেউ আহত হয়নি বলে জানানো হয়েছে।
গত সপ্তাহে এডনক জানিয়েছিল, হরমুজ প্রণালীতে তাদের তিনটি তেলবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে। এর এক দিন পর আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে আরও একটি এডনক ট্যাংকারে হামলার কথা জানায়।
-হরমুজ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ছে-
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শুরুর আগে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে অবাধে জাহাজ চলাচল করত। কিন্তু সেখানে একের পর এক হামলার ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এপ্রিলের যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।
আরও পড়ুন: চসিকের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৮২টি খেলার মাঠ গড়ার উদ্যোগ : প্রশাসক
গত জুনে একটি চুক্তিতে স্থায়ী সমঝোতার জন্য আলোচনার ভিত্তি তৈরির কথা বলা হয়েছিল। চুক্তি অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ইরান ও প্রতিবেশী দেশ ওমান অন্যান্য উপসাগরীয় দেশের সঙ্গে আলোচনা করবে এবং সব ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে।
কিন্তু গত সপ্তাহে ইরানের নিরাপত্তাপ্রধান মোহাম্মদ বাকের জোলগদর হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি খুলে দেওয়ার জন্য কিছু শর্ত জানান।
তার শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—ইরান ও তার আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
আরও পড়ুন: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী: ফ্যাসিস্টদের আর ফিরতে দেওয়া হবে না
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন