ঢাকা বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ইং ১২ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মামলাজটে ব্যাহত সারাদেশের শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম


মামলাজটে ব্যাহত সারাদেশের শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম

মামলাজটে ব্যাহত হচ্ছে সারাদেশে শিক্ষা প্রশাসনের স্বাভাবিক কার্যক্রম। বর্তমানে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন ৩টি বিভাগ, ১৬টি দপ্তর, ১১টি শিক্ষা বোর্ড এবং সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় মিলিয়ে দেশের বিভিন্ন আদালতে ১৩ হাজার ৭৮টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার মধ্যে ১০ হাজার ১৫২টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট মামলা। আর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে ৮ হাজার ৮৯৩টি এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের বিরুদ্ধে এক হাজার ১৫৯টি মামলা রয়েছে। ওসব মামলায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি গঠন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম। তবে চলমান মামলার প্রায় ৩০ শতাংশ বিগত ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর হয়েছে। আর ওই অধিকাংশ মামলাই স্কুল-কলেজের অ্যাডহক কমিটি বাতিল বা নতুন কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে হয়েছে। মামলার কারণে বর্তমানে শত শত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তৈরি হয়েছে প্রশাসনিক অচলাবস্থা। কোথাও একাধিক কমিটি, কোথাও নিয়মিত প্রতিষ্ঠানপ্রধান না থাকায় সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্থবিরতা বিরাজ করছে। বর্তমানে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট ৩ হাজার ৪২৬টি মামলার মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) বিরুদ্ধেই ৩ হাজার ২৮২টি মামলা রয়েছে। ওসব মামলার কারণে বিলম্বিত হচ্ছে বহু প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, কমিটি অনুমোদন, এমনকি নিয়মিত বেতন-ভাতা প্রদানের কাজ। শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, শিক্ষা প্রশাসনে শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, জ্যেষ্ঠতা, গ্রেডেশন, এমপিও, বেতন-ভাতা, বিভাগীয় শাস্তি, চাকরিচ্যুতি, জাতীয়করণ, কোটা, ভর্তি, পেনশন, অডিট আপত্তি, শিক্ষা বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্ত এবং পাবলিক পরীক্ষা-সংক্রান্ত বিষয়ে সবচেয়ে বেশি মামলা হচ্ছে। শুধু নিয়োগ প্রক্রিয়াতেই ১২ ধরনের ত্রুটি নিয়ে মামলা হচ্ছে। আর স্কুল-কলেজের পরিচালনা কমিটি নিয়ে ১৮ ধরনের মামলা রয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনে মোট ১০৮টি বিষয়ে মামলা হচ্ছে। তার মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ ধরনের বিষয়ে মামলার কারণে নিয়মিত আদালতে যেতে হচ্ছে। মামলার কারণে প্রায় ৬ বছর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাড়ে ৩২ হাজার শিক্ষকের পদোন্নতি আটকে ছিলো। তবে সমপ্রতি তার নিষ্পত্তি হলেও অন্য নিয়োগ-সংশ্লিষ্ট মামলার কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক সংকট তীব্র হচ্ছে। পাশাপাশি অচল হয়ে পড়ছে প্রশাসনিক কাঠামো।

সূত্র জানায়, আদালতে মামলার কারণে মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান ও কারিগরি শিক্ষা সমপ্রসারণে পরিচালিত সেসিপ প্রকল্পের কয়েকশ শিক্ষক কাজ চালাতে পারছে না দীর্ঘন। বিগত ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত নিয়োগ পাওয়া ওই শিক্ষকদের চাকরি স্থায়ীকরণ ও নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা থাকায় অনেককেই বিদ্যালয়ে পাঠানো যাচ্ছে না। ফলে ব্যবহার হচ্ছে না দেশের শত শত বিদ্যালয়ে কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞানাগারের যন্ত্রপাতি। আর ওসব যন্ত্রপাতি পড়ে রয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তালাবদ্ধ অবস্থায়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অধীন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সংশ্লিষ্ট সবচেয়ে বেশি ৫ হাজার ৮৩১টি মামলা রয়েছে। যা ওই বিভাগের মোট মামলার প্রায় ৬৮ শতাংশ। ওসব মামলার বেশির ভাগ শিক্ষক নিয়োগ, পদোন্নতি, এমপিও, ইনসিটু, ওএসডি, গভর্নিং বডি গঠন, বেতন বিল, জাল কাগজে এমপিও এবং শিক্ষার্থী ভর্তি-সংক্রান্ত। তাছাড়া দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ড-সংশ্লিষ্ট এক হাজার ৬৬৩টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তার মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে এক হাজার ৫৫২টি, আর কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ১১১টি মামলা রয়েছে। মামলার দিক দিয়ে সবচেয়ে এগিয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। মামলার সংখ্যা ২৭৩টি। আর ২৬৩টি মামলা নিয়ে তার পরের অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড। তাছাড়া রাজশাহী ২০৯টি, দিনাজপুর ১৮৩টি, ময়মনসিংহ ১৬৩টি ও সিলেট শিক্ষা বোর্ডে ৬৯টি মামলা রয়েছে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রায় ৭১ শতাংশ মামলা ব্যবস্থাপনা কমিটি, পরীক্ষার ফল পুননির্রীক্ষণ, গভর্নিং বডি ও বিভিন্ন প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে হয়েছে।

আরও পড়ুন: ইসরাইল নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সরকার গঠনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অধরাই

সূত্র আরো জানায়, দেশের বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ড নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি প্রবিধানমালা-২০২৪ -এর সংশোধনী আনে গত বছর। সংশোধনীতে কমিটির সভাপতি মনোনয়ন-সংক্রান্ত ১৩(১) বিধি এবং যোগ্যতা-সংক্রান্ত বিধিতে সংশোধনী আনা হয়।  ইতিপূবে স্কুল-কলেজের ম্যানেজিং কমিটিকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন সুপারিশ করেছিল। কিন্তু ওই সুপারিশে ম্যানেজিং কমিটিতে সরকারি চাকরিজীবীদের রাখার কথা বলা হয়। তখন সরকার বিধিমালায় সংশোধন এনে সিদ্ধান্ত দেয়, সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্মরত নবম গ্রেডের নিচে নন এমন কর্মকর্তা এবং অবসরপ্রাপ্ত হলে পঞ্চম গ্রেডের কর্মকর্তা সভাপতি হতে পারবেন। ওই সংশোধিত বিধি চ্যালেঞ্জ করে চারটি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি উচ্চ আদালতে রিট মামলা করেছেন।

এদিকে মামলার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরগুলো প্যানেল আইনজীবী নিয়োগ দিলেও সরকারের নির্ধারিত ফি কম হওয়ায় দক্ষ ও অভিজ্ঞ আইনজীবীরা আগ্রহী হয় না। বর্তমানে ফি কাঠামো অনুযায়ী আরজি বা জবাব প্রস্তুতের জন্য ২০ হাজার টাকা, চূড়ান্ত শুনানির জন্য ২০ হাজার টাকা এবং আইনি মতামতের জন্য ৩ হাজার টাকা দেয়া হয়। আইনজীবীদের মতে, সরকারি মামলায় যে পারিশ্রমিক দেয়া হয়, তা অত্যন্ত কম। অথচ প্রায় প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মামলা হচ্ছে। অথচ নিষ্পত্তির গতি কম। 

এদিকে এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, দেশের বিভিন্ন আদালতে শিক্ষার দুই মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। ওসব মামলার কারণে ব্যাহত হচ্ছে নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ। মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সরকারের পক্ষ থেকে প্রচেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন: ইসরায়েলে পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোট গণনা চলছে, লিকুদ পার্টি এগিয়ে

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নানা সংকটে তলানিতে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৩ এম


নানা সংকটে তলানিতে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান

নানা সঙ্কটে তলানিতে নামছে দেশের মেডিকেল শিক্ষার মান। দেশের ৩৯টি সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রায় সবটিতে শিক্ষক, জনবল সংকটসহ নানামুখী চ্যালেঞ্জ রয়েছে। বর্তমানে দেশের সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে মোট শিক্ষক পদের ৪৩ দশমিক ৩৮ শতাংশই শূন্য। আর সব মেডিকেল কলেজেই শূন্য রয়েছে মৌলিক বিষয়ে শিক্ষকের পদ। বর্তমানে মেডিকেল কলেজগুলোয় মৌলিক বিষয়ে মোট ২ হাজার ৬৯টি শিক্ষকের পদ রয়েছে। কিন্তু মাত্র ১ হাজার ৫৬০ জন শিক্ষাদান করছে। অর্থাৎ মৌলিক বিষয়ে প্রায় এক-চতুর্থাংশ পদই শূন্য। বিশেষ করে নতুন কলেজগুলোতে ৩০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত বেসিক সাবজেক্টে শূন্য পদের হার। তাছাড়া নতুন মেডিকেল কলেজগুলোর স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকা, শিক্ষক সঙ্কটের পাশাপাশি অনেক প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষ, আবাসন ও ল্যাব সংকট রয়েছে। চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিজিএমই) সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, চিকিৎসাবিজ্ঞানের মতো সংবেদনশীল ও বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রমে মৌলিক সুবিধার অভাব দক্ষ চিকিৎসক তৈরিতে অন্তরায়। ফলে স্বাস্থ্য খাত ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীরা প্রস্তুত হতে পারছে না। ২০১৮ সালে নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ নেত্রকোনা ২৫০ শয্যার সদর হাসপাতালের কোয়ার্টারে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু করে। কিন্তু দীর্ঘ ৮ বছরেও প্রতিষ্ঠানটির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়নি। বরং শিক্ষক, আবাসন ও ক্লাসের সংকট, সীমিত হাতেকলমে শেখার সুযোগ নিয়েই ৩৩৩ শিক্ষার্থী প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে পড়াশোনা করছে। বলা হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত পেলেই শুরু হবে মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কাজ। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিকে যে জায়গাটা দেয়ার কথা তা অনেকটা রাস্তা ঘুরে যেতে হবে। ফলে মেডিকেল কলেজের সুবিধা পেতে মানুষকে ঘুরে আসতে হবে দীর্ঘ পথ। আবার নতুন করে জায়গা নির্বাচন করার সুযোগ নেই। 

সূত্র জানায়, বর্তমানে যেসব মেডিকেল কলেজ অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শিক্ষা কার্যক্রম চালাচ্ছে তার মধ্যে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ, চাঁদপুর মেডিকেল কলেজ, মাগুরা মেডিকেল কলেজ, নওগাঁ মেডিকেল কলেজ, নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজ, নীলফামারী মেডিকেল কলেজ ও সুনামগঞ্জ মেডিকেল কলেজ রয়েছে। আর স্থায়ী ক্যাম্পাস না থাকায় ওসব মেডিকেল কলেজে সঙ্কট রয়েছে শ্রেণিকক্ষ, আবাসন ও ল্যাবের। বিগত ২০১৪ সালে পার্বত্য চট্টগ্রামের একমাত্র মেডিকেল কলেজ হিসেবে রাঙ্গামাটি মেডিকেল কলেজ যাত্রা করে। কলেজটির শিক্ষা কার্যক্রম রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতালের করোনারি কেয়ার ইউনিট ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয়। কিন্তু দীর্ঘ এক যুগেও মেডিকেল কলেজটির কোনো স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ হয়নি। আর বর্তমানে ওই প্রতিষ্ঠানে বেসিক ও ক্লিনিক্যাল বিষয়ে শিক্ষকের ৫৮টি অনুমোদিত পদের বিপরীতে মাত্র ২৫ জন কর্মরত আছেন। অধ্যাপকের ৭টি পদ আর সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকের ১৩টি করে পদ শূন্য। ৩৩ শূন্য পদে বর্তমানে ১৮ জন শিক্ষক সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছে। যদিও রাঙ্গামাটি শহরের সুখী নীলগঞ্জ এলাকায় ২৮ একর জমির ওপর ১ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ক্যাম্পাস নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তাছাড়া নওগাঁও মেডিকেল কলেজেরও নিজস্ব ক্যাম্পাস নেই নওগাঁ। পাশাপাশি কাটেনি জনবল সংকটও। বর্তমানে কলেজটিতে একজন অধ্যক্ষ, ১২ জন অধ্যাপক, ২৩ জন সহযোগী অধ্যাপক, ২৬ জন সহকারী অধ্যাপক, ২৬ জন প্রভাষক এবং দুজন কিউরেটরসহ মোট ৯০টি অনুমোদিত পদ রয়েছে। কিন্তুএকজন অধ্যক্ষ, তিনজন অধ্যাপক, ৯ জন সহযোগী অধ্যাপক, ৬ জন সহকারী অধ্যাপক, ২৪ জন প্রভাষক এবং দুজন কিউরেটরসহ মাত্র ৪৫ জন কর্মরত আছেন। তাদের মধ্যে আবার একজন কিউরেটর প্রেষণে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে আছেন। আর চাঁদপুর মেডিকেল কলেজে অনুমোদিত লোকবল ১০৯ জন হলেও কর্মরত আছেন ৪৭ জন। বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক সংকট থাকায় একজন শিক্ষককে ৩-৪টা দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আর জামালপুর মেডিকেল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ এবং পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ নিজস্ব ক্যাম্পাস পেলেও কাটেনি জনবল সংকট কাটেনি। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজে শিক্ষকসহ মোট পদ রয়েছে ১৭৩টি। তার মধ্যে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক ও সহকারী অধ্যাপক, প্রভাষকসহ কর্মকর্তা-কর্মচারী মিলে ৫৯ জন কর্মরত আছেন। পদ শূন্য ১১৪টি। পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজে ৯৪টি পদের মধ্যে ৫১টি পদ শূন্য আর জামালপুর মেডিকেল কলেজে ৮৬টি পদের বিপরীতে ৩১টি শূন্য। শিক্ষকের সঙ্গে অনেক কলেজের শিক্ষার্থীরা আবাসন সংকটেও ভুগছেন। সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজের ১০০ আসনের হোস্টেলে ৩১৮ জন ছাত্রীকে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে।

সূত্র আরো জানায়, সরকার স্থায়ী ক্যাম্পাসবিহীন সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোর অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। চলতি অর্থবছরের মধ্যেই নিজস্ব ক্যাম্পাস নির্মাণকাজ শুরুর লক্ষ্যে ৬টি মেডিকেল কলেজের উন্নয়ন প্রকল্প পুনর্গঠন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় ভবন, অতিরিক্ত জমি অধিগ্রহণ এবং নার্সিং কলেজের পুনরাবৃত্তি এড়িয়ে প্রকল্প ব্যয় কমিয়ে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয়ের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি ৫০ শয্যার মেডিকেল কলেজের জন্য আদর্শভাবে ১৫ একর জমিই যথেষ্ট। নতুন পরিকল্পনায় বহুতল প্রশাসনিক ভবনের মাধ্যমে জায়গা ও নির্মাণ ব্যয় কমানো হবে। তাছাড়া মেডিকেল কলেজগুলোর সংকট বিশেষ করে শিক্ষক কাটাতে সরকার প্রণোদনা দেয়ার বিষয়েও চিন্তা-ভাবনা করছে। 

এদিকে সরকারি মেডিকেল কলেজগুলোতে বেসিক সাবজেক্টে শিক্ষক সংকটের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন জানান, ক্লিনিক্যাল বিষয়ের তুলনায় অ্যানাটমি, ফিজিওলজি ও বায়োকেমিস্ট্রির মতো বেসিক বিষয়ে শিক্ষক ঘাটতি বেশি। সংকট মোকাবিলায় বেসিক বিষয়ে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য প্রণোদনা চালুর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি কর্মরত শিক্ষকদের আর্থিক প্রণোদনা, অবসরপ্রাপ্ত যোগ্য শিক্ষকদের পুনর্নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগও নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যমান মেডিকেল কলেজগুলোর সংকট সমাধানের আগেই নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠায়ও সরকার উদ্যোগী হয়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দুটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ঠাকুরগাঁও ও নরসিংদী জেলায় নতুন একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সরকার আরো ৭টি জেলায় নতুন মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শিক্ষার্থীদের ক্ষোভে উত্তপ্ত রাজশাহী, রেলস্টেশনে ভাঙচুর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৩৫ এম


শিক্ষার্থীদের ক্ষোভে উত্তপ্ত রাজশাহী, রেলস্টেশনে ভাঙচুর

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনার প্রেক্ষিতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে শিক্ষার্থীরা ভাঙচুর করেছে।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মারধরের শিকার ওই শিক্ষার্থীকে রাত ১২টার দিকে স্টেশনে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্যকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

মারধরের শিকার শিক্ষার্থী আইয়ুব আলী ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জানা গেছে, আইয়ুব আলী তার চাচাকে স্টেশন থেকে নিয়ে আসার জন্য রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে গিয়েছিলেন। সেখানে রাবির ইংরেজি বিভাগের দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে দায়িত্বরত রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আইয়ুব ওই শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বললে তাকে মারধরের শিকার হতে হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

ঘটনার প্রতিবাদে রাত ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন রেললাইনে আগুন জ্বালিয়ে অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস হরিয়ান এলাকায় আটকা পড়ে। পরে শিক্ষার্থীরা রেললাইন ধরে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনের দিকে অগ্রসর হন। রাত ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা কয়েক দফায় ভাঙচুর চালান। তারা গাছের ডাল, বাঁশ, লাঠি ও ইট-পাটকেল দিয়ে স্টেশনের কাচের জানালা, ডাস্টবিন, দোকানপাট, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কক্ষ, সাইনবোর্ড ও সিসিটিভি ক্যামেরা ভাঙচুর করেন। রেলওয়ে থানা, পার্সেল অফিস ও রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কার্যালয়েও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরে রাত দেড়টার দিকে প্রক্টরিয়াল বডির প্রচেষ্টায় শিক্ষার্থীরা স্টেশন ত্যাগ করেন।

আইয়ুবের সহপাঠী মোহাম্মদ মিজান বলেন, "রেলস্টেশনে রাবির কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে রেলওয়ের কর্মচারীদের বাকবিতণ্ডা হচ্ছিল। পরে আইয়ুব তাদের পক্ষে কথা বলায় তাকে বেধড়ক মারধর করা হয়।"

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান জানান, শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার পর তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি শান্ত করা সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, "শিক্ষার্থীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে ক্যাম্পাসে ফিরে গেছে। আশা করি, সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে দায়িত্বশীল আচরণ করবেন এবং ভবিষ্যতে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।"

এ বিষয়ে পশ্চিম রেলের মহাপরিচালক আহম্মদ হোসেন মাসুম বলেন, "এ ধরনের সহিংসতা কাম্য নয়। শিক্ষার্থীকে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর
নেপালে ভয়াবহ বন্যা

চার সপ্তাহ পরও নিখোঁজ ৬ হাজার মানুষ, মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ৪৫০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৩:৪৪ এম


চার সপ্তাহ পরও নিখোঁজ ৬ হাজার মানুষ, মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার ৪৫০

গত মাসের ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার চার সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নেপালে এখনো খোঁজ মেলেনি প্রায় ৬ হাজার মানুষের। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দেশটির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ৪৫০ ছাড়িয়ে গেছে। খবর এনডিটিভির। 

নেপাল-তিব্বত সীমান্ত এলাকার কাছে গত ২৬ আগস্ট এই বিধ্বংসী বন্যা শুরু হয়। ভোতেকোশি নদীর তীব্র স্রোত মুহূর্তের মধ্যে উত্তর ও মধ্য নেপালের ঘরবাড়ি, গাড়ি, রাস্তাঘাট এবং সেতু ভাসিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে দেশটির জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত নেপাল পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধার অভিযানে আরও মরদেহ পাওয়ায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৪৫১ হয়েছে।

সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা গেছে চিতওয়ান জেলায় (৩৬৭ জন)। এ ছাড়া রাসুয়ায় ২৩৬ জন, পূর্ব নাওয়ালপরাসিতে ২৩২ জন এবং পশ্চিম নাওয়ালপরাসিতে ২২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর বাইরে নুওয়াকোট, গোর্খা, ধাদিং ও তানাহু জেলা থেকেও বহু মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

এখনো চলছে উদ্ধারকাজ ও তল্লাশি 

দুর্যোগের এক মাস পরও প্রায় ৬ হাজার নিখোঁজ মানুষের সন্ধানে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। নদীর তীরবর্তী এলাকা, পলিমাটি জমে থাকা স্থান এবং ক্ষতিগ্রস্ত জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে চিরুনি অভিযান চালানো হচ্ছে। রাসুয়ার একটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ থেকে মাটি ও রডের জালের নিচ থেকে ১৭টি মরদেহ উদ্ধার করতে গ্যাস কাটার ও গ্রাইন্ডারের মতো ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়েছে। 

তবে উদ্ধারকাজে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মরদেহ শনাক্তকরণ। পানিতে ভেসে থাকা অনেক মরদেহ পচে গলে যাওয়ায় বা খণ্ডিত হয়ে যাওয়ায় চেনার উপায় নেই। এ পর্যন্ত ডিএনএ নমুনা রেখে প্রায় ১ হাজার ৩০০ মরদেহ সাময়িকভাবে দাফন করা হয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১১০টি মরদেহ শনাক্ত করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব হয়েছে। 

চরম দুর্ভোগে স্থানীয় বাসিন্দারা 

বন্যার কারণে পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে মানুষ এখন মানবেতর জীবনযাপন করছেন। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ভাঙা সেতু ও রাস্তাঘাট মেরামতের কাজ শুরু করলেও নিত্যদিনের প্রয়োজনীয় বাজারঘাট, স্কুল এবং চিকিৎসাসেবা পেতে চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিরাপত্তা শঙ্কায় ইসলামাবাদে সরকারি স্কুল বন্ধ ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ২১শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং

০৬:৫৯ এম


নিরাপত্তা শঙ্কায় ইসলামাবাদে সরকারি স্কুল বন্ধ ঘোষণা

পাকিস্তানের রাজধানীতে সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় নিরাপত্তার স্বার্থে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) ইসলামাবাদের কয়েকটি সরকারি স্কুল বন্ধ রাখা হয়েছে। 

নিরাপত্তার আশঙ্কায় সতর্কতা হিসেবে স্কুল কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের ছুটির কথা জানিয়ে দেয়। জি-৭ সেক্টর এবং সিতারা মার্কেটের স্কুল ভবনগুলোতে পুলিশ সদস্যদের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ ছাড়া সেখানকার এফ-৭/৩ সেক্টরের একটি সরকারি স্কুলেও ছুটি ঘোষণা করা হয়।

অন্যদিকে, ইসলামাবাদে সম্ভাব্য বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি ঠেকাতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েছে প্রশাসন। 

বিক্ষোভকারীরা যাতে শহরে ঢুকতে না পারে, সেজন্য প্রধান প্রধান সড়কে পরিখা খোঁড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে এবং শহরের রেড জোন পুরোপুরি সিল করে দেওয়া হয়েছে। 

শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ব্যারিকেড বা প্রতিবন্ধক তৈরি করতে খালি কন্টেইনারে মাটির বস্তা ভরার কাজ চলছে। যেকোনও ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে রাজধানীর প্রবেশ ও বের হওয়ার সব পয়েন্টে ব্যাপক নিরাপত্তাবলয় গড়ে তোলা হয়েছে। 

উল্লেখ্য, জ্বালানি তেলের ওপর অতিরিক্ত কর প্রত্যাহারের দাবিতে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদ অভিমুখে ‘ট্রেন মার্চ’ কর্মসূচি শুরু করেছে দেশটির অন্যতম প্রধান ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী (জেআই)। রাজনৈতিক দলটির রাজধানী অভিমুখে লংমার্চ ঘিরে চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে ইসলামাবাদে। 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ১৭ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪৬
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪৬
মাগরিব ০৫:২২
ইশা ০৬:৩৪
সূর্যোদয় : ০৬:০২ সূর্যাস্ত : ০৫:২২
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%