ঢাকা রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বঙ্গাব্দ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
রবিবার, ০৮ই নভেম্বর, ২০২৬ইং ২৩শে কার্তিক, ১৪৩২বাং

মানহানি মামলার মধ্যেই কড়া বার্তা দিলেন মিমি


মানহানি মামলার মধ্যেই কড়া বার্তা দিলেন মিমি

 

বনগাঁর একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বিতর্ক নতুন মোড় নিয়েছে। টালিউড অভিনেত্রী ও সাবেক সংসদ সদস্য মিমি চক্রবর্তী এবং তনয় শাস্ত্রীর মধ্যে আইনি লড়াইয়ের মাঝে এবার তিনি সতর্কবার্তা দিয়েছেন।

জানা গেছে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার জেরে মিমি চক্রবর্তীর অভিযোগের ভিত্তিতে তনয় শাস্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আদালতের নির্দেশে কিছুদিন তাকে জেল হেফাজতে থাকতে হয়। জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর তনয় অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন।

আরও পড়ুন: মাদারীপুরে কৃষককে কুপিয়ে জখম, প্রধান আসামি জাকির গ্রেফতার

তনয়ের দাবি, মামলার শুনানির জন্য আদালত একাধিকবার দিন ধার্য করলেও মিমি ব্যক্তিগতভাবে হাজির হননি। এই প্রেক্ষাপটে, তনয়ের আইনজীবী ও বিজেপি বিধায়ক তরুণজ্যোতি তিওয়ারি আদালতের কাছে অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের আবেদন জানিয়েছেন।

নতুন এই আইনি পদক্ষেপে টলিপাড়ায় আলোচনা শুরু হয়েছে। মিমি যদিও কোনো মন্তব্য করেননি, তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে পরোক্ষভাবে নিজের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

মিমির অভিযোগ, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে তার সম্পর্কে এমন কিছু খবর ছড়ানো হচ্ছে, যার অনেকগুলি যথাযথভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে না। ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার হলে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন বলেও তিনি স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন।

পোস্টে অভিনেত্রী বলেন, সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে এবং তার সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের আগে সেগুলি অবশ্যই সঠিকভাবে যাচাই করা উচিত।

আরও পড়ুন: সারজিস আলম: গণহত্যাকারী হাসিনার অলীক ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসবে না

মিমির এই বার্তা দেওয়ার পর, নতুন করে আলোচনায় এসেছে তনয় শাস্ত্রীর সাথে তার চলমান আইনি বিরোধ। মানহানি মামলা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগে ঘটনাটি এখন টলিউড অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত বিষয়।

এদিকে, মামলার পরবর্তী শুনানি ও আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের। আইনি এই লড়াই শেষ পর্যন্ত কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জীবনের মৌলিক উপাদান সৌরজগতের ভেতরেই তৈরি হয়েছে: নাসার গবেষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৩৯ এম


জীবনের মৌলিক উপাদান সৌরজগতের ভেতরেই তৈরি হয়েছে: নাসার গবেষণা

পৃথিবীতে জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় মৌলগুলো কোথা থেকে এসেছে, সেই প্রশ্নের নতুন উত্তর বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন।

নাসার সহায়তায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রাণের জন্য অপরিহার্য নাইট্রোজেন ও ফসফরাস প্রধানত সৌরজগতের ভেতরের অঞ্চল থেকেই পৃথিবীতে আসছে। একই সঙ্গে বৃহস্পতি গ্রহ এসব মৌলের বিস্তারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে বলেও গবেষণায় উঠে এসেছে।

‘সায়েন্স অ্যাডভান্সেস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণাটিতে নাইট্রোজেন ও ফসফরাসের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কারণ জীবনের পরিচিত সব রূপের জন্য এই দুই মৌল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। গবেষকেরা বিভিন্ন ধরনের উল্কাপিণ্ডে ফসফরাস ও নাইট্রোজেনের অনুপাত বিশ্লেষণ করে সাড়ে ৪৫০ কোটি বছর আগে তরুণ সৌরজগতে এই মৌলগুলোর চলাচলের ইতিহাস অনুসন্ধান করেছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, সৌরজগত গঠিত হয়েছিল নবীন সূর্যকে ঘিরে থাকা গ্যাস ও ধুলার বিশাল মেঘ থেকে। পরে এই উপাদানগুলো একত্র হয়ে গ্রহ, উপগ্রহ এবং শেষ পর্যন্ত জীবনের ভিত্তি তৈরি করে।

গবেষণায় দুটি ধরনের উল্কাপিণ্ড পরীক্ষা করা হয়—ধাতব উল্কাপিণ্ড এবং কনড্রাইট। ধাতব উল্কাপিণ্ড সৌরজগতের প্রথম প্রজন্মের ক্ষুদ্র জ্যোতিষ্ক থেকে এসেছে, আর কনড্রাইট সৃষ্টি হয়েছে দুই থেকে তিন মিলিয়ন বছর পরে গঠিত দ্বিতীয় প্রজন্মের জ্যোতিষ্ক থেকে।

পরীক্ষাগারভিত্তিক বিশ্লেষণ ও ভূ-রাসায়নিক মডেলের মাধ্যমে গবেষকেরা দেখতে পান, প্রথম প্রজন্মের জ্যোতিষ্কে সৌরজগতের বাইরের অঞ্চলে ফসফরাস-নাইট্রোজেন অনুপাত বেশি ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় প্রজন্মে চিত্রটি উল্টো হয়ে যায়; তখন ভেতরের অঞ্চলে এই অনুপাত বেশি দেখা যায়।

গবেষকদের ধারণা, বৃহস্পতি ধীরে ধীরে গঠিত ও বড় হওয়ার সময় তার শক্তিশালী মহাকর্ষীয় প্রভাব ভেতরের অঞ্চল থেকে বাইরের দিকে মৌলগুলোর চলাচল সীমিত করে দেয়। ফলে ভেতরের অঞ্চলে বেশি পরিমাণ ফসফরাস ও নাইট্রোজেন থেকে যায়।

হিউস্টনের রাইস বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক রাজদীপ দাশগুপ্ত মন্তব্য করেছেন, বাসযোগ্য পৃথিবীর মতো জগত তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় মৌলগুলোর বণ্টন নির্ধারণে বৃহস্পতির উপস্থিতি ও বিকাশের ইতিহাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

গবেষণার প্রধান লেখক দেবজিত পাঠক জানিয়েছেন, ফলাফল ইঙ্গিত দিচ্ছে যে পৃথিবী তার অধিকাংশ প্রাণ-সহায়ক নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সৌরজগতের ভেতরের অঞ্চল থেকেই পেয়েছে; বাইরের অঞ্চল থেকে বড় ধরনের অবদান প্রয়োজন হয়নি।

 

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় বেড়ে নতুন রেকর্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৬:৪৬ এম


বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক অস্ত্রে ব্যয় বেড়ে নতুন রেকর্ড

বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক অস্ত্র খাতে ব্যয় গত বছর রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে।

পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্তির পক্ষে কাজ করা সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবলিশ নিউক্লিয়ার উইপনস (আইক্যান)-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের নয়টি পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ ২০২৫ সালে মোট ১১৯ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে, যা ২০২৪ সালের তুলনায় ১৯ শতাংশ বেশি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই নয়টি দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, ভারত, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া এবং ইসরাইল।

আইক্যানের তথ্য অনুযায়ী, এসব দেশ প্রতি সেকেন্ডে গড়ে ৩ হাজার ৭৬৮ ডলার পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে ব্যয় করেছে। এর মধ্যে একাই যুক্তরাষ্ট্র ৬৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার খরচ করেছে, যা বাকি আটটি পারমাণবিক শক্তিধর দেশের সম্মিলিত ব্যয়ের চেয়েও বেশি।

আইক্যানের কর্মসূচি পরিচালক সুসি স্নাইডার বলেন, “যখন জীবনযাত্রার ব্যয় দ্রুত বাড়ছে এবং বহু মানুষের জন্য খাদ্য ও জ্বালানি ক্রয় করা কঠিন হয়ে পড়েছে, তখন নিরাপত্তার এক ভ্রান্ত প্রতিশ্রুতির পেছনে এই নয়টি দেশের বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার ব্যয় করা অকল্পনীয়।”

তিনি আরও বলেন, “পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার মানেই ভয়াবহ বিপর্যয়। আর পারমাণবিক প্রতিরোধনীতির এই যুক্তি আমাদের নিজেদের অস্তিত্বের নিরাপত্তা শত্রুপক্ষের ওপর নির্ভরশীল করে তোলে।”

বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক নিরাপত্তা উদ্বেগ, ভূরাজনীতি উত্তেজনা এবং সামরিক প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির কারণে পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচিতে বিনিয়োগ বাড়ছে। তবে নিরস্ত্রীকরণপন্থীরা সতর্ক করে বলছেন, এই প্রবণতা বিশ্বকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলতে পারে।

তথ্যসূত্র: আল জাজিরা

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

থাইল্যান্ডে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে ব্যতিক্রমধর্মী ইসলামী জাদুঘর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৭:০৮ এম


থাইল্যান্ডে দর্শনার্থীদের আকর্ষণ করছে ব্যতিক্রমধর্মী ইসলামী জাদুঘর

মিউজিয়াম অব ইসলামিক কালচারাল হেরিটেজ এন্ড আল কোরআন লার্নিং সেন্টার থাইল্যান্ডের গৌরবোজ্জ্বল একটি প্রতিষ্ঠান। এটি দেশটির নারা থিওয়াত শহরে অবস্থিত এবং এখানে ইসলামী সভ্যতা ও সংস্কৃতির অসংখ্য নিদর্শন সংরক্ষিত রয়েছে। পাশাপাশি, এই জাদুঘর ইসলামী ভ্রাতৃত্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রদর্শনও বটে।

এখানে কোরআনের অনেক প্রাচীন অনুলিপি রয়েছে, যা বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের আলেম ও রাজপরিবারের সদস্যরা ওয়াকফ ও দান হিসেবে প্রদান করেছেন। জাদুঘরে সংরক্ষিত নিদর্শনের মধ্যে ভারত, ইরান, ইয়েমেন, মিসর, নাইজেরিয়া, ব্রুনাই ও স্পেনের প্রাচীন বস্তু রয়েছে। উল্লেখ্য, জাদুঘরটি ২০২৪ সালে সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।

জাদুঘরের কর্মকর্তা নিক ইলহাম জানিয়েছেন, এখানে বর্তমান কোরআন ও হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপির মোট ১৮৪টি সংগ্রহ রয়েছে, যার বয়স ১০০ বছর থেকে শুরু করে এক হাজার বছরেরও বেশি। এসব সংগ্রহের বিশেষত্ব মূলত তাদের প্রাচীনত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং অধিকাংশ পাণ্ডুলিপি আলেম ও রাজপরিবারের বংশধরদের ওয়াকফকৃত। এগুলো কিনে সংগ্রহ করা হয়নি।

মালয়েশিয়া থেকে আসা দর্শনার্থীদের জন্য সবচেয়ে মূল্যবান নিদর্শনের মধ্যে রয়েছে প্রখ্যাত আলেম টুক কেনালি (রহ.)-এর একটি পাণ্ডুলিপি, যা আনুমানিক ১৬০ বছর পুরনো। এছাড়া, তাঁর ব্যক্তিগত কোরআনের একটি অনুলিপিও এখানে সংরক্ষিত রয়েছে। এই পাণ্ডুলিপি দুটি মালয়েশিয়ার কেলান্তান অঙ্গরাজ্যের কুবাং কেরিয়ানের একটি পন্ডুক (ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) থেকে সংগৃহীত। এগুলো স্থানীয় আলেমদের কোরআনি জ্ঞান সংরক্ষণ ও প্রচারের নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত।

জাদুঘরে একটি বিশেষ পাণ্ডুলিপিও আছে, যা প্রখ্যাত আলেম শায়খ দাউদ ফাতানি (রহ.)-এর হাত থেকে তৈরি, যার বয়স দুই শ বছরেরও বেশি বলে ধারণা করা হয়। এই পাণ্ডুলিপির বিশেষত্ব হলো, এর কিছু লেখায় সোনার অলংকরণ তৈরি করা হয়েছে। একই সাথে, বিভিন্ন রঙের কালি তৈরি করা হয়েছে ফুলের প্রাকৃতিক নির্যাস থেকে।

মালয় উপদ্বীপের নিদর্শনের পাশাপাশি, জাদুঘরে সংরক্ষিত রয়েছে মালয় অঞ্চলের সবচেয়ে প্রাচীন কোরআনের অনুলিপি, যা প্রায় চার শ বছর আগে শায়খ নুরুদ্দিন আর-রানিরি প্রস্তুত করেছিলেন। এছাড়া, স্পেনের ঐতিহাসিক অঞ্চল আন্দালুসিয়া থেকে প্রাপ্ত একটি পাণ্ডুলিপি রয়েছে, যার বয়স প্রায় আট শ বছর।

জাদুঘরে এমন কিছু ব্যতিক্রমধর্মী সংগ্রহও রয়েছে, যেগুলো গাছের বাকল ও পশুর চামড়ার ওপর প্রস্তুত করা হয়েছে। নিক ইলহাম আরও বলেন, এসব মূল্যবান সংগ্রহের অস্তিত্ব নির্দেশ করে যে ইসলামী শিক্ষা উন্নয়ন এবং জ্ঞান সংরক্ষণের প্রচেষ্টা কখনোই জাতীয় সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। যদিও জাদুঘরটি দক্ষিণ থাইল্যান্ডে অবস্থিত, তথাপি এর প্রতিটি প্রদর্শনীকক্ষে মালয় অঞ্চলের জ্ঞান, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের চেতনাকে সমুন্নত রাখা হয়েছে। মালয় আলেম ও রাজপরিবারের উত্তরসূরীদের প্রদর্শিত ওয়াকফের এই চেতনা জাদুঘরটিকে কেবল প্রাচীন পাণ্ডুলিপি সংরক্ষণের কেন্দ্র হিসেবেই নয়, বরং অত্র অঞ্চলের ইসলামী ঐতিহ্যের ঐক্যের প্রতীক হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত করেছে।

এই জাদুঘর এমন একটি ঐতিহ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে, যা যুগের পর যুগ ধরে সযত্নে লালিত, সংরক্ষিত এবং পরবর্তীতে প্রজন্মের কাছে হস্তান্তর করা হচ্ছে। এটি কেবল অতীতের স্মারক নয়; বরং সমগ্র মালয় অঞ্চলের ইসলামী জ্ঞান, সংস্কৃতি এবং ওয়াকফভিত্তিক সভ্যতার ধারাবাহিকতার একটি জীবন্ত সাক্ষ্য।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঘুমের ঘাটতি কি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়? গবেষণায় মিলল ইঙ্গিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ৯ই জুন, ২০২৬ ইং

০৮:০৫ এম


ঘুমের ঘাটতি কি ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি বাড়ায়? গবেষণায় মিলল ইঙ্গিত

ঘুমের অভাবে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি মারাত্মকভাবে বেড়ে চলেছে। বিভিন্ন চিকিৎসাবিজ্ঞানের গবেষণায় দেখা গেছে, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা এবং ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাসের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবও লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার একটি বড় কারণ।

আমেরিকার এন্ডোক্রাইন সোসাইটির একটি প্রতিবেদন এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, যাদের পর্যাপ্ত ঘুম হয় না অথবা যারা নিয়মিত রাত জাগেন, তাদের ক্ষেত্রে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বা ঝুঁকি প্রায় ২৯ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যায়।

তবে চীনের সান ইয়াৎ-সেন ইউনিভার্সিটির গবেষকরা জানিয়েছেন, যাদের ঘুমের সমস্যা রয়েছে, রাতের ঘুম ঠিকমতো হয়নি এবং দিনের বেলার ঘুমায়, তাদের ফ্যাটি লিভার হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। কারণ ঘুমের মান যদি উন্নত হয়, তাহলে ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি ২৯ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়।

ফ্যাটি লিভার যদি স্টেজ ওয়ানে থাকে, তাহলে ঘুমের মান উন্নত করে এ সমস্যা কমাতে সম্ভব। আসলে ভালো ঘুম হলে, শরীর যথেষ্ট সময় পায় নিজেকে মেরামত করার জন্য। শারীরিক প্রদাহ কমাতে ভালো ঘুম অত্যন্ত জরুরি। তবে শুধু ঘুমের ওপর জোর দিলেই যে ফ্যাটি লিভার থেকে মুক্তি পাবেন, তাও নয়। সামগ্রিক লাইফস্টাইলও উন্নত করা সমান জরুরি। ডায়েট, এক্সারসাইজ এবং ঘুম— এই বিষয়গুলোর ওপর জোর দিলেই ফ্যাটি লিভারের ঝুঁকি এড়ানো সম্ভব।

সাধারণত অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, শরীরচর্চার অনীহা এবং ওবেসিটির মতো বিষয়গুলোকে ফ্যাটি লিভারের মূল কারণ হিসেবে ধরা হয়। কিন্তু ঘুমের সমস্যাকেও হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ ঘুমের সমস্যার সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের যোগ রয়েছে। বিষয়টি শুনতে অদ্ভুত লাগছে? কিন্তু গবেষণা বলছে— এমনটি ঘটতে পারে। দিনের পর দিন কম ঘুম, অনিদ্রা, মাঝরাতে বারবার ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যা ফ্যাটি লিভার ডেকে আনছে। এমনটিই দেখা গেছে এন্ডোক্রাইন সোসাইটির ‘জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড মেটাবলিজম’-এ প্রকাশিত নতুন গবেষণায়।

এশিয়ান হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগীয় প্রধান অমিত মিলানি জানিয়েছেন, মেটাবলিক হেলথের ক্ষেত্রে ডায়েট ও ব্যায়ামের মতোই সমান গুরুত্বপূর্ণ ঘুম। তিনি বলেন, ঘুমের অভাব লিভারের কার্যকারিতার ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। এটা অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া এবং অলস জীবনযাপনের মতোই ক্ষতিকর।

ঘুমের অনিয়মের জেরে শরীর সঠিকভাবে শক্তি বিপাক করতে পারে না। তাই ফ্যাট মেটাবলিক হওয়া থেকে শুরু করে ইনসুলিন নিয়ন্ত্রণ এবং এনার্জি ম্যানেজমেন্ট— প্রতিটা প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে। এর ফলস্বরূপ লিভারেও ফ্যাট জমতে থাকে। সে কারণে পুষ্টি ও ব্যায়ামের পাশাপাশি বিপাকীয় স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি হচ্ছে ঘুম। দিনের পর দিন কম ঘুম শরীরে স্ট্রেস হরমোনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এতে যেমন রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ছে, ঠিক তেমনই বিপাকীয় ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ঘুমের অভাবে খিদে বাড়ে, বিশেষত মুখরোচক খাবারের প্রবণতা তৈরি হয়। তার সঙ্গে যদি কায়িক পরিশ্রম না হয়, তবে শরীরের ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়।

তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ২৭শে জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৫১
জোহর ১১:৪৩
আসর ০৩:৪০
মাগরিব ০৫:১৬
ইশা ০৬:২৯
সূর্যোদয় : ০৬:০৮ সূর্যাস্ত : ০৫:১৬
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%